মুনরো-আজম ঝড়ের পর শাদাবের ‘৫’, জিতল ইসলামাবাদ

মুনরো-আজম ঝড়ের পর শাদাবের '৫', জিতল ইসলামাবাদ
Vinkmag ad

৩ হাফ সেঞ্চুরি ও অধিনায়ক শাদাব খানের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে জয় পেয়েছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। রান প্রসবা ম্যাচে কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সকে ৪৩ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবারের মত ৫ উইকেট পেয়েছেন শাদাব।

টসে হেরে আগে ব্যাটিং পেয়েছিল ইসলামাবাদ। পল স্টার্লিং ও অ্যালেক্স হেলস উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। ২৪ বলে ৫৫ রানের জুটি আসে শুরুতে। হেলস ২২ রানে আউট হওয়ার পর ক্রিজে আগমন হয় এবারের পিএসএলে প্রথমবার খেলতে নামা কলিন মুনরোর। স্টার্লিংয়ের সাথে তিনিও ঝড়ো গতিতে ব্যাটিং শুরু করেন।

মাত্র ২৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করা স্টার্লিং ৫৮ রানে বিদায় নেন, ৭ চার ও ৩ ছক্কা হাঁকান তিনি। আগের ম্যাচে ৯১ রান করা অধিনায়ক শাদাব (৯) এবার দ্রুত আউট হয়ে যান। তবে ক্রিজে এসে মুনরোকে যোগ্য সহায়তা দেন আজম খান। ৪র্থ উইকেটে ৯৩ রানের জুটিতে আজম একাই করেন ৬৫ রান, ২ চার ও ৬ ছক্কার সহায়তায়। পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে ২২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়। মুনরো দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন, ৩ চার ও ৫ ছক্কার সাহায্যে।

কোয়েটার পক্ষে মোহাম্মদ নেওয়াজ ২ উইকেট নেন। এদিন পিএসএলের ইতিহাসে সবচেয়ে খরুচে বোলিং করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। ৪ ওভারে ১ উইকেট পেলেও রান দিয়েছেন ৬৭।

২৩০ রানের বড় সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে কোয়েটার ইনফর্ম ওপেনার আহসান আলি দুর্দান্ত শুরু করেন। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। তবে শাদাব খানের চমৎকার বোলিংয়ে দ্রুতই উইকেট হারাতে থাকে কোয়েটা। ১১০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে তারা।

৮ম উইকেটে নওয়াজ ও জেমস ফকনার ৭৬ রানের জুটি গড়ে হারের ব্যবধান কমান। নওয়াজ ২২ বলে ২ চার ও ৫ ছয়ে ৪৭ রান করে আউট হন। কোয়েটা ১৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফকনার শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন।

ইসলামাবাদের পক্ষে শাদাব ৫টি এবং হাসান আলি ও মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ২টি করে উইকেট পান।

ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের কলিন মুনরো।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

ইসলামাবাদ ইউনাইটেডঃ ২২৯/৪ (২০), স্টার্লিং ৫৮, হেলস ২২, মুনরো ৭২*, শাদাব ৯, আজম ৬২, আসিফ ০*; নেওয়াজ ৪-০-৩২-২, আফ্রিদি ৪-০-৬৭-১, ফকনার ৪-০-৪৫-১

কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সঃ ১৮৬/১০ (১৯.৩), আহসান ৫০, বাঙালজাই ১৪, ভিন্স ০, সরফরাজ ১১, ডাকেট ১১, ইফতিখার ৬, নওয়াজ ৪৭, আফ্রিদি ৪, ফকনার ৩০*, তানভীর ০, নাসিম ০; হাসান আলি ৪-০-৫০-২, ওয়াকাস ৪-০-৩৪-১, ওয়াসিম ৩.৩-০-২৭-২, শাদাব ৪-০-২৮-৫

ফলাফলঃ ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ৪৩ রানে জয়ী

ম্যাচ সেরাঃ কলিন মুনরো (ইসলামাবাদ ইউনাইটেড)।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

বেবি এবি’র পরিণত ব্যাটে হার দেখল টাইগার যুবারা

Read Next

হাসনাইনের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ, খেলতে পারবেন না পিএসএলেও

Total
13
Share