বাংলাদেশে খেলে যাওয়ার পুরোনো গল্প শোনালেন হায়দার-নেওয়াজরা

ভারতের পর নিউজিল্যান্ডকেও হারাল পাকিস্তান

বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের পাকিস্তান দলে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার আছেন যারা বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে খেলে গেছেন। অধিনায়ক বাবর আজম, শোয়েব মালিক ছাড়াও যে অভিজ্ঞতা আছে হায়দার আলি, মোহাম্মদ নেওয়াজ, খুশদিল শাহদেরও। সিরিজ সামনে রেখেই সে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করলেন হায়দার, নেওয়াজরা।

২০১৯ সালের ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ফাইনাল খেলে পাকিস্তান। পাকিস্তানকে শিরোপা জেতানো সে ম্যাচে একাদশে ছিলেন হায়দার আলি ও খুশদিল শাহ।

এদিকে নিজের অভিষেক সিরিজই বাংলাদেশে খেলেছেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ২০১৬ সালের এশিয়া কাপে ঢাকায় অভিষেক হয় বাঁহাতি এই স্পিনারের। খেলেছেন বিপিএলেও।

এর বাইরে বাবর আজম, শোয়েব মালিক, শাদাব খানরা নিয়মিতই খেলেছেছেন বিপিএলে। কারও কারও আছে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল) খেলার অভিজ্ঞতাও।

টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে চলমান অনুশীলনে পাকিস্তানের লেগ স্পিনার উসমান কাদির এক ভিডিওতে এখানকার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চান সতীর্থ হায়দার, নেওয়াজ, খুশদিলদের কাছে।

আজ (১৭ নভেম্বর) পাকিস্তান দলের মিডিয়া ম্যানেজারের পাঠানো ঐ ভিডিওতে তারা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

তরুণ তারকা ব্যাটসম্যান হায়দার আলি বলেন,

‘আমি এখানে একবার এসেছি ইমার্জিং এশিয়া কাপ খেলতে, এই (মিরপুর) মাঠেই আমরা ফাইনাল জিতেছি। খুব ভালো লাগতেছে, একবার এসেছি ইমার্জিং দলের হয়ে আর এবার আসলাম পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে। মাঠ ও পিচও খুব ভালো, আমরা সামনের দিকে তাকিয়ে আছি।’

অন্যদিকে ২৭ বছর বয়সী বাঁহাতি স্পিনার নেওয়াজ তো ফিরে গেলেন নিজের অভিষেকের দিনগুলোতে। ধারণা দিয়েছেন এখানকার উইকেট সম্পর্কেও। উইকেট কিছুটা স্লো উল্লেখ করলেও এমন কন্ডিশনের সাথে নিজেদের অভ্যস্ততার কথা তুলে ধরেন।

নেওয়াজ বলেন,

‘ভালো অভিজ্ঞতা ছিল (বাংলাদেশে)। পাকিস্তানের হয়ে এক-দুই ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে এই কন্ডিশনে। এশিয়া কাপে আমার অভিষেক হয়েছিল এই মিরপুরেই। এরপর বিপিএলের অভিজ্ঞতাও ভালো ছিল। স্পিনারদের জন্য এখানকার কন্ডিশন বেশ উপভোগ্য। উইকেট মুলত মন্থর, যার সঙ্গে আমরাও যথেষ্ট অভ্যস্ত।’

অন্যদিকে সিরিজের জন্য নিজেদের প্রস্তুত বলছেন ব্যাটসম্যান খুশদিল শাহ ও অলরাউন্ডার মোহাম্মদ ওয়াসিম। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের সাথে থাকাকেও ইতিবাচক বলছেন প্রস্তুতির জন্য।

খুশদিল বলেন,

‘বিশ্বকাপে দলের সাথে থাকা ও নেটে সময় ব্যয় করাটা ইতিবাচক ব্যাপার আমার জন্য। আমরা জানতাম বিশ্বকাপের পরপরই আমাদের বাংলাদেশ সফর আছে। সে হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে যখনই সময় পেতাম নেটে কাটাতাম।’

অনেকটা একই সুরে কথা বলা ওয়াসিম যোগ করেন,

‘হ্যাঁ বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো, নিজেকে ভালোই প্রস্তুত করেছি। এখানেও প্রস্তুতি ভালো হচ্ছে, সুযোগ মিললে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

পাকিস্তানের বিপক্ষে শান্তদের আশাবাদী করছে বিপিএল

Read Next

আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের সূচী প্রকাশ

Total
3
Share