সাকিবের অধিনায়কত্বে মুমিনুলের লাভ দেখেন সিডন্স

সাকিবের অধিনায়কত্বে মুমিনুলের লাভ দেখেন সিডন্স
Vinkmag ad

মুমিনুল হক টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর সাকিব আল হাসানকেই বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তৃতীয় দফা সাকিবের অধিনায়কত্ব পাওয়াকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখেন ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স। তার মতে এতে লাভ হবে মুমিনুলেরই, এবার পূর্ণ মনযোগ দিতে পারবেন ব্যাটিংয়ে।

২০১৯ সালে সাকিব নিষেধাজ্ঞায় পড়লে টেস্ট কাপ্তানের দায়িত্ব পান মুমিনুল। সদ্য সমাপ্ত শ্রীলঙ্কা সিরিজ সহ নেতৃত্ব দেন ১৭ টি। যেখানে ১২ হারের বিপরীতে ৩ জয় ও ২ ড্র। এই সময়ে ব্যাট হাতেও দারুণ ব্যর্থ বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান এই বাঁহাতি ব্যাটার।

এর আগে দুই দফা টেস্ট অধিনায়ক হওয়া সাকিবকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকেই নেতৃত্ব বুঝিয়ে দিল বিসিবি। প্রথম দফায় ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন সাকিব। ঐ সময় দলের প্রধান কোচ ছিলেন জেমি সিডন্স। মাঝে ২০১৮ সালে অধিনায়কত্ব পান, নিষেধাজ্ঞায় যা দীর্ঘায়িত হয় ২০১৯ পর্যন্ত।

সাকিব এবার যখন দায়িত্ব পেলেন তখন সিডন্স বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ। আজ (৪ জুন) মিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে এই অস্ট্রেলিয়ান জানালেন তার মতামত।

টাইগার অলরাউন্ডারকে প্রশংসায় ভাসিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে দুটি ইতিবাচক দিক আছে। সাকিব খুব ভালো অধিনায়ক। খেলা নিয়ে ভাবনার জায়গাও সাকিব খুবই ভালো। একই সঙ্গে সাকিব ধারাবাহিক পারফর্মারও। সে অধিনায়ক হিসেবে দারুণ কিছুই করবে। সবাই তাঁকে অনুসরন করে। আরেকটা ভালো দিক হচ্ছে, মুমিনুল এখন তাঁর ব্যাটিংয়ে মনোযোগী হতে পারবে।’

‘সে কিছুদিন ধরে রান পাচ্ছিল না। এখন সে ১০০ ভাগ মনোযোগ ব্যাটিংয়ে দিতে পারবে। তাঁর পারফরম্যান্সটা আমাদের দরকার। আমরা জানি সে ভালো ক্রিকেটার। সেই ক্রিকেটাররা ফিরে আসুক, এটাই চাই। অধিনায়কত্বের চাপ যেহেতু থাকছে না, আশা করি সে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারবে।’

প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করার সময় সাকিবকে পেয়েছেন অধিনায়ক। এবার নতুন ভূমিকায় কাজ করে মুমিনুলকে পেলেন টেস্ট অধিনায়ক। দুজনের নেতৃত্বে কি ধরণের পার্থক্য দেখলেন সিডন্স?

এমন প্রশ্নের জবাবে তার জবাব, ‘সাকিব আগেও অধিনায়কত্ব করেছে। তাঁর ওপর দলের সবার আস্থা আছে। বলছি না মুমিনুলের সেটা ছিল না। তবে ক্রিকেটাররা সাকিব যা করে সেটাই অনুকরণ করে। তাঁর ফেরাটা তাই দারুণ খবর। আর মুমিনুল এখন তাঁর নিজের খেলাটা খেলতে পারবে।’

‘সে যদি অধিনায়কত্ব করতে চায়, তাহলে তাঁকে খেলতে হবে। না খেলে তো অধিনায়কত্ব করা যায় না। আমার মনে হয় সে আবারো অধিনায়ক হওয়ার বিষয়টিতে রোমাঞ্চিত। আমার মনে হয় সাকিবের নেতৃত্বগুণের দিকটা এখন আমরা দেখতে পাব যেটা আমরা দীর্ঘদিন দেখিনি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

‘সাকিব ৭৫ হেলথকার্ড’: স্বাস্থ্য সেবার এক নতুন মাত্রা

Read Next

আম্পায়ারদের জন্য বিশেষ প্রযুক্তি আনছে বিসিবি

Total
1
Share