তবে কি ২০২৩ বিশ্বকাপ মিশন শুরু চট্টগ্রাম থেকেই?

মিরাজের কণ্ঠে লিটনের সুর
Vinkmag ad

আফগানিস্তানের স্পিনারদের সফল হতে দিতে চায়নি বাংলাদেশ। যে কারণে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেটকে যতটা সম্ভব স্পোর্টিং রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রথম দুই ম্যাচে সে পরিকল্পনায় সফলও হয় স্বাগতিকরা, আগামীকাল (২৮ ফেব্রুয়ারী) তৃতীয় ওয়ানডেতেও সেরকম উইকেটই প্রত্যাশিত। অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ বলছেন ২০২৩ ভারত বিশ্বকাপ সামনে রেখে এমন উইকেটে খেলাটা কাজে দিবে।

চট্টগ্রামের উইকেটে রাশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, মুজিবুর রহমানরা ছিলেন অনেকটা নিষ্প্রভ। ২ ম্যাচে রাশিদের উইকেট মাত্র দুইটি, মোহাম্মদ নবি ২ ম্যাচেই উইকেট শূন্য, মুজিবের শিকার মাত্র একটি।

আফগান স্পিনারদের সামলাতে নিজেদের আগাম পরিকল্পনা কাজে লেগেছে বলছেন মিরাজ। তৃতীয় ওয়ানডের আগে চট্টগ্রামে আজ (২৭ ফেব্রুয়ারী) সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেন এই অলরাউন্ডার।

তিনি জানান,

‘ভালো উইকেটে যদি খেলি ব্যাটসম্যানরা আত্মবিশ্বাস পাবে। আমরা যারা ব্যাটসম্যান আছি তারা সবাই ভালো। আমরা যদি বড় রান টার্গেট দিতে পারি তবে বিপক্ষের জন্য কঠিন হবে। তো আমি মনে করি উইকেট টা ভালো ছিল, এবং বোলারদের জন্য একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল আর বেশি রান হলে ব্যাটসম্যানদের জন্য একটু ভালো হয়। আপনি যেটা বললেন অবশ্যই আমরা পরিকল্পনায় (স্পোর্টিং উইকেট বানানো) সফল হয়েছি।’

চলতি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে মিরাজ ছাড়াও ব্যাট হাতে সফল আফিফ হোসেন, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিমরা। প্রথম ম্যাচে ২১৬ রান তাড়ায় দল ৪৫ রানেই ৬ উইকেট হারায়। সেখান থেকে আফিফ-মিরাজের ১৭৪ রানের রেকর্ড অবিচ্ছেদ্য ৭ম উইকেট জুটিতে ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

পরের ম্যাচে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ লিটনের ১৩৬ রানের সাথে মুশফিকের ৮৬ রানে ভর করে পায় ৪ উইকেটে ৩০৬ রানের পুঁজি। জয় আসে ৮৮ রানের বড় ব্যবধানে। ব্যাটসম্যানদের এমন রানে থাকাকে ইতিবাচক বলছেন মিরাজ। যেখানে লক্ষ্য ২০২৩ বিশ্বকাপ।

মিরাজ বলেন,

‘ওয়ানডেতে রান হলে ব্যাটসম্যানরা আত্মবিশ্বাস পায়। যদি বড় ইভেন্টে খেলতে যান যেমন এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপ। যেহেতু আমাদের সামনে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আছে ভারতে। ওখানে কিন্তু ৩০০ রান করতেই হবে, ৩০০ রান তাড়া করতে হবে। যেহেতু ভালো উইকেট থাকে।’

‘এখানে (চট্টগ্রাম) তো ভালো উইকেট আছে যদি আমরা এখন থেকে ভালো উইকেটে মানিয়ে নিতে পারি নিজেদের মানিয়ে নিতে পারি তবে বিশ্বকাপ বলেন বা বড় ইভেন্টের জন্য ভালো হবে। কারণ ২০১৯ বিশ্বকাপে আমরা বেশি ৩০০ প্লাস রান করেছি, মানে বাংলাদেশ দল।’

এদিকে নতুন ব্যাটিং কোচ জেমিস সিডন্সের সাথে কাজ করা প্রসঙ্গে মিরাজ যোগ করেন,

‘আসলে ওর সঙ্গে তো বেশিদিন কাজ করার সুযোগ পাইনি। কিন্তু আগে থেকেই শুনেছি ও অনেক ভালো ব্যাটিং কোচ এবং টেকনিক্যালি ও খুবই ভালো। দুই-তিন দিনে যতটুকুই কাজ করেছি ভালো লেগেছে মানসিক ভাবে সাপোর্ট দিয়েছে।’

‘একটা কথা বলেছে যে এখন তো আর ম্যাচের ভেতর বেশি কিছু পরিবর্তন করার কিছু নেই। টেকনিক্যালি-টেকটিক্যালি যে উন্নতিটা করতে হবে সেটা সামনে যখন গ্যাপ পাবো তখন আমার সাথে কথা হয়েছে তখন কাজ করবে। এখন তো আমরা ম্যাচের ভেতর আছি তেমন কিছু করার সুযোগ নেই।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

বিশ্বকাপ শুরুর আগে টাইগ্রেস অধিনায়কের মুখে শক্তি ও সামর্থ্যের গল্প

Read Next

হোয়াইট ওয়াশের চেয়ে বাড়তি ১০ পয়েন্টেই মনযোগ বাংলাদেশের

Total
23
Share