কোন কিছুতেই যেনো পথ খুঁজে পাচ্ছেন না বাংলাদেশের ব্যাটাররা

featured photo updated v 13

ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে বাংলাদেশ ফিরেছে ঘরের মাঠ মিরপুরে। বিশ্বকাপ স্কোয়াডের বড় একটা অংশের পরিবর্তন এসেছে চলতি পাকিস্তান সিরিজের স্কোয়াডে। কিন্তু তাতে বদলায়নি টাইগার ব্যাটারদের ব্যর্থতার গল্প। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১২৭ রানের পুঁজি পেলেও আজ (২০ নভেম্বর) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে করতে পারেনি ১০৮ রানের বেশি।

টস জিতে এদিনও আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আগেরদিন টস জিতে আগে ব্যাট করে খুব বড় সংগ্রহ না পেয়ে উইকেট পড়তে ভুল করেছেন বলে জানান।

বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে ১০৮ রানের সংগ্রহ এনে দেওয়া পথে সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে। এ ছাড়া ২০ রান করেছেন আফিফ হোসেন।

বাংলাদেশের একাদশে কোনো পরিবর্তন না এলেও পাকিস্তান একাদশে আসে এক পরিবর্তন। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার জেতা হাসান আলির বদলে জায়গা হয় শাহীন শাহ আফ্রিদির।

বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি যেনো কোনভাবেই দাঁড়াতে পারছেনা। ব্যক্তি বদলালেও বদলাচ্ছে না চরিত্র। আজ দুই ওপেনার নাইম শেখ ও সাইফ হাসান ফেরেন দলীয় ৫ রানেই। চমক হয়ে টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পাওয়া সাইফ আগের ম্যাচে ১ রান করলেও এদিন ফেরেন শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে গোল্ডেন ডাক নিয়ে।

এদিকে নাইমের ফুটওয়ার্কে ঘাটতি সামনে এলো আরেক দফা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়রের অফ সস্টাম্পের বাইরের নিরীহ লেংথ বলে ড্রাইভ করলেন জায়গায় দাঁড়িয়ে। নড়েনি পা, ততক্ষণে বল ব্যাট ছুঁয়ে উইকেটের পেছনে, ফিরেছেন ২ রান করে।

তবে সেখান থেকে আবারও দলকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন আগের ম্যাচের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক আফিফ হোসেন। নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে জুটিতে যোগ করেন ৪৬ রান।

দুই বাঁহাতি ব্যাটার ক্রিজে থাকায় প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আক্রমণে আনেননি লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে। তবে বাবর আজম দুই বাঁহাতি আফিফ-শান্ত জুটি ভাঙতে ঠিকই ৭ম ওভারে এদিন ডেকে আনেন শাদাব খানকে।

নিজের দ্বিতীয় ওভারে শাদাব ফেরান আফিফকে। ২১ বলে আফিফের ব্যাটে ২০ রান, রিভার্স প্যাডেল করতে গিয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে।

তার বিদায়ের পরও পাওয়ার প্লেতে ৩৬ রান তোলা বাংলাদেশ ১০ ওভার শেষে ৩ উইকেটে তোলে ৬৪ রান। ততক্ষণে হাত খোলা শুরু করেন শান্ত, তবে অন্য প্রান্তে যোগ্য সঙ্গ পাননি অধিনায়ক রিয়াদের (১৫ বলে ১২) কাছ থেকে। ৩ রানের ব্যবধানে শাদাবের দ্বিতীয় শিকার হন শান্তও। ৩৪ বলে ৫ চারে তার ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৪০ রান।

মোহাম্মদ নেওয়াজকে শেখ মেহেদী হাসান (৩) ফিরতি ক্যাচ দিলে ৮৬ রানেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর লোয়ার অর্ডার ঠিকঠাক দাঁড়াতেই পারেনি। শেষ পর্যন্ত থামতে হয় ৭ উইকেটে ১০৮ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট আফ্রিদি ও শাদাবের। একটি করে নেন ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ ও নওয়াজ।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ বাংলাদেশঃ ১০৮/৭ (২০ ওভার) সাইফ ০, নাইম ২, শান্ত ৪০, আফিফ ২০, রিয়াদ ১২, সোহান ১১, মেহেদী ৩, বিপ্লব ৮*, তাসকিন ২*; আফ্রিদি ২/১৫, শাদাব ২/২২, হারিস ১/১৩, ওয়াসিম ১/৯, নওয়াজ ১/২৫

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

এমিরেটস লিগে দল কিনছে শাহরুখ খান, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, ম্যান ইউ’র মালিক গ্লেজার

Read Next

মাঠে ঢুকে মুস্তাফিজের পায়ে ‘সিজদা’ করলেন দর্শক

Total
8
Share