লিটনের ব্যাটে চড়ে বাংলাদেশের ১৫৫

লিটনের ব্যাটে চড়ে বাংলাদেশের ১৫৫
Vinkmag ad

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে বাদ পড়েন লিটন দাস। তবে বিপিএলে পারফর্ম করেই ফিরেছেন আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ব্যাট হাতে জবাব দিয়েছেন দারুণভাবে, ফেরার ম্যাচে তুলে নিলেন ফিফটি। তার ব্যাটে চড়েই প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ পেল ৮ উইকেটে ১৫৫ রানের সংগ্রহ।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেটে স্টেডিয়ামে বিকেল ৩ টায় শুরু হওয়া ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ। একাদশে অভিষিক্ত দুজন, ওপেনার মুনিম শাহরিয়ারর সাথে মিড অর্ডারের ইয়াসির আলি রাব্বি। চোটের কারণে একাদশে ছিলেন না মুশফিকুর রহিম।

সহজাত ব্যাটিং করলেও অভিষেক ম্যাচ রাঙাতে পারেননি মুনিম, আরেক দফা সুযোগ পেয়ে ব্যর্থ নাইম শেখ। তবে ৩ নম্বরে নেমে প্রত্যাবর্তন ম্যাচে লিটন খেললেন ৬০ রানের ইনিংস। এ ছাড়া ২৫ রান আসে আফিফ হোসেনের ব্যাটে।

ফজলহক ফারুকীর করা ইনিংসের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বৈধ বলেই চার মারেন মুনিম। অফ স্টাম্পের বাইরের ওভার পিচড ডেলিভারিকে কাভারের উপর দিয়ে পাঠান বাউন্ডারিতে।

কিন্তু ফারুকীর পরের ওভারেই ফিরেছেন শুরু থেকে নড়বড়ে নাইম শেখ (৫ বলে ২)। শুরুতে এলবিডব্লিউর আবেদন নাকচ করেন আম্পায়ার, পরের রিভিউ নিয়ে সফল আফগানরা।

বাঁহাতি এই এই ব্যাটসম্যান কিছুটা চমক হিসেবেই এ দিন একাদশে জায়গা পেয়েছিলেন। মূলত ধীর গতির ব্যাটিংয়ে সমালোচিত হলেও গত বছর দেশের হয়ে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রান করেই আরেক দফা সুযোগ পেয়েছিলেন।

নাইম ফিরলে নিজের সহজাত ব্যাটিং থেকে সরে আসেননি মুনিম। পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে চেষ্টা করেছেন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ধরে রাখার। মুজিব উর রহমানের করা ইনিংসের চতুর্থ ওভারে হাঁকান ২ চার। কিন্তু ফিরতে হয়েছে রাশিদ খানের করা প্রথম ওভারেই (১৮ বলে ১৭)।

২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ পাওয়ার প্লেতে তুলতে পারে মাত্র ৩৭ রান। ৬ষ্ঠ ওভারে লিটন দাসের ব্যাটে আসা ২ চারের কল্যাণে। লিটনের সাথে জমেনি সাকিব আল হাসানের জুটিও। কায়েস আহমেদের বলে সুইপ করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে মুজিব উর রহমানকে ক্যাচ দেন সাকিব (৬ বলে ৫)।

৪৭ রানে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে একাই টেনে নেন লিটন। কায়েস আহমেদের করা ১০ম ওভারে হাঁকান ইনিংসের প্রথম ছক্কা, ঐ ওভারে রিয়াদের ব্যাটেও আসে বড় এক ছক্কা। তবে রিয়াদ এরপর যেতে পারেননি বেশি দূর (৭ বলে ১০)।

দল ৮০ রানে ৪ উইকেট হারালেও ছন্দ হারাননি লিটন, রাশিদ খানের করা ১৪তম ওভারে লং অনে ঠেলে দিয়ে ৩৪ বলে ৩ চার ২ ছক্কায় ছুঁয়েছেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ফিফটি।

তাকে সঙ্গ দেন আফিফ হোসেন। দুজনের ৩৮ বলে ৪৬ রানের জুটি ভাঙে লিটন ফিরলে। ফারুকীর স্লোয়ার বুঝতে না পেরে ৪৪ বলে ৪ চার ২ ছক্কায় ৬০ রান করে আউট হন লিটন। এক বলের ব্যবধানে ফিরে যান আফিফও (২৪ বলে ২৫)।

দুজনের বিদায়ের পর আর অবশ্য কেউ বলার মতো কোনো রান করতে পারেনি। বাংলাদেশকে ১৫৫ রানে আটকানোর পথে আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট ফারুকী ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

‘পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করাই আমাদের লক্ষ্য’

Read Next

নাসুম-লিটনের দিনে বাংলাদেশের বড় জয়

Total
22
Share