‘পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করাই আমাদের লক্ষ্য’

জোড়া মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে নাথান লায়ন
Vinkmag ad

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে এর আগে বোলিং করার অভিজ্ঞতা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার অফ স্পিনার নাথান লায়নের। পাকিস্তানের পিচও একইরকম হবে বলে মনে করেন তিনি। বেনো-কাদির সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আগামীকাল রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে দুই দল মুখোমুখি হবে। ২৪ বছর পর পাকিস্তানে টেস্ট খেলতে গিয়েছে অজিরা। মঙ্গলবার প্রথম ট্রেনিং সেশনে কন্ডিশন সম্পর্কে নিজের অভিব্যক্তি জানান লায়ন। শুকনো পিচে সামান্য কিছু ঘাসের প্রভাবে শুরুর দিকে বোলারদের জন্য কঠিন হতে পারে।

পিচ নিয়ে অবশ্য বেশ ভালো অভিজ্ঞতা আছে ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করা ১০৫ টেস্ট খেলা লায়নের। গত দশকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল অজিদের। ৪ টেস্টের ৩টিতে হেরেছিল তারা। ২০১৮ সালে দুবাইয়ে উসমান খাজার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ১টি টেস্ট ড্র করতে পেরেছিল।

‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের পিচের মতই মনে হচ্ছে। উইকেটে তেমন একটা ঘাস নেই। প্রথম দিনেই ব্যাটসম্যানদের জন্য উপযোগী হবে। আশা করি প্রথম দুইদিন ব্যাটসম্যানদের হয়ে কথা বলবে পিচ। তবে স্পিন ও রিভার্স সুইংও কাজে লাগানো যাবে,’ বলেন লায়ন।

এখন পর্যন্ত এশিয়ার মাটিতে ১৯ টেস্টে ৩১.২৪ গড়ে ৯৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

‘আমরা ৩টি পিচে ট্রেনিং করেছিলাম, যেখানে খুব একটা স্পিন হতো না। ম্যাচ উইকেটের চেয়ে ঘাস বেশি ছিল। একজন কিউরেটর হিসেবে আমি অবশ্য এমন উইকেট তৈরি করতাম না।’

লায়নের সাথে আরো একজন স্পেশালিস্ট দেখা যেতে পারে অজি দলে। সেক্ষেত্রে লেগ স্পিনার মিচেল সুইপসন অথবা বামহাতি স্পিনার অ্যাশটন অ্যাগারের মধ্যকার যেকোন একজনের দলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

‘আমার অবশ্য ব্যক্তিগত কোন পছন্দ নেই। মিচ ও অ্যাশ দুইজনই দারুণ বোলিং করে আসছে। মিচ অনেকদিন ধরে দলের সাথে আছে এবং বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। যখন সে একাদশে সুযোগ পাবে, সে তার সেরাটাই দিবে। এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। দল নিয়ে অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড, জর্জ বেইলি ও প্যাট কামিন্সের মধ্যে দারুণ কথাবার্তাই হবে।’

‘পাকিস্তানের জয়ের জন্যই এসেছি এবং ৩-০ ব্যবধানে জয়ী হওয়াটা আমাদের লক্ষ্য।’ অ্যাশেজেও ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করবেন বলে জানিয়েছিলেন লায়ন। তবে একটুর জন্য হাতছাড়া হয়ে যায় তার কথার।

‘অবশ্যই এটি একটি ভিন্ন চ্যালেঞ্জ। অ্যাশেজ তো ঘরের মাটিতে ছিল। আর এই সিরিজ বিদেশের মাটিতে। আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে। আমাদের তরুণ ও আকর্ষণীয় অস্ট্রেলিয়া টেস্ট স্কোয়াডের জন্য দারুণ একটি গ্রীষ্ম অপেক্ষা করছে, যা আমাদেরকে প্রচুর আত্নবিশ্বাস এনে দিবে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

দুই নবাগত নিয়ে আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

Read Next

লিটনের ব্যাটে চড়ে বাংলাদেশের ১৫৫

Total
1
Share