বোনাস নিয়ে মাতামাতি চান না ডোমিঙ্গো

সমালোচনার মাঝেই অর্জনগুলো মনে করালেন ডোমিঙ্গো
Vinkmag ad

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে আইপিএলের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা পাচ্ছে না বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারকে। এমন কিছু বাংলাদেশের জন্য হতে পারে দারুণ সুযোগ। কিন্তু বিষয়টিকে স্রেফ বোনাস হিসেবেই দেখছেন টাইগার কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো। তার মতে এসব নিয়ে মাতামাতি না করাই শ্রেয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট খেলেছে ১২ টি। যেখানে মাত্র ২ টি ম্যাচ ড্র হয়েছে সেটিও ২০১৫ সালে বাংলাদেশের মাটিতে। এর বাইরে বাকি ১০ ম্যাচের ৮ টিতেই হারতে হয়েছে ইনিংস ব্যবধানে। ইনিংস ব্যবধান এড়ানো বাকি দুই ম্যাচে সঙ্গী ৫ উইকেট ও ৩৩৩ রানের বড় ব্যবধানের পরাজয়।

৩ দফার সফরে দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট খেলছে ৬ টি। যার ৬ টিতেই বাজেভাবে হারতে হয়েছে টাইগারদের। তবে এবার প্রেক্ষাফট ভিন্ন নিউজিল্যান্ডে টেস্ট জয়ের পর দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়ানডে সিরিজ জিতে ফুরফুরে মেজাজে আছে বাংলাদেশ। এর সাথে যোগ হয়েছে আইপিএলের কারণে কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি, আনরিখ নরকিয়া, এইডেন মার্করামদের না থাকার সুবিধা।

টাইগার কোচ ডোমিঙ্গো এই সুবিধাকে বোনাস হিসেবে উল্লেখ করে নিজেদের আন্ডারডগই বলছেন। সাম্প্রতিক সাফল্যকে এক পাশে রাখলে বাস্তবিক অর্থে বাংলাদেশ আন্ডারডগ হয়েই টেস্ট সিরিজ শুরু করবে। ফলে প্রতিপক্ষের কে আছে কে নাই সেটা নিয়ে মাতামাতি চান না ডোমিঙ্গো।

‘ওরা তাদের হোম কন্ডিশনে খেলবে। আমরা আন্ডারডগ হিসেবে নিজেদের শতভাগ দিব। ভালো খেললে ফলাফল পক্ষেই আসবে। তাদের বোলার ভালো আছে, ব্যাটিংয়ে গভীরতা আছে। অনভিজ্ঞ বোলিং অ্যাটাক থাকায় একটু সুবিধা পাব, তারা চাপে থাকবে। তবে দলে জায়গা ধরে রাখার জন্যও খেলবে। এটা আমাদের জন্য বোনাস।’

‘কিন্তু এটা নিয়ে বেশি মাতামাতি চাচ্ছি না। দিনশেষে তারা দক্ষিণ আফ্রিকান। যাদের দুর্দান্ত রেকর্ড আছে। তাই মূল বোলাররা না থাকলেও তাদের মানসম্পন্ন বোলিং আক্রমণ থাকবে। ক্রিকেট রকেট সাইন্স না। আপনাকে সব বিভাগেই ভালো করতে হবে। একটি খারাপ সেশনে ৬-৭ উইকেট হারালে, দেড়শ রান দিয়ে দিলে ম্যাচ ফসকে যাবে।’

দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটি মাঠে গড়াবে ৩১ মার্চ ডারবানের কিংসমিড স্টেডিয়ামে। সার্বিক দিক বিবেচনায় সিরিজটি কঠিন হবে বলেই মনে করেন ডোমিঙ্গো।

‘ওয়ানডে জিতলেও টেস্ট ভিন্ন ফরম্যাট। ওয়ানডে সিরিজ থেকে ইতিবাচক দিকগুলো কাজে লাগাতে হবে। তবে এটা এমন এক ফরম্যাট যেখানে আমাদের অনেক উন্নতির প্রয়োজন আছে। খুবই কঠিন একটি সিরিজ হবে বলে আমরা মনে করছি।’

‘নিউজিল্যান্ডে আমরা সিরিজ ড্র করেছি। দক্ষিণ আফ্রিকা ঘরের মাঠে অনেক কঠিন প্রতিপক্ষ। তবে আমাদের ছেলেরা এখন ভালো খেলছে, টেস্টে আমরা উন্নতি করছি। ফলাফল হয়তো এতটা ভালো নয়, তবে আমাদের দল ভারসাম্যপূর্ণ হচ্ছে এবং সেরা খেলোয়াড়রাই টেস্ট খেলছে। আমরা তাই আশাবাদী।’

‘তবে সিরিজটি কঠিন হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। ওয়ানডে ও নিউজিল্যান্ড টেস্ট থেকে আমরা প্রেরণা নিব। দুই দলের জন্যই এই সিরিজ কঠিন হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

নারী এবং পুরুষদের পুরস্কারের অর্থের মধ্যে ব্যবধান কমাতে চায় আইসিসি

Read Next

খেলাঘরের হয়ে খেলতে ঢাকায় থারাঙ্গা

Total
1
Share