অজুহাত না দিলেও উইকেট পড়তে আরেক দফা ভুল করে বাংলাদেশ

অজুহাত না দিলেও উইকেট পড়তে আরেক দফা ভুল করে বাংলাদেশ

১২৭ রানের পুঁজি নিয়েও পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের খুব কাছে চলে গিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মোহাম্মদ নওয়াজ ও শাদাব খানের ব্যাটে চড়ে সহজেই জিতে গেলো সফরকারীরা। টাইগার দলপতি কোনো অজুহাত দিচ্ছেন না, তবে ব্যাটিং বিভাগের আরও ভালো করা উচিৎ ছিল বলছেন। উইকেট দেখে ব্যাটিং সহায়ক হবে ভেবে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন বোলারদের জন্যও ভালো সহায়ক ছিলো উইকেট।

টস জিতে আগে ব্যাট করে শুরু থেকেই ছন্নছাড়া বাংলাদেশের টপ অর্ডার। ১৫ রানে নেই ৩ উইকেট, ৬১ রানে ৬ উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে আফিফ হোসেনের ৩৬, নুরুল হাসান সোহানের ২৮ ও শেখ মেহেদীর অপরাজিত ৩০ রানে কোনোমতে ১২০ পার করে টাইগাররা।

লক্ষ্য তাড়ায় নামা পাকিস্তানকে এই পুজিতেও প্রায় আটকে দিচ্ছিলো। বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা পারফর্মার মোহাম্মদ রিজওয়ান, বাবর আজম সহ ২৪ রানেই নেই ৪ উইকেট। এমন শুরুর পর খুশদিল শাহ ও ফখর জামানের ব্যাটে ভীত পায় সফরকারীরা।

দুজনের ৫৬ রানের জুটি হলেও বলের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছিল প্রয়োজনীয় রান। শেষ ৩ ওভারে যা দাঁড়ায় ৩২ রানে। কিন্তু ১৫ বলে ৩৬ রানের জুটিতে এই সমীকরণকে মামুলি বানিয়ে দেন শাদাব খান (২১) ও মোহাম্মদ নওয়াজ (১৮ )।

ম্যাচ শেষে টাইগার দলপতি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কাঠ গড়ায় দাঁড় করা ব্যাটসম্যানদেরই। সাথে উইকেটের চরিত্র বুঝতে না পারার কথাও স্বীকার করেন।

তিনি বলেন, ‘যখন আমরা টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছি তখন উইকেট বেশ ভালো মনে হয়েছিলো। কিন্তু এখানে বোলারদের জন্যও সহায়ক ছিলো। এটাকে অজুহাত বলছিনা। ব্যাট হাতে আরও ভালো পারফরম্যান্স করা উচিৎ ছিলো। বিশেষ করে টপ অর্ডারের। এ জায়গায় বিশ্বকাপেও ঘাটতি ছিলো।’

‘১৪০ রান হলে সেটা ভালো হতো। কিন্তু ১২৭ নিয়ে যদি শুরুতে ২ উইকেট তুলে নেন দ্রুত…বোলাররা দারুণ করেছে। আমরা খুব কাছাকাছি গিয়েছি। কিন্তু শেষ দুই ব্যাটসম্যানকে (পাকিস্তানের) কৃতিত্ব দিতেই হয়। নওয়াজ ও শাদাব সত্যি দারুণ ব্যাটিং করেছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

জয়ের উপলক্ষ্য তৈরি করেও পরাজিত দলে বাংলাদেশ

Read Next

সাইফকে নিয়ে রিয়াদের আশার শেষ নেই, বিপ্লবকে নিয়ে দিলেন খোঁড়া যুক্তি

Total
13
Share