ধীর গতির ব্যাটিংয়ে ১২৪ রানেই আটকে গেল বাংলাদেশ

featured photo updated v 13

বাংলাদেশ-পাকিস্তান তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে দুই দলের একাদশেই এসেছে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন। আগেই সিরিজ খোয়ানো বাংলাদেশ ওপেনিং জুটিতেও ওলট পালট করে। তবে উদ্বোধনী জুটির ব্যর্থ হওয়াটা বদলায়নি। মিল আছে আরও কয়েকটি, টস জিতে এদিনও আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ। উইকেট হাতে রেখেও খুব বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

৭ উইকেটে বাংলাদেশ পেয়েছে ১২৪ রানের পুঁজি। যেখানে সর্বোচ্চ ৪৭ রানের ইনিংস ওপেনার নাইম শেখের ব্যাটে। ধীর গতির টি-টোয়েন্টি বিরুদ্ধ ইনিংসটির পথে খেলছেন ৫০ বল। পুরো দলই অনেকটা একই ঘরানার ব্যাটিং করেছে, ইনিংসের প্রায় অর্ধেক বলই (৫৬) যে ডট!

২২ ও ২০ রানের ইনিংস খেলা শামীম হোসেন ও আফিফ হোসেন বল খেলেছেন যথাক্রমে ২৩ ও ২১ টি।

এ নিয়ে সিরিজের তিন ম্যাচেই টস জিতে আগে ব্যাট করলো বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচে ক্রিজে টিকে থাকার মতো ব্যাটারের দেখা পাওয়া যায়নি। আজ কয়েকটি জুটি গড়েও প্রয়োজনের সময় তা বড় করতে ব্যর্থ।

আরেক দফা বাংলাদেশের ওপেনিং জুটিতে এসেছে বদল। সাইফ হাসানের ব্যর্থতায় আজ নাইম শেখের সাথে ইনিংসের গোড়াপত্তন করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে বদলায়নি বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটির ব্যর্থতার গল্প। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে অভিষিক্ত পাকিস্তানি পেসার শাহনেওয়াজ দাহানির বলে বোল্ড শান্ত (৫)।

একাদশে ফেরা শামীম হোসেন এদিন উঠে আসেন ৩ নম্বরে। এক প্রান্তে ধীর গতির নাইমকে রেখে অন্যপ্রান্তে আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। জুটিতে যোগ হয় ৩০ রান।

কিন্তু পাকিস্তানের একাদশে ফেরা লেগ স্পিনার উসমান কাদেরের করার প্রথম ওভারেই তেড়েফুঁড়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন ডিপ মিড উইকেটে। থামেন ২৩ বলে ২২ রানে।

শামীমের বিদায়ের পর খোলস ছেড়ে বেরোনোর চেষ্টা করেন নাইম। নিজের খেলা প্রথম ২১ বলে ১০ রান করা এই ব্যাটার উসমান কাদিরের করা ইনিংসের ১০ম ওভারে হাঁকান একটি করে চার, ছক্কা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন সিরিজ জুড়ে ইতিবাচক ব্যাটিং উপহার দেওয়া আফিফ হোসেন। ১২তম ওভারে উসমান কাদিরকে আফিফ হাঁকান ২ ছক্কা।

দুজনের ৪২ বলে ৪৩ রানের জুটি ভাঙেন উসমান কাদির। এই লেগ স্পিনারের বলে স্লগ খেলতে গিয়ে শর্ট থার্ড ম্যানে ক্যাচ চেন আফিফ। থামেন ২১ বলে ২০ রান করে।

শেষদিকে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও নাইম শেখের ৩১ রানের জুটি। কিন্তু ৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন নাইম, রিয়াদ সহ নুরুল হাসান সোহানও (৪)। নাইমের ব্যাটে ৫০ বলে সমান ২ টি করে চার, ছক্কায় ৪৭ রানে। রিয়াদ যেতে পারেননি ১৩ রানের বেশি। বাংলাদেশকেও থামতে হয় ৭ উইকেটে ১২৪ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২ টি করে উইকেট উসমান কাদির ও মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়রের। একটি করে উইকেট শাহনেওয়াজ দাহানি ও হারিস রউফের।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আজও আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, শহিদুলের অভিষেক

Read Next

রিয়াদ ফেরালেন ২০১৬ বিপিএল, তবে বাংলাদেশ ফেরেনি জয়ে

Total
6
Share