স্পিনারদের হাহাকারের সিরিজে সাকিব সফল অভিজ্ঞতা দিয়ে

সাকিবের ৫, শ্রীলঙ্কার ৫০৬
Vinkmag ad

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। সদ্য সমাপ্ত এই সিরিজে দুই দলের স্পিনার মিলে সাকিব আল হাসানই আছেন শীর্ষে। বিসিবি কোচ সোহেল ইসলাম বলছেন অভিজ্ঞতাই গড়ে দিয়েছে পার্থক্য।

স্পিনে দুই দলই সমানে সমান। যে কারণে অতি স্পিন নির্ভর উইকেট না বানিয়ে স্পোর্টিং উইকেটের পথে হেঁটেছে স্বাগতিকরা। তবে এই সিরিজে লঙ্কান পেসাররা দেখিয়েছে ঝলক।

উইকেট স্পিনারদের জন্য সহায়ক ছিল না মোটেই। তবুও দুর্দান্ত সাকিব, ২ ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় আছেন ৩ নম্বরে। তার চেয়ে বেশি উইকেট লঙ্কান দুই পেসার আসিথা ফার্নান্দো (১৩) ও কাসুন রাজিথার (১১)।

স্পিনারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট নাইম হাসানের। এক বছরের বেশি সময় পর টেস্ট দলে ফিরে চট্টগ্রামে এক ইনিংসেই নেন ৬ উইকেট। হাতে চোট পেয়ে অবশ্য ছিটকে গেছেন ঢাকা টেস্ট থেকে।

সিরিজে লঙ্কান ৩ স্পিনার লাসিথ এম্বুলদেনিয়া, রমেশ মেন্ডিস ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভার ঝুলিতে নেই একটির বেশি উইকেট।

স্পিনারদের মাঝে শীর্ষে থাকা সাকিব ঢাকা টেস্টে ইনিংসে নেন ৫ উইকেট। যা তার ক্যারিয়ারের ১৯তম ৫ উইকেট শিকার। শুধু উইকেট নয় বল হাতেও দেখিয়েছেন স্পিন বৈচিত্র।

স্পোর্টিং উইকেটে অন্য স্পিনাররা খাবি খেলেও সাকিব কীভাবে দুর্দান্ত? এমন প্রশ্নে বিসিবির স্পিন কোচ সোহেল ইসলাম অভিজ্ঞতাকেই এগিয়ে রাখলেন।

No description available.

 

আজ (২৮ মে) মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আসলে অভিজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের মাঝে পার্থক্য কি? এটা আগে বুঝতে হবে। অভিজ্ঞ খেলোয়াড় নিজেকে জানে কীভাবে প্রস্তুত করতে হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই সে প্রস্তুত হয়ে যায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেবা দেওয়ার জন্য। সাকিবের ক্ষেত্রেও সেটা হয়েছে, সাকিব অভিজ্ঞ। তার আত্মবিশ্বাস লেভেল…সে জানে কোনো জায়গাতে বল করতে হবে।’

‘কোন উইকেটে কীভাবে বল করতে হবে সে জানে। তার জন্য প্রস্তুত হওয়া এবং নতুন একটা ছেলের জন্য কিংবা সৈকতের জন্য প্রস্তুত হওয়াটা অনেক পার্থক্য আছে। কজনের টাইম ফ্রেমের সাথে আরেকজনের টাইম ফ্রেম…এটার জন্যই তো সে আসলে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। ঐ যে অভিজ্ঞতা। ওদের (শ্রীলঙ্কার) দুজন স্পিনারের অভিজ্ঞতা আর সাকিবের অভিজ্ঞতা অনেক পার্থক্য।’

অভিজ্ঞতাই যদি সাকিবকে খানিক বাড়তি সুবিধা দেয় তবে তাইজুলও সে দিক থেকে এগিয়ে। উইকেট প্রাপ্তি আমলে নিলে সাকিবে সফল হলেও তাইজুল সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি ঢাকা টেস্টে, ছিলেন উইকেট শূন্য। অবশ্য চট্টগ্রামে দুই ইনিংসে নেন ৫ উইকেট।

ঢাকায় উইকেট না পেলেও প্রথম ইনিংসে ৪৯ ওভার বল করে মাত্র ১২৪ রান খরচ করেন। সোহেল ইসলাম বলছেন তাইজুল রান আটকে রেখে ঠিকই নিজের কাজটা করে গেছেন।

তার মতে, ‘তাইজুলের কথাটা বারবার আসছে। তাইজুলের ব্যাপারটা আপনি দেখবেন ইকোনোমি দিয়ে। যখন উইকেট স্পিন বান্ধব ছিল না তখন কি সে বাজে জায়গায় বল করেছে? যখন উইকেট পারমিট করছে না তখন রান আটকাবে, লম্বা সময় ধরে ঠিক জায়গায় বল করবে এটাই তার ভূমিকা। আমি ভালো বল করছি, উইকেট পেয়ে যাবো বিষয়টা এমন না।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ওয়েস্ট ইন্ডিজে স্পিন বোলিং কোচের ভূমিকায় ডোমিঙ্গো-সুজন

Read Next

ঘরোয়া লংগার ভার্সনে বিদেশী অনুমোদনের ভাবনায় বিসিবি

Total
16
Share