শতবছরের পুরোনো মাঠে টাইগারদের প্রথম, পেসের সাথে ধরতে পারে স্পিনও

বাংলাদেশের নয়া পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড
Vinkmag ad

দক্ষিণ আফ্রিকার কিংসমিড স্টেডিয়াম ক্রিকেট ইতিহাসেরই পুরোনো মাঠগুলোর একটি। যেখানে প্রথমবার টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবে দক্ষিণ আফ্রিকান কন্ডিশন মানে পেস বান্ধব উইকেট হলেও ডারবানের এই মাঠ বেশ ব্যাটিং বান্ধব। টাইগারদের পেস বোলিং কোচ দক্ষিণ আফ্রিকান অ্যালান ডোনাল্ড বলছেন এখানকার উইকেটে ইদানিং স্পিনও ধরছে।

প্রায় ১০০ বছর পুরোনো কিংসমিড স্টেডিয়াম, মোট টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪৪ টি। শুরুর দিকে প্রচলিত পেস বান্ধব উইকেট হলেও সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটারদের জন্য এক টুকরো স্বর্গ হয়ে পড়েছে। তবে স্পিনারদের রেকর্ডও এখানে খারাপ বলা যায় না।

এই মাঠে সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় চতুর্থ স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকান অফ স্পিনার হাগ টেফিল্ডের (৪ ম্যাচে ৩০ উইকেট)। দক্ষিণ আফ্রিকান বাঁহাতি স্পিনার সিরিল ভিনসেন্ট আছেন সপ্তম স্থানে (৪ ম্যাচে ১৯ উইকেট)। অস্ট্রেলিয়ান লেগ স্পিনার ক্লারেন্স গ্রিমেটতো ২ ম্যাচেই শিকার করেছেন ১৮ উইকেট।

অ্যালান ডোনাল্ড বাংলাদেশ দলের পেস ব্লিং কোচের দায়িত্ব নেওয়ার আগে কাজ করছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ঘরোয়া দল নাইটসের হয়ে। ঐ দলটির সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতেও এই মাঠে ৩ জন স্পিনার খেলিয়েছেন বলে জানান ডোনাল্ড। ৩১ মার্চ মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম টেস্ট।

আজ (২৮ মার্চ) কিংসমিডের উইকেট নিয়ে সাংবাদিকদের ডোনাল্ড বলেন, ‘নব্বই দশকের দিকে এটা বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম উইকেটগুলোর একটি ছিল। সবুজ উইকেট, অনেক ঘাস থাকত, অনেক গতি থাকত। এই মৌসুমের শুরুতে আমার ঘরোয়া দল কিছু ম্যাচ খেলেছে, ৩ স্পিনার নিয়ে খেলেছিলাম, বোলারদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। তাই ভালো ব্যাটিং উইকেটের প্রত্যাশাই করব।’

‘একটু স্পিনও কাজ করতে পারে, তবে আমি নিশ্চিত নই। এখনও উইকেটে ঘাস রয়ে গেছে। বল ভালোভাবে ব্যাটারের কাছে আসছে। বড় জুটি হতে পারে। বোলারদের জন্য তাই কঠোর পরিশ্রম হবে। ম্যাচের শেষদিকে স্পিন ধরতে পারে। তবে খুব বেশি সহায়তা পাবে বলে মনে করি না।’

ওয়ানডে সিরিজে প্রোটিয়ারা পূর্ণ শক্তির দল পেয়েছিল। তাতেই টাইগারদের কাছে হারতে হয়েছে ২-১ ব্যবধানে। কিন্তু টেস্ট সিরিজে আইপিএলের জন্য বোলিং আক্রমণে পাচ্ছে না কাগিসো রাবাদা, এনরিখ নরকিয়া, লুঙ্গি এনগিডিদের।

টাইগারদের পেস বোলিং কোচ বলছেন দলের মূল পেসারদের না পেয়ে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ব্যাকাপ হিসেবে যারা আছেন তাদের সামর্থ্য নিয়েও নেই সংশয়।

‘দক্ষিণ আফ্রিকার রাবাদা, নরকিয়া, এনগিডি নেই। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে তাদের ব্যাকআপ পেসাররাও অনেক ভালো। ডুয়ান অলিভিয়ের নেতৃত্ব দেবে পেস বিভাগকে। ডুপাভিলন আসতে পারে। আশা করছি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টেস্ট সিরিজই হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

এই কদিনেই ডোনাল্ডকে মুগ্ধ করে ফেলেছে তাসকিন, শরিফুলরা

Read Next

স্থগিত হওয়া সিরিজ খেলতে জুনে পাকিস্তান যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল

Total
13
Share