খুলনাকে হারিয়ে স্বপ্ন বাচিয়ে রাখল ঢাকা

খুলনাকে হারিয়ে স্বপ্ন বাচিয়ে রাখল ঢাকা
Vinkmag ad

মিনিস্টার ঢাকার ম্যাচ মানেই যেনো শেষের নাটকীয়তা। গতকাল (৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে শেষ ওভারে হারা ম্যাচটিতো টুর্নামেন্টের সেরা ম্যাচগুলোর তালিকাতেই থাকতে পারে। প্লে-অফে যেতে আজ (৯ ফেব্রুয়ারি) খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে জয়টা ছিলো অতি গুরুত্বপূর্ন। ৫ উইকেটে জেতা ম্যাচেও শেষ দিকে তৈরি হয় শঙ্কা, যা শুভাগত হোমের ব্যাটে দূরে সরাতে পারে মিনিস্টার ঢাকা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে বাট করে খুলনা টাইগার্স। স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ৬৪ রানের ইনিংসে ৮ উইকেটে ১২৯ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন সিকান্দার রাজা।

জবাবে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৩৪), জহরুল ইসলামের (৩০) কার্যকরী ইনিংসের সাথে শেষদিকে শামসুর রহমান শুভ (১৪ বলে ২৫) ও শুভাগত হোমের ক্যামিওতে (৯ বলে ১৮*) ৪ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত হয় মিনিস্টার ঢাকার।

এই জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় অবস্থানে মিনিস্টার ঢাকা, ৮ পয়েন্ট নিয়ে চারে নেমেছে খুলনা টাইগার্স।

১৩০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ১২ রানেই দুই ওপেনার তামিম ইকবাল (৬) ও ইমরানুজ্জামানকে (৬) হারায় মিনিস্টার ঢাকা। সেখান থেকে ৫৭ রানের জুটি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও জহরুল ইসলামের। জহরুল ফেরেন ৩৫ বলে ৩০ রান করে।

তবে টুর্নামেন্টে প্রথম খেলতে নামা শামসুর রহমান শুভও উপহার দেন কার্যকরী এক ক্যামিও। ১৪ বলে ১ চার ২ ছক্কায় ২৫ রান করে ঠিসারা পেরেরার শিকার হন। তার আগেই অবশ্য মাহমুদউল্লাহকেও ফেরান এই লঙ্কান অলরাউন্ডার। ৩৬ বলে ৩৪ রান মিনিস্টার ঢাকা অধিনায়কের ব্যাটে।

শামসুর রহমানের বিদায়ের পর শেষ ২ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ১৫ রান। খালেদ আহমেদের করা ১৮তম ওভারে আসে মাত্র ৪ রান। ফলে শেষ ৬ বলে প্রয়োজন ১১। আগের ম্যাচে শেষ দিকে ফিনিশ করতে না পারা শুভাগত হোম এদিন আর ভুল করেননি।

পেরেরার করা শেষ ওভারের প্রথম ২ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ৪ বল আগেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৯ বলে ১৮ রানে, ৭ বলে ১০ রানে অপরাজিতচ আজমত উল্লাহ ওমরজাই।

আগে ব্যাট করতে নেমে বেশ বিপাকেই পড়ে খুলনা টাইগার্স। মিনিস্টার ঢাকা বোলারদের তোপে ৩২ রান তুলতেই হারায় ৫ উইকেট। আগের ম্যাচে ৮২* রানের ইনিংস খেলা সৌম্য সরকারকে (১) ইনিংসের প্রথম ওভারেই ফেরান রুবেল হোসেন।

রুবেলের পরের ওভারেই রান আউট জাকের আলি (৫)। আরাফান সানিকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অফে ক্যাচ দেন আন্দ্রে ফ্লেচার (৬)। পরের বলেই বোল্ড ইয়াসির আলি রাব্বি (০), জাগে হ্যাটট্রিক সম্ভাবনা। মুশফিকুর রহিম হতে পারতেন ত্রাণকর্তা, কিন্তু তিনিও ১২ রান করে বোল্ড হন আফগান পেসার আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে।

৭ নম্বরে নেমে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন সিকান্দার রাজা। যে পথে তুলে নেন ফিফটিও, শেষ পর্যন্ত ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৫০ বলে ৫ চার ৪ ছক্কায় তার ব্যাটে ৬৪ রান। মাঝে শেখ মেহেদী ১৭ ও থিসারা পেরেরা ১২ রান করে কিছুটা সঙ্গ দেন। মিনিস্টার ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ২ টি করে উইকেট সানি ও আজমতউল্লাহর।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

স্নায়ুযুদ্ধ জয়ের গল্প শোনালেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী

Read Next

ইংল্যান্ডের টেস্ট স্কোয়াডে নেই ব্রড-অ্যান্ডারসন

Total
47
Share