মিঠুনের ৭ উইকেট, অমিতের ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ

mithun amite

এনসিএলের প্রথম স্তরের ম্যাচে বিকেএসপিতে মোহাম্মদ মিঠুন দেখালেন বোলিং দাপট। মিঠুনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ঢাকার ব্যাটসম্যানরা। একে একে ফিরিয়ে দেন ৭ ব্যাটসম্যানকে। জয়ের জন্য শেষ দিন খুলনার প্রয়োজন ৩৭২ রান, হাতে ১০ উইকেট। আরেক ম্যাচে সিলেটের তরুণ ব্যাটসম্যান অমিত হাসানের ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ।

জাতীয় লিগের প্রথম স্তরে বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে ষষ্ঠ ও শেষ রাউন্ডের খেলায় টস জিতে ব্যাট করে ৩৩৫ রানে থামে ঢাকার প্রথম ইনিংস। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে খুলনা সংগ্রহ করে ২১৩ রান।

১২২ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে ঢাকা। দুই ওপেনার আব্দুল মজিদ ও রনি তালুকদার তুলে নেন অর্ধশত রান। ব্যক্তিগত ৬১ রানে মজিদকে বোল্ড করে ১৩৯ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন খুলনার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।

একে একে মিঠুনের স্পিন বিষে নীল হয় ঢাকার ৭ ব্যাটসম্যান। আরেক ওপেনার রনি তালুকদারকে সেঞ্চুরি হাঁকাতে দেননি মিঠুন। ৯১ বলে ৬ চার ও ৫ ছয়ে ৮৭ রানের ইনিংস খেলেন রনি।

আব্দুল মজিদ, রনি তালুকদারের পর মিঠুনের শিকার হন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (০), অধিনায়ক তাইবুর রহমান (৩৭), শুভাগত হোম (৩৩), নাদিফ চৌধুরি (১১) ও সুমন খান (৬)। ২০.৫ ওভারে ২ মেডেন ও ৭৫ রান খরচায় ৭ উইকেট দখলে নেন মোহাম্মদ মিঠুন। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে যা তাঁর ইনিংসে প্রথম ৭ উইকেট।

৮ উইকেট হারিয়ে ২৫৬ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা বিভাগ। দিনের শেষ সময় ৯ ওভার ব্যাট করে ৭ রান তুলে খুলনা। জয়ের জন্য শেষ দিন খুলনার প্রয়োজন ৩৭২ রান, হাতে ১০ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ (তৃতীয় দিন শেষে)

ঢাকা ১ম ইনিংসঃ ৩৩৫/১০

খুলনা ১ম ইনিংসঃ ২১৩/১০

ঢাকা ২য় ইনিংসঃ ২৫৬/৮ ডিক্লে: মজিদ ৬১, রনি ৮৭, তাইবুর ৩৭, শুভাগত ৩৩, নাদিফ ১১; মিঠুন ২০.৫-২-৭৫-৭, টিপু ২৬-৪-৭৭-১

প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে রংপুর বিভাগের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ঝলক দেখালেন সিলেট বিভাগের তরুণ ব্যাটসম্যান অমিত হাসান। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ছুটছিলেন দ্বিশতকের দিকেই। তবে ব্যক্তিগত ১৮৬ রানে অমিতকে থামিয়ে দেন তানভীর হায়দার। অধিনায়ক জাকির হাসানও পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা।

বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে প্রথম ইনিংসে ৩৯৩ রান করেছে রংপুর। জবাবে সিলেটকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যেতে অমিতের সঙ্গী অধিনায়ক জাকির। দু’জনই পেয়েছেন শতরানের দেখা। তবে জাহিদ জাভেদ জাকিরকে বিদায় করেন। ভাঙে অমিতের সঙ্গে গড়া ২৪৩ রানের অনবদ্য জুটি। ২৪৮ বলে জাকির হাসানের ১২২ রানের ইনিংস সাজানো ১৪টি বাউন্ডারির সাহায্যে।

অমিত হাসান এরপর জুটি গড়েন জাকের আলি অনিকের সঙ্গে। ডাবল সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন অমিত। কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ালেন তানভীর হায়দার। ১৮৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় অমিতকে। ৪২২ বলে ১৯ চারের সাহায্যে সাজানো তাঁর এই ইনিংস। আর মাত্র ১৪ রান করলেই দারুণ এক কীর্তি গড়তে পারতেন অমিত হাসান। তা আর হলো না।

৮ রান আসে অলক কাপালির ব্যাট থেকে। জাকের আলি ৩৭ রানে ও আসাদউল্লাহ আল গালিব ১৮ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিন শেষ করেছে। ৫ উইকেট হারিয়ে সিলেটের সংগ্রহ ৪৫৫ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ (তৃতীয় দিন শেষে)

রংপুর ১ম ইনিংসঃ ৩৯৩/১০

সিলেট প্রথম ইনিংসঃ ৪৫৫/৫ (১৪৮.২ ওভার) সায়েম ৪৯, অমিত ১৮৬, জাকির ১২২, জাকের ৩৭*, কাপালি ৮, গালিব ১৮*; রবিউল ১৬-০-৫১-১, নাসির ৩৭-৭-৮৬-২, তানভীর ২১-২-৬৩-১

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল গল টেস্টের তৃতীয় দিন

Read Next

শারমিনের ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরি, বাংলাদেশের ২৭০ রানের জয়

Total
8
Share