আকরামের চেয়ারে বসা জালাল শোনালেন ‘এ’ দল নিয়ে আশার বাণী

আকরামের চেয়ারে বসা জালাল শোনালেন 'এ' দল নিয়ে আশার বাণী
Vinkmag ad

বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ সাম্প্রতিক সময়ে যেসব বিষয় নিয়ে সমালোচিত তার একটি ‘এ’ দলের কোনো কার্যক্রম না থাকা। এবার ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্ব নেওয়া জালাল ইউনুস অবশ্য দেখাচ্ছেন আশা। এর আগে হয়নি এমন সব দেশেও হতে পারে ‘এ’ দলের সফর। প্রথম দিন অফিস করেই ‘এ’ দলের ফাইল চোখে পড়ে জালাল ইউনুসের।

বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের সর্বশেষ দুই মেয়াদে টানা ৮ বছর ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেছেন আকরাম খান। যিনি এবারের মেয়াদে পারিবারিক সিদ্ধান্তে এই পদে না থাকার ঘোষণা দেন। এবারের মেয়াদে আগের দুই মেয়াদে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা জালাল ইউনুসকে করা হয়েছে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান।

গত ২৪ ডিসেম্বর দায়িত্ব পেয়ে ইতোমধ্যে বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগে কাজও শুরু করে দিয়েছেন জালাল ইউনুস। আর প্রথম দিনেই আগের মেয়াদে আকরাম খানের সমালোচনার বড় জায়গা ‘এ’ দলের ফাইল চোখে পড়ে জালালের।

২০১৯ সালে সর্বশেষ বাংলাদেশ ‘এ’ দল ম্যাচ খেলে। তবে এতে আকরামের কোনো দায় দেখেন না জালাল। তার মতে করোনা মহামারীতেই থমকে যায় ‘এ দলের কার্যক্রম। যদিও বাস্তবতা বলে করোনার আগেও নিয়মিত ছিলো না ‘এ’ দলের কার্যক্রম।

বর্তমান ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস আজ (২৮ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের বলেন, ”এ’ দলের যে কার্যক্রম তা একটু থমকে আছে কারণ করোনা মহামারী। আমি দেখেছি যে আগে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ অনেক চেষ্টা করেছে, অনেক দেশের সাথে যোগাযোগ করেছিলো। হয়তো তারা সূচি দিয়েছিলো কিন্তু পরে আবার তারা বাতিলও করে দিচ্ছিলো।’

তবে নিজের মেয়াদে ‘এ’ দল নিয়ে ইতিবাচক কিছুর স্বপ্ন দেখালেন গুণী এই সংগঠক। তিনি জানান প্রয়োজনে বোর্ডের প্রস্তাবিত প্রকল্প বাংলাদেশ টাইগার্স ও চলমান হাই পারফরম্যান্স (এইচিপি) ইউনিটের সাথেও সমন্বয় করবেন তারা।

জালাল এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এখানে আমি চেষ্টা করবো ‘এ’ দলের…প্রথম দিনই আমি গিয়ে কিছু ফাইল দেখেছি, কিছু কাগজ দেখেছি। ‘এ’ দলের কোনো সিরিজ আয়োজন করা যায় কিনা, দেশে কিংবা বাইরে যেটাই হোক। এরকম একটা সুযোগ আছে, যেমন এমন একটা দেশের সাথে আমি এখনই নাম বলছিনা, তাদের সাথে আমরা আলাপ আলোচনা করবো যাতে ২০২২ নাহলেও ২০২৩ সালে…। আমরা চেষ্টা করবো যে সব দেশে আমাদের ট্যুর হচ্ছে না সে জায়গায় গিয়ে আমাদের ট্যুর করা। এটা আমরা চেষ্টা করবো।’

‘বাংলাদেশ টাইগার্স আছে, তাদের সাথে সমন্বয় করেও যদি কোনো ট্যুর করতে পারি, এখানে ‘এ’ দলে রখেলোয়াড় থাকতে পারে, একাডেমির খেলোয়াড় থাকতে পারে, হাই পারফরম্যান্সের কোনো খেলোয়াড় থাকতে পারে, আমার কোনো আপত্তি নাই। সেখানেও আমরা ট্যুর করতে পারি। মাঝখানে যে একটা গ্যাপ আছে, যে নামেই হোক খেলোয়াড়তো একটাই।’

‘জাতীয় দলের ডিসকাডেড খেলোয়াড়ও অনেক সময় থাকে যারা হাই পারফরম্যান্সে গিয়ে নিজেকে শুধরে নেয়। তাদের জন্যও যদি কোনো এক্টিভিটিজ থাকে মাঝখানে অবশ্যই আমরা তাদের নিয়েও কাজ করার চেষ্টা করবো। এই গ্যাপটাতে অবশ্যই কাজ করতে হবে আমাদের, যাতে সারা বছর ধরে চাকাটা চলতে পারে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

করোনাতে ম্যাচ পন্ড, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিতে টাইগার যুবারা

Read Next

সেঞ্চুরি দিয়েই সৌম্য-শুভাগতকে জবাব দিল তৌহিদ-অমিত

Total
1
Share