মুলতানকে হারিয়ে পিএসএলের নয়া চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্স

মুলতানকে হারিয়ে পিএসএলের নয়া চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্স
Vinkmag ad

৭ম পিএসএলের শিরোপা পেয়েছে লাহোর কালান্দার্স। প্রথমবার পাওয়া এ শিরোপায় বুড়ো হাড়ের ভেল্কি দেখিয়ে নিজের যোগ্যতা আরও একবার উপস্থাপন করেছেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ হাফিজ। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী ও ধারাবাহিক দল মুলতান সুলতান্সকে ৪২ রানে হারিয়েছে লাহোর।

প্রথমবারের মত অধিনায়ক হয়েও বাজিমাত করেছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। মুলত লাহোরের এক প্রকার পাত্তাই পায়নি মুলতান। গ্রুপ পর্বে ১০ ম্যাচে ৯ জয়, ১ম কোয়ালিফায়ারে লাহোরকে কোন প্রকার সুযোগ না দিয়ে সরাসরি ফাইনালে পৌঁছে যাওয়া, সে মুলতানই কীনা শিরোপা জয়ের মঞ্চে একবারে নিষ্প্রভ ছিল।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আকর্ষণীয় ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেয় লাহোর কালান্দার্স। শুরুর ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরতে না পারলেও মিডল অর্ডারে নেমে দারুণ ব্যাটিং করে হাফ সেঞ্চুরি আদায় করে নেন হাফিজ। ৪৬ বলে ৯ চার ও ১ ছয়ে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন প্রফেসর খ্যাত পাকিস্তানের এ সাবেক অলরাউন্ডার।

শেষদিকে হ্যারি ব্রুক ও ডেভিড ভিসা ঝড়ো ইনিংস খেললে ৫ উইকেটে ১৮০ রানের বড় স্কোরই গড়ে লাহোর। ব্রুক ২২ বলে ২ চার ও ৩ ছয়ে ৪১ ও ভিসা ৮ বলে ১ চার ও ৩ ছয়ে ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন।

মুলতানের পক্ষে আসিফ আফ্রিদি ৩টি উইকেট নেন।

১৮১ রানের জবাবে খেলতে নেমে লাহোরের পেসার ও স্পিনারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি মুলতানের ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের ৩ বল বাকি থাকতে ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায় মুলতানের ইনিংস।

মুলতানের পক্ষে ৩২ রান আসে খুশদিল শাহের ব্যাট থেকে। টিম ডেভিড ২৭ ও শান মাসুদ ১৯ রান করেন।

লাহোরের বোলিংয়ের নেতৃত্বই দেন স্বয়ং দলপতি শাহীন আফ্রিদি, ৩ উইকেট নিয়ে। হাফিজ হাফ সেঞ্চুরির পাশাপাশি ২ উইকেটও নেন। এছাড়া জামান খানের ঝুলিতেও আসে ২ উইকেট।

অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের দরুন ম্যাচ সেরার পুরষ্কার যায় হাফিজের দখলে। পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ ব্যাটিংয়ের সুবাদে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার পান মুলতানের অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

লাহোর কালান্দার্সঃ ১৮০/৫ (২০), ফখর ৩, শফিক ১৪, জিশান ৭, গুলাম ১৫, হাফিজ ৬৯, ব্রুক ৪১*, ভিসা ২৮*; আসিফ ৪-০-১৯-৩, উইলি ৪-০-৪২-১, দাহানি ৩-০-৩৪-১

মুলতান সুলতান্সঃ ১৩৮/১০ (১৯.৩), মাসুদ ১৯, রিজওয়ান ১৪, আজমাত ৬, রুশো ১৫, আসিফ ১, ডেভিড ২৭, খুশদিল ৩২, উইলি ০, রইস ৬, তাহির ১০, দাহানি ০*; শাহীন আফ্রিদি ৪-০-৩০-৩, হাফিজ ৪-০-২৩-২, রউফ ৪-০-৩৪-১, জামান ৪-০-২৬-২, ভিসা ১.৩-০-১৬-১

ফলাফলঃ লাহোর কালান্দার্স ৪২ রানে জয়ী

ম্যাচ সেরাঃ মোহাম্মদ হাফিজ (লাহোর কালান্দার্স)

টুর্নামেন্ট সেরাঃ মোহাম্মদ রিজওয়ান (মুলতান সুলতান্স)।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

বগুড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার রূপ দেখছেন চম্পাকা রামানায়েক

Read Next

চট্টগ্রামে শেষ ওয়ানডেতে আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

Total
7
Share