শুরুতেই কলাপ্স, থামাতে হবে বলছেন সিডন্স

প্রথম ম্যাচ শেষে সিডন্স আশাবাদী তরুণরা আরও বেশি ম্যাচ জেতাবে
Vinkmag ad

ঘরে কিংবা বাইরে, বাংলাদেশের ব্যর্থতার বড় দায় ব্যাটারদেরই নিতে হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে নতুন বলের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে টাইগার ব্যাটারদের বলছেন জেমি সিডন্স। টাইগার ব্যাটিং কোচের অবশ্য বিশ্বাস ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে ভালো করবে শিষ্যরা। তবে সে ক্ষেত্রে টপ অর্ডারের কলাপ্স (ধ্বস) থামাতে হবে।

টপ অর্ডারের ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরতে বেশি দূরে যেতে হবে না। সদ্য সমাপ্ত শ্রীলঙ্কা সিরিজের ঢাকা টেস্টই হতে পারে বড় উদাহরণ। প্রথম ইনিংসে ২৪ রানে ৫ উইকেট ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ৫৩ ও ৮০ রানে অলআউট হওয়ার মতো নজিরও আছে। ডারবান টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৩ রানে অলআউট হওয়ার পথে ১৬ রানেই হারাতে হয় ৬ ব্যাটারকে।

ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দুই টেস্টের সাথে আছে সমান তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি। ক্যারিবিয়ানে টাইগার ব্যাটারদের পরীক্ষা নিবে স্বাগতিক পেসাররা।

নতুন বল সামলানো হবে চ্যালেঞ্জিং বলছেন সিডন্স। তবে তার বিশ্বাস অফ ফর্মে থাকা বাঁহাতি ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত ফিরে আসবেন ফর্মে। সাথে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম ফর্মে থাকাটাও আশাবাদী করছে টাইগার ব্যাটিং কোচকে। কিন্তু ব্যাটিং অর্ডারের ধ্বস থামাতে হবে সবার আগে।

তার মতে, ‘মূল হুমকি তো নতুন বল। নতুন বলের ব্যাটিংয়ে আমাদের আরও ভালো করতে হবে। মুমিনুল ফর্মে ফিরলে দারুণ হয়। আমি জানি, শান্ত খুব ভালো ক্রিকেটার। আমার ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেন, শান্ত খুব ভালো ব্যাটার। ওর ফর্মে ফেরা প্রয়োজন আমাদের জন্য। আমাদের উদ্বোধনী জুটি চট্টগ্রাম টেস্টে যেভাবে খেলেছে, সেরকম প্রয়োজন।’

‘তামিম ও মুশফিক ভালো ফর্মে আছে, কাজেই ভালো কিছু হতে পারে বলে মনে হয়। তবে ২০ রানে ৫ উইকেট, ২০ রানে ৪ উইকেট, এসব থামাতে হবে আমাদের। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। সম্ভবত অনেক দিন থেকেই এটা আমাদের সমস্যা। নিশ্চিত করতে হবে যেন সমাধান বের করতে পারি।’

নতুন বলে চাপ থেকেই বারবার টাইগাররা সমস্যায় পড়ছে উল্লেখ করে সিডন্স যোগ করেন, ‘স্রেফ চাপের কারণে। এই সময়টা (নতুন বলের সামনে) ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন। ইংল্যান্ডে চলতি টেস্ট ম্যাচের দিকে যদি তাকান, দুই দলের ক্ষেত্রেই এটা হয়েছে। এরকম হয়েই থাকে, খেলাটাই এমন। নতুন বলের ব্যাটিং, দিনের শেষ ঘণ্টায় নতুন বল খেলা, এসব সবসময়ই কঠিন।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজে তিন ফরম্যাটে খেলা থাকলেও চলতি বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থাকায় এই ফরম্যাটেই জোর দিতে চায় সিডন্স, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এগিয়ে আসছে। টি-টোয়েন্টিতে উন্নতি করতে আমরা মরিয়া। অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপে আমরা অনেক ভালো করতে চাই। তাই সেখানে অনেক মনোযাগ থাকবে। টেস্ট ও ওয়ানডেও তো আছে। টেস্ট দিয়ে শুরু হবে। প্রতিটিই হবে চ্যালেঞ্জিং। সবকিছুর আগে আমার মূল মনোযোগ থাকবে নতুন বলের ব্যাটিংয়ে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

তামিমকে নিচে নামানো গেলে দারুণ হত বিশ্বাস সিডন্সের

Read Next

প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়কে নিয়ে ভাবছেন না মুনিম

Total
1
Share