ডোমিঙ্গো-সুজনের পরামর্শে ওপেন করেই বাজিমাত করলেন মিঠুন

featured photo updated v 11
Vinkmag ad

প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে প্রথম বার ওপেন করলেন মোহাম্মদ মিঠুন। আর তাতেই আরেক ওপেনার মিজানুর রহমানের সাথে গড়লেন রেকর্ড জুটি। নিজে খেললেন ১৭৬ রানের দারুণ এক ইনিংস। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে এই কীর্তি মিঠুনের, বিসিবি নর্থ জোনের বিপক্ষে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের হয়ে খেলেছেন ইনিংসটি। মিঠুন জানালেন কীভাবে মিডল অর্ডার থেকে উঠে এসেছেন ওপেনিংয়ে।

মূলত জাতীয় দলের প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো, টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক এবং টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজনের পরামর্শেই এবারের বিসিএলে ওপেন করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখেন আগে থেকে। এই তিনজন ছাড়াও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে দেশের অন্যতম স্বনামধন্য কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। জাতীয় দলের টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় ভালোভাবে আছেন বলেই হয়তো ডোমিঙ্গো, সুজন ও মুমিনুলের এমন পরামর্শ।

‘ক্রিকেট৯৭’ কে নিজের ব্যাটিং অর্ডার উন্নতি প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, ‘প্রথমে আমাকে কোচ (রাসেল ডোমিঙ্গো) এ পরামর্শ দিয়েছিলো। এরপর মুমিনুল ও সুজন ভাইও বলেছে। আর আমি সালাউদ্দিন স্যারের সাথে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিই যে এবারের এনসিএলে ওয়ালটনের হয়ে ওপেন করবো।’

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করা বিসিবি নর্থ জোন গতকাল প্রথম দিনই গুটিয়ে যায় ২১৯ রানে। জবাবে বিনা উইকেটে ৬১ রান তুলে দিন শেষ করে ওয়ালটন সেন্ট্রান জোন। মিঠুন ৪৩ ও ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন মিজানুর।

আজ দুজনে ব্যাট করেছেন প্রায় ২ সেশন। চা বিরতির আগে মিজানুর আউট হলে ভাঙে ৩২৭ রানের জুটি। যা প্রথম শ্রেণিতে বাংলাদেশী ব্যাটারদের তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি। মিজানুর ১৬২ রান করে আউট হন, চা বিরতির পর টিকেননি মিঠুনও। ২৫৭ বলে ২১ চার ২ ছক্কায় খেলেন ১৭৬ রানের ইনিংসটি।

সর্বশেষ জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) সুবিধা করতে পারেননি মিঠুন। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলা মিঠুন এনসিএলে ৯ ইনিংসে করেছেন মাত্র ১৫৮ রান। তবে বিসিএলে প্রথম ম্যাচেই ওপেন করলেন দারুণ এক ইনিংস উপহার দিলেন।

দিন শেষে বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় মিঠুন বলেন, ‘অবশ্যই রান করলে তো সবসময় ভালো লাগে। রেকর্ডের ব্যাপারটা আসলে মাথায় ছিল না। এত কিছু চিন্তা করে হয় না। আমার শুধু লক্ষ্য ছিল একটি বড় জুটি গড়ার। মিজানও দারুণ একটি ইনিংস খেলেছে। আমরা দুজন সেট ছিলাম। চেষ্টা করেছি জুটিটা যত বড় করার।’

মিজানুর আরেকটু ক্রিজে থাকলেই হয়তো সর্বোচ্চ রানের জুটিতে উঠে যেতে পারতে সবার উপরে (৩৫০ আব্দুল মজিদ-রনি তালুকদার ঢাকা বিভাগ, অক্টোবর ২০১৮)। আবার মিঠুন নিজে আউট হয়েও হারান প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানোর সুযোগ।

তবে এসব নিয়ে একদমই ভাবেন না বলছেন ৩১ ছুঁইছুঁই বয়সী এই ব্যাটার, ‘আমি আসলে ওভাবে কখনো চিন্তা করি না। সবসময় আমি ম্যাচ বাই ম্যাচ আগানোর চেষ্টা করি। এবং চেষ্টা করি যেখানেই খেলি, দলে অবদান রাখার। আমার কন্ট্রিবিউশন যেন দলের উপকার করে। শুধু এটুকুইই। মাত্র একটা ইনিংস হইছে। এখনও অনেক বাকি। চেষ্টা করব এটা ধরে রাখার।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শ্রীলঙ্কার কনসালটেন্ট কোচ হলেন মাহেলা জয়াবর্ধনে

Read Next

বিজয়ের আক্ষেপের দিন সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে জাকির

Total
4
Share