যেকারণে ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী জ্যোতি

যেকারণে ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী জ্যোতি
Vinkmag ad

প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ৭ ম্যাচে ১ জয়। খুব আহামরি পারফরম্যান্স না হলেও পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ নারী দলের ম্যাচগুলোতে নজর দিলে সালমা-জাহানারাদের বাহবা দেওয়া যায় অনায়েসেই। স্রেফ অভিজ্ঞতার কাছে মার না খেলে টুর্নামেন্টে জয়ের সংখ্যা ৩-৪ টি হতে পারতো সহজেই। এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলে অধিনায়ক জ্যোতি শোনালেন ভবিষ্যতে আশাবাদী হওয়ার গল্প।

দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের লম্বা একটা সময় জুড়ে জয়ের পথেই ছিল টাইগ্রেসরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারীদের বিপক্ষে হারতে হয়েছে শেষ ওভারে গিয়ে মাত্র ৪ রানে।

প্রতি ম্যাচেই সালমা খাতুন, নাহিদা আক্তার, রুমানা আহমেদ, জাহানারা আলমরা বল হাতে দেখিয়েছেন ঝলক। কেবল ব্যাটাররা খানিক ছন্দ ধরে রাখতে পারলেই প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলেই দেখাতে পারতো আরও ঝলক। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পাওয়া ম্যাচটিই অবশ্য ইতিহাস হয়ে রইলো।

আজ (২৭ মার্চ) ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০০ রানে হেরে টুর্নামেন্ট শেষ করে বাংলাদেশ। পরে সংবাদ সম্মেলনে কাপ্তান নিগার সুলতানা জ্যোতি নিজেদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ণ করেন। যেখানে জানিয়েছেন কেবল পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জিততেই তারা বিশ্বকাপে জাননি, বরং ম্যাচ ধরে ধরে চেয়েছেন ভালো কিছু উপহার দিতে। ব্যাটিং বিভাগের অনভিজ্ঞতাকে এনেছেন সামনে।

‘আমরা বিশ্বকাপে এসেছিলাম শুধু পাকিস্তানকে হারানোর জন্য নয়। আমরা ম্যাচ ধরেই চেষ্টা করেছি। কোনো দলই আমাদের বিপক্ষে বড় স্কোর গড়তে পারেনি। আমাদের বোলাররা অনেক দাপট দেখিয়েছে। ব্যাটিং ইউনিট ধসে পড়ায় আমরা ম্যাচগুলি জিততে পারিনি।’

বিশ্বকাপের আগের দুই বছর বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলেছে মাত্র ৪ টি। আইসিসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ ছিল না বলে শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগই মিলতনা। এবারের বিশ্বকাপ দিয়েই যেমন অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথমবার ওয়ানডে খেলেছে রুমানা, ফারজানারা।

বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব উতরে বাংলাদেশ নারী দল আইসিসি উইমেন চ্যাম্পিয়নশিপেও লড়বে। ফলে শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগ সামনে বাড়ছে। আর এটাই আশাবাদী করছে জ্যোতিকে। যত বেশি বড় দলের বিপক্ষে খেলবে তত বেশি জয়ের সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করেন টাইগ্রেস অধিনায়ক।

‘আমরা আইসিসির এফটিপিতে ঢুকে গেছি। এখন শীর্ষ ৭ দলের বিপক্ষে অনেক দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলব আমরা। যেটা আমাদের স্কিল পাকাপোক্ত করায় সহায়তা করবে। আমরা সবসময় বলে আসছি যে আমরা ম্যাচ কম খেলি। বিশ্বকাপের মতো আসরেই কেবল এসব বড় দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাই। যত আমরা ম্যাচ খেলব এসব দেশের বিপক্ষে, তত শিখব ও জেতার হার বাড়বে।’

‘কম ম্যাচ খেলার কারণে বিভিন্ন পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা যায় না। কখনও নিয়ন্ত্রণে থাকে, কখনও থাকে না। আমাদের যে সম্ভাবনা আছে, এখনও তা পারফরম্যান্সে দেখাতে পারিনি। তবে সামনে যেহেতু তাদের বিপক্ষে অনেক খেলা আছে, আমাদের উন্নতি হবে আরও।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ফিজবিহীন দিল্লি ক্যাপিটালস হারিয়ে দিল মুম্বাইকে

Read Next

এ আর রহমানের কনসার্টের টিকিট বৃত্তান্ত

Total
19
Share