মিরাজের মতো চরিত্র সব দলে প্রয়োজন বলছেন তামিম

আফিফ-মিরাজের খেলার নিশ্চয়তাই ছিল না বলছেন পাপন
Vinkmag ad

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইতিহাস গড়া জয়ে বল হাতে জয়ের ভীত তৈরি করে দেন পেসাররা। পরে স্পিন ভেল্কিতে ফিনিশিং টাচটা স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের হাত ধরে। অথচ ৪ ওভারের প্রথম স্পেলে ছিলেন বিবর্ণ, হতশ্রী। সেখান থেকে নিজেই বল চেয়ে নিয়ে দেখালেন ঝলক।

অধিনায়ক তামিম ইকবালের চোখে মিরাজও ম্যান অব দ্য ম্যাচ। মিরাজের মতো চরিত্র সব দলে থাকা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তামিম।

সাকিব, লিটন, ইয়াসিরদের ব্যাটে চড়ে ৭ উইকেটে ৩১৪ রানের পুঁজি বাংলাদেশের। দক্ষিণ আফ্রিকার সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে যা তাড়া করার মতোই। কিন্তু তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামের পেস বোলিং তোপে শুরুতেই ব্যাকফুটে প্রোটিয়ারা।

তবে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে দলকে পথ দেখানোর চেষ্টা করেন র‍্যাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও ডেভিড মিলারের। ততক্ষণে নিজের ৪ ওভারের স্পেলে ৩৮ রান খরচ স্পিনার মিরাজের। ৩৯ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ১৯৮ রান প্রোটিয়াদের স্কোরবোর্ডে। ৩৯ বলে ৫১ রান নিয়ে ক্রিজে অপরাজিত মিলার।

অমন সময় নিজেই অধিনায়ক তামিম ইকবালের কাছে বল চেয়ে নেন মিরাজ। নিজের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিবেন বলে আশ্বাস দেন। অধিনায়কও তার উপর রেখেছেন আস্থা।

বল পেয়ে মিরাজ দেখালেন ঝলক, শুরুতেই নিজেদের দিকে ঝুঁকে পড়া ম্যাচ আর প্রতিপক্ষের দিকে যাওয়ার সুযোগই দেননি। ৫ ওভারের দ্বিতীয় স্পেলে খরচ করেছেন মাত্র ২৩ রান। ততক্ষণে পকেটে পুরেন মিলার সহ ৪ উইকেট।

৪০তম ওভারে খরচ করেন মাত্র ১ রান। ৪২ তম ওভারে আন্দিলা ফেলুকওয়ায়োর উইকেট সহ খরচ ৩ রান। ৪৪তম ওভারে মার্কো জানসেন ও কাগিসো রাবাদার উইকেট সহ ৭ রান। ৪৬তম ওভারে ডেভিড মিলারের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট সহ ৫ রান। তবে ৪৮তম ওভারে ছিলেন একটু খরুচে, দেন ১১ রান। শেষ পর্যন্ত ফিগার দাঁড়ায় ৯-০-৬১-৪।

২৭৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ পায় ৩৮ রানের জয়।

ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মিরাজের ভূয়সী প্রশংসা করলেন অধিনায়ক তামিম। তামিমই জানান ম্যাচে মিরাজ নিজে চেয়ে নিয়ে বল করার ব্যাপারটি।

তামিম বলেন, ‘আমি মনে করি, সব দলে মিরাজের মতো ক্যারেক্টার প্রয়োজন আছে। কারণ প্রথম ৪ ওভারে ৪০ রান দেওয়ার পর সে আমার কাছে এসে বলে, আমাকে বল দিন, আমি খেলা বদলে দিবো, আমি খেলা বদলে দিবো। সে খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিল। এটি অধিনায়কের কাজ সহজ করে দেয়, যখন আপনার খেলোয়াড়রা নিজেদের ওপর আত্মবিশ্বাসী থাকে।’

‘সবসময় হয়তো আমাদের পক্ষে আসবে না, কখনও কখনও আমাদের বিপক্ষেও যেতে পারে। তবে আমি খুব খুশি যে আত্মবিশ্বাসটা তার মধ্যে আছে। এমন চাপের মধ্যে ডানহাতির সামনে ছোট বাউন্ডারিতে বোলিং করা, উইকেট এনে দেওয়া… আমার মতে, সেও আমার ম্যান অব দ্য ম্যাচ।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

রেকর্ড গড়া জুটিতে সাকিবের যে পরিকল্পনা ছিল

Read Next

শুরুর আগেই ইনজুরিতে আইপিএল শেষ মার্ক উডের

Total
31
Share