স্পোর্টিং উইকেটের পুরোনো দাবি, বাশার বলছেন ভারতের পথে বাংলাদেশ

স্পোর্টিং উইকেটের পুরোনো দাবি, বাশার বলছেন ভারতের পথে বাংলাদশ
Vinkmag ad

অবশেষে নিউজিল্যান্ডের মতো পেস বান্ধব কন্ডিশনে সফল বাংলাদেশের পেসাররা। এবাদত হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলামদের তোপে মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে ঐতিহাসিক জয় পেলো টাইগাররা। আর এমন কিছুর পর দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে স্পোর্টিং উইকেট তৈরির পুরোনো দাবি নতুন করে সামনে আসলো। যদিও নির্বাচক ও বিসিবি পরিচালকরা বলছেন ইতোমধ্যে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

বছর দুয়েক ধরে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে লঙ্গার ভার্সন টুর্নামেন্টে স্পোর্টিং উইকেট তৈরির প্রচেষ্টা চলছে। যদিও পুরোপুরি স্পোর্টিং উইকেটেই যে খেলা হচ্ছে তা বলার উপায় নেই। কিন্তু অতীতের তুলনায় একাদশে পেসারদের আধিক্যের সাথে পারফরম্যান্সে এসেছে উন্নতি।

মাউন্ট মঙ্গানুইতে স্পোর্টিং উইকেটে জয় পাওয়ার পর আজ (৫ জানুয়ারি) মিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে উইকেট নিয়ে কথা বলেন নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস ও বিসিবির ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান।

আকরাম খান (বিসিবির ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের চেয়ারম্যান)

‘আমার বিভাগ হলো ফ্যাসিলিটিজ, উইকেটের বিভাগ আলাদা। তাও আমি আগেও যেটা বলেছি আপনি যদি তুলনা করেন ৪ বছর আগের সাথে তাহলে আগের চেয়ে অনেক ভালো। মিরপুরের উইকেট সেভাবে বিশ্রাম পায় না। তবে আমাদের যারা এখন বিসিএল, এনসিএল খেলছে তাদের জন্য উইকেট উন্নতি করার চেষ্টা করছি।’

‘যদি ফ্যাসিলিটিজের কথা বলেন কয়েকটা কাজের কথা আমার মাথায় এসেছে, খেলোয়াড়দের যে ভালো উইকেট ভালো সুবিধা দেওয়ার সেটা হয়তো ইন শা আল্লাহ দেখতে পাবেন। চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক মানের একাডেমি ও ইনডোর করবো।’

হাবিবুল বাশার সুমন (জাতীয় দলের নির্বাচক)

‘আমি জানিনা আপনারা এবারের বিসিএল, এনসিএল কতটুকু অনুসরণ করেছেন। ঢাকার বাইরে কিন্তু স্পোর্টিং উইকেটে খেলা হচ্ছে। উইকেট কিন্তু আপনারা দেখেন স্পোর্টিং, পেস বোলার বলেন, স্পিনার বলেন কিংবা ব্যাটসম্যান সবাই সাহায্য পাচ্ছে। উইকেট কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে। আমরা যখন উপমহাদেশের বাইরের দেশের সাথে খেলি তখন কিন্তু উইকেট কিছুটা ভিন্ন হয়। এটা হয় যেনো ঘরের মাঠের সুবিধা নেওয়া যায়। কিন্তু যদি আপনি সামগ্রিকভাবে উইকেট পরিবর্তন করতে চান তাহলে ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে উইকেট পরিবর্তন করতে হবে।’

‘সে পরিবর্তনটা কিন্তু শুরু হয়েছে, ঢাকার বাইরে উইকেট কিন্তু যথেষ্ট স্পোর্টিং। হ্যাঁ চিটাগাংয়ের উইকেট একটু ব্যাটিং বান্ধব তবে সেটাও দরকার আছে যখন বিদেশে ব্যাটিং বান্ধব উইকেটে খেলা হয় সেখানে কীভাবে বল করতে হয় শিখতে হবে। সুতরাং আমরা উইকেট নিয়ে যে আলাপ করি সে প্রক্রিয়া কিন্তু শুরু হয়েছে। ফল আমি আপনাকে বলতে আপ্রি এখন পাবেন না, ৩-৪ বছর পরে পাবেন।’

‘ভারত যখন করেছে তখন কিন্তু শুরুতেই ফল পায়নি। ওরা ঘরোয়া ক্রিকেটে পরিবর্তন শুরুর ৬-৭ বছরের মধ্যে অনেক পেস বোলার পাচ্ছে। আমার বিশ্বাস আমরাও উইকেট টেকিং বোলার পেতে যাচ্ছি। আমি আশাবাদী এ নিয়ে।’

জালাল ইউনুস (ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান)

‘আমরা স্পোর্টিং উইকেট করার চেষ্টা করছি। সিলেটে আমরা ইতোমধ্যে এ ধরণের উইকেট চেষ্টা করেছি। মাউন্ট মঙ্গানুইতে যেমন উইকেট ছিলো তেমন যদি করতে পারি তাহলে আমাদের পেসারদের জন্য অনেক সাহায্য হবে। তাদের অনেক সমর্থন থাকবে, তারা কিন্তু প্রাণ খুলে বল করতে পারবে। তাদের বোলিংটা কিন্তু মেলে ধরতে পারবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বাংলাদেশকে হালকাভাবে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড, মানতে নারাজ ফ্লেমিং

Read Next

বিসিএল শিরোপার পথে এগিয়ে গেলো বিসিবি সাউথ জোন

Total
35
Share