ব্যর্থতার সব দায় নেওয়া নান্নু সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন সবাইকে

ব্যর্থতার সব দায় নেওয়া নান্নু সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন সবাইকে
Vinkmag ad

দলের পরাজয়, ব্যর্থতা কিংবা খারাপ সময়ে কোচ নির্বাচকদের সমালোচনা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে। তবে দলের সাফল্যের সময়টায় আলাদা করে কোচ কিংবা নির্বাচককে দেওয়া হয় না কৃতিত্ব। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু একা কৃতিত্ব নিলেন না কিংবা দিলেন না কাউকে। বরং সাফল্যের পেছনে যাদের অবদান আছে সবাইকেই দিয়েছেন বাহবা।

ব্যর্থতার দায় ভার যখন একা কাঁধে নেন নির্বাচকরা তেমনি সাফল্যের পুরোটাও চাইলে নিতে পারতেন। তবে নান্নু বলছেন এমন কিছু হলে সেটা ভুল হবে। কারণ সাফল্য কিংবা ব্যর্থতা উভয় ক্ষেত্রেই জড়িয়ে থাকে টিম ম্যানেজমেন্ট, কোচিং স্টাফ, নির্বাচক প্যানেল। তারা সবাই মিলেই বাংলাদেশ দল।

প্রায় এক যুগ ধরে জাতীয় দলের নির্বাচক হিসেবে কাজ করছেন নান্নু। জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা ব্যাটসম্যানের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হওয়া যৌক্তিক। ব্যাখ্যাহীন ক্রিকেটার অন্তর্ভূক্তি কিংবা ছুঁড়ে ফেলার নজির ছিল বেশ কয়েকটি। তবে বরাবরই তিনি বলে এসেছেন দল তৈরির পুরো সিদ্ধান্ত কখনোই নির্বাচক প্যানেল একা করে না।

কোচিং স্টাফ, অধিনায়ক এমনকি বিসিবি কর্তাদের প্রভাব থাকে স্কোয়াড ঘোষণার আগে। আর যৌক্তিকভাবে বিশ্বের অন্যান্য দলেও একই বাস্তবতা। দল ঘোষণায় বড় প্রভাব থাকে কোচ ও অধিনায়কের। কিন্তু বাংলাদেশ দলের ব্যর্থতা মানেই হয়ে পড়েছিল প্রধান নির্বাচক হটাও আন্দোলন।

সে হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ দলের সাফল্যের পুরো কৃতিত্বও চাইলে নির্বাচক প্যানেল নিতে পারতো। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের মাটিতে টেস্ট জয়ের পর গতকাল (১৮ মার্চ) এলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদের মাটিতে প্রথম জয়।

আজ (১৯ মার্চ) মিরপুরে সাংবাদিকদের নান্নু বলছেন পুরোটাই দলীয় প্রচেষ্টা, ‘অসম্ভব ভালো লাগছে। যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন। আমরা গিয়েই আন্ডার ডগ হিসেবে শুরু করেছি। সে হিসেবে এই পারফরম্যান্স কিন্তু আগামীতে আরও ভালো খেলার জন্য সহায়ক হবে। পুরো দলের যে এফোর্ট, অসাধারণ। প্রতিটি ধাপে অ্যাপ্রোচ, ফ্যান্টাস্টিক। এক কথায় দলীয় সাফল্য, সামনে ভালো খেলার জন্য এই পারফরম্যান্স অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

ব্যর্থ হলে পুরো দায় তাদের ঘাড়ে চাপানো হয়, বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন নির্বাচকরা? এমন প্রশ্নে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক বলছেন কেউ এমনটা করে থাকলে ব্যক্তিগতভাবে তার সমস্যা। এসব তাদের দেখার বিষয় নয়।

‘এটা যদি কেউ ব্যক্তি হিসেবে করে থাকে সেটাতো আমার দেখার বিষয় না। কিন্তু এখানে টিম ম্যানেজমেন্ট, নির্বাচক প্যানেল সবাই মিলে দলটা তৈরি করে। সুতরাং সবকিছু আমরা এক সাথে ভাগাভাগি করি। এখানে ব্যক্তিগতভাবে কোনো কিছু ভাগাভাগি করে না।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

সেঞ্চুরিয়নের স্বপ্ন মাউন্ট মঙ্গানুইতে বসেই দেখেছিল বাংলাদেশ

Read Next

২৭ আগস্ট থেকে শুরু এশিয়া কাপ

Total
9
Share