দুবাইতে ভালো খেলে ঈদের আনন্দকে ছাড়িয়ে যেতে চান জাহানারা

আজ মাঠে নামছেন জাহানারারা
Vinkmag ad

হংকং ক্রিকেটের সহযোগিতায় ১ মে থেকে দুবাইতে বসতে যাচ্ছে ‘ফেয়ারব্রেক’ নামক নারীদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। ৩৫ দেশের নারী ক্রিকেটাররা অংশ নিচ্ছেন, বাংলাদেশ থেকে আছেন জাহানারা আলম ও রুমানা আহমেদ। দুজনেই দুবাইয়ের বিমানে উঠবেন আগামীকাল (৩০ এপ্রিল)। এই নিয়ে ৬ষ্ঠ বারের মতো পরিবারের বাইরে ঈদ করবেন জাহানারা। খানিক মন খারাপ থাকলেও ভালো খেলে ঈদের আনন্দকে ছাড়িয়ে যেতে চান এই পেসার।

১ মে শুরু হয়ে টুর্নামেন্ট চলবে ১৫ মে পর্যন্ত। বেসরকারি উদ্যোগের এই টুর্নামেন্টে অংশ নিবে ৬ দল, খেলবে ৩৫ দেশের নারী ক্রিকেটাররা। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক সুজি বেটস, ইংল্যান্ডের ড্যানি ওয়েইট, দক্ষিণ আফ্রিকার মারিজান কেপদের সাথে ফ্যালকন দলে খেলবেন জাহানারা। অন্যদিকে অলরাউন্ডার রুমানার ঠিকানা বার্মি আর্মি, যেখানে তার সঙ্গী ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডিনান্ড্রা ডটিন, শেমাইন ক্যাম্পবেল, পাকিস্তানের ফাতিমা সানারা।

আজ (২৯ এপ্রিল) ‘ক্রিকেট’৯৭ এর সাথে আলাপে জাহানারা জানালেন পরিবার ছাড়া ঈদের অভিজ্ঞতা। পেশাদার ক্রিকেটার বলে এসবে ইতোমধ্যে হয়ে পড়েছেন অভ্যস্ত। আগামী ২ অথবা ৩ মে বাংলাদেশে পালিত হবে রমজানের ঈদ। যে সময় জাহানারা-রুমানারা মাতবেন দুবাইয়ে ক্রিকেট উৎসবে। অন্য পাঁচ বার পরিবার ছাড়া ঈদ করলেও জাহানারা সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় দলের সতীর্থদের। এবার যেখানে ভিন্ন ভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররা হচ্ছেন সঙ্গী।

জাহানারা বলেন,

‘এর আগে তিনটা ঈদ দেশের বাইরে করেছি, দেশে থেকেও আরও দুইটা ঈদ পরিবার ছাড়া করেছি। একটা কোভিডের কারণে আরেকটা ঢাকায় ক্যাম্প থাকায়। অভিজ্ঞতা বলতে আসলে কারোরই ভালো লাগে না পরিবার ছাড়া ঈদ করতে, আমারও না। তারপরও যখন আপনার সতীর্থ ক্রিকেটাররা পাশে থাকে তখন তাদের সঙ্গ পেয়ে কিছুটা মানিয়ে নেওয়া যায়।’

‘কিন্তু যখন আমি একা থাকবো ওখানে (দুবাইতে) অন্যান্য দেশের খেলোয়াড়দের মাঝে তখন মন খারাপের মাত্রাটাতো আরেকটু বেশি হবেই। ঈদের আনন্দতো অনেক বড় ব্যাপার। কিন্তু যেহেতু আমি ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে এমনভাবে বেছে নিয়েছি যে যদি ভালো খেলতে পারি তাহলে ঈদের খুশিকে এই আনন্দ ছাড়িয়ে যাবে।’

এর আগে নারী আইপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা আছে জাহানারার। আইপিএল, বিগ ব্যাশের চেয়েও ফেয়ারব্রেক টুর্নামেন্টকে বড় মঞ্চ মানছেন এই ডানহাতি পেসার। তার মতে এমন টুর্নামেন্ট অভিজ্ঞতার ভান্ডারকে করবে সমৃদ্ধ, সুযোগ পেলে যা কাজে লাগাবেন জাতীয় দলে।

‘এটাতো অনেক বড় প্ল্যাটফর্ম, নারী ক্রিকেটে এতো বড় আসর হয় না। ৬ টা দল হলেও ৩৫ টা দেশ অংশ নিচ্ছে। বিগ ব্যাশ-আইপিএলে তো সাধারণত ৭-৮ টা দেশের ক্রিকেটার খেলে। এটা অনেক বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যখন এরকম কোনো মঞ্চে আমিই হই বা অন্য কেউ, বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করা মানে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্যই অনেক বড় অর্জন।’

‘আবার আমরা যারা খেলবো তারা কিন্তু ওখানে শেখার মধ্যে থাকবো। এটা আমাদের জন্যও অনেক বড় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। যা পরবর্তীতে আমাদের জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সাথে ভাগাভাগি ও প্রয়োগ করতে পারবো।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট স্কোয়াডে মোসাদ্দেক

Read Next

শহীদ আফ্রিদি মিথ্যাবাদী এবং চরিত্রহীন: কানেরিয়া

Total
1
Share