হারের কথা মাথায় আসেনি ইমরুলের, মুস্তাফিজকে নিয়েও ধরতে চেয়েছেন বাজি

হারের কথা মাথায় আসেনি ইমরুলের, মুস্তাফিজকে নিয়েও ধরতে চেয়েছেন বাজি
Vinkmag ad

লো-স্কোরিং ম্যাচে জয় দিয়ে বিপিএল মিশন শুরু করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তবে সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে ৯৬ রান তাড়ায় যতটা বেগ পেতে হয়েছে তা দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারতো। কিন্তু দলপতি ইমরুল কায়েস বলছেন এক ম্যাচে এমন হতেই পারে। হারের শঙ্কা জাগলেও তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো দল জিতবে, এমনকি মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়েও ধরেছিলেন বাজি।

সিলেট সানরাইজার্সের ৯৬ রান তাড়া করতে নেমে ৫৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়েছিলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে খেই হারিয়েছে আরেক দফা। সিলেট সানরাইজার্স স্পিনারদের ছোবলে ৬ রানের ব্যবধানে শেষদিকে হারায় ৩ উইকেট।

লোয়ার মিডল ও লোয়ার অর্ডার নিয়ে জয়ই এক সময় কঠিন কিছু মনে হচ্ছিলো। হাতে ২ উইকেট নিয়ে শেষ ২৪ বলে প্রয়োজন ছিলো মাত্র ৮ রান। এতোটাই চাপে পড়তে হয়েছে যে শেষ ২ ওভারে তা ৬ রানের সমীকরণে দাঁড়ায়।

তবে শেষ পর্যন্ত মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৯*) ও তানভীর ইসলাম (৩*) দলকে ৮ বল হাতে রেখেই জয় এনে দেন। যদিও ১৯তম ওভার করা কেসরিক উইলিয়ামস ছিলেন এলোমেলো, কঠিন সময়ে টানা ২ ওয়াইডও।

ম্যাচ শেষে সংবা সম্মেলনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক ইমরুল কায়েস জানান জয় নিয়ে বিশ্বাস হারাননি একটুও, ‘আমি সবাইকে, এমনকি মুস্তাফিজকে পর্যন্ত বলেছিলাম যে এই ম্যাচ তো হারা যায় না। কারণ একটা বলের খেলা। তখন ছয় না আট বল বাকি ছিল। সবথেকে প্লাস পয়েন্ট যেটা ছিল যে আমাদের বল অনেক হাতে ছিল। যার জন্য আমাদের মনে হচ্ছিল না যে আমরা ম্যাচটা হারবো।’

‘একটা মেইন ব্যাটসম্যান অঙ্কন রান করায় আমাদের কাজটা আরও সহজ হয়ে গেছে। তানভীর তার কাজটা ভালোভাবে করেছে। যে অবস্থায় যেভাবে ব্যাটিং করা প্রয়োজন সেভাবেই ব্যাটিং করেছে।’

কুমিল্লার একাদশে ছিলো ফাফ ডু প্লেসিস, ক্যামেরন ডেলপোর্ট, মুমিনুল হক, ইমরুল কায়েস, আরিফুল হকদের মতো ব্যাটার। কিন্তু তবুও এমন ছোট লক্ষ্য তাড়ায় হতশ্রী পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ নয় ইমরুল। তার মতে সামনের ম্যাচগুলোতে প্রয়োজনের সময় দাঁড়িয়ে যেতে পারেন যেকেউ।

ইমরুল বলেন, ‘একটা দলের মাঝেমধ্যে এমন ম্যাচ কিন্তু হয়। প্রতিদিন কিন্তু হয় না। দল অনুযায়ী আমরা খুবই ভালো দল। প্রতিটা ব্যাটসম্যান তো প্রতিদিন এভাবে খেলবে না। কেউ না কেউ বড় ব্যাটসম্যান যারাই আছেন তারা বড় ইন ইনিংস খেলবেনই। যখন বড় স্কোর করবে তখন দেখবেন পরের ব্যাটসম্যানের জন্য বিষয়টা আরও সহজ হয়ে যাবে। আর টার্নিং উইকেটে চাইলেও সিঙ্গেলস বের করা যায় না।’

‘লো ট্র্যাকে আপনি চাইলেও আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারবেন না। যেটা হয় যে, এটা অনেক দেখেশুনে ব্যাট করা লাগে। বেশি দেখেশুনে খেলতে গিয়ে হয়তো ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যায়, তখন একটা প্রেশার চলে আসে। আমার মনে হয় নেক্সট ম্যাচে আমরা আরও ভালো করার চেষ্টা করবো।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

কুমিল্লা-সিলেট ম্যাচে টেস্ট ম্যাচের আবহ

Read Next

পিএসএলের ধারাভাষ্য প্যানেলে তারার মেলা

Total
6
Share