বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে চাকরি হারানো নিয়ে যা বললেন স্টিভ রোডস

বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে চাকরি হারানো নিয়ে যা বললেন স্টিভ রোডস
Vinkmag ad

২ বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশে কোচ হিসেবে যোগ দিয়ে শুরুটা দারুণই করেছিলেন স্টিভ রোডস। তবে ২০১৯ বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর ছাঁটাই মিশনে প্রথমেই তাকে রাখে বিসিবি। নীরবে বাংলাদেশ ছাড়া এই ইংলিশ যাওয়ার আগে সংবাদ মাধ্যমে কোনো কথা বলেননি। আড়াই বছর পর বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পরামর্শক হয়ে এসে আজ (১৮ জানুয়ারি) কথা বললেন নানা প্রসঙ্গে।

তবে এই ইংলিশ নিজের চাকরি হারানো ইস্যুতে বিসিবির ব্যাপারে কোনো কথা বলতে নারাজ। যদিও ২০১৯ বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সকে সরাসরি ব্যর্থতা বলতে চান না রোডস।

এবারের বিপিএল শুরু হচ্ছে ২১ জানুয়ারি। রোডস গতকাল (১৭ জানুয়ারি) থেকেই যোগ দেন ভিক্টোরিয়ান্সের অনুশীলনে। বাংলাদেশে ফিরতে পেরে দারুণ খুশি সাবেক এই ইংলিশ ক্রিকেটার ও কাউন্টি দল ওরচেস্টারশায়ারের কোচ।

আজ মিরপুরে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ফিরে আসতে পেরে খুব ভাল লাগছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আমাকে দারুন স্বাগত জানিয়েছ্ যা আমার কাছে স্পেশাল। যখনই আমি বাংলাদেশে এসেছি এখানকার মানুষ সবসময়ই আমাকে মনে জায়গা দিয়েছে, সবাই খুব বন্ধুবৎসল, এখানে ভাল মানুষদের মাঝে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করি, উপভোগ করি।’

স্টিভ রোডসকে আড়াই বছর পর পেয়ে যৌক্তিকভাবেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তার বাজেভাবে বিদায়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। রোডস বরাবরই ক্রিকেটারদের প্রিয় ছিলেন, তার কাজের ধরণও ছিলো ভিন্ন। কিন্তু এক বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় তার অমন বিদায় অবাক করেছে অনেককেই।

তবে রোডস নিজে সেসব আলোচনায় যেতে চান না, ‘আমি আসলে এই আলোচনায় যেতে চাইনা, বিসিবি সম্পর্কে বলা কিংবা এরকম কিছু এই মুহূর্তে ঠিক হবে না। এটা অতীত। যেহেতু বিশ্বকাপের কথা এসেছে সেহেতু আমি শুধু বলতে চাই পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটা ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে আমরা ভালোই খেলেছি। এমনকি ভারত, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারা ম্যাচেও আমরা আমাদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছিলাম। বিশ্বকাপে আমরা কিছু ভালো ক্রিকেট খেলেছি। সবমিলিয়ে বলা যায় লোকে যতটা খারাপ বলছে ততটা খারাপ সম্ভবত আমরা খেলিনি।’

‘যেকোনো চাকরি থেকে সরে যেতে হলে আপনি জানেন সবার নিজস্ব একটা মতামত থাকে কিন্তু আমি সেসবে আর নিজেকে জড়াতে চাইনা। আমি শুধু বলতে চাই আমি আনন্দিত যেভাবে এখানে ফিরে এসেছি তার জন্য, তার চেয়ে বড় কথা এখানকার অনেকেই আমার কাছে পরিচিত মুখ যেকারণে একটা পারিবারিক আবহ তৈরি হয়েছে। যে কারণে আমি উপভোগ করছি, এই পরিবেশের অংশ হতে পারাটা আমি উপভোগ করছি।’

উল্লেখ্য, ২০১৯ বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের পরেও বাংলাদেশ মাত্র ৩ টি ম্যাচে জিতেছিল। ৯ ম্যাচের ৫ টিতেই হারতে হয়েছিল টাইগারদের, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ হয়েছিল পরিত্যক্ত। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল মাশরাফি বিন মর্তুজার দল।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বিপিএলের শুরুতে মাশরাফি-সৌম্যকে নিয়ে অনিশ্চয়তা

Read Next

মোহাম্মদ হাসনাইনের বিরুদ্ধে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ

Total
1
Share