বিশ্বকাপ আয়োজন করে বড় ক্ষতি থেকে বাঁচবে বিসিসিআই

কেপিএলকে অনুমোদন না দিতে আইসিসিকে বিসিসিআইয়ের চিঠি

২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড- বিসিসিআই আইসিসির আরও ৩টি বড় ইভেন্ট আয়োজন করবে ২০৩১ সাল পর্যন্ত। শ্রীলঙ্কার সাথে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং বাংলাদেশের সাথে ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এ ইভেন্টগুলো আয়োজন করে ভারত সরকারের হাত থেকে ২০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার ভর্তুকি থেকে রক্ষা পাবে তারা, ভারতীয় বাজারমূল্যে যার দর প্রায় ১৫০০ কোটি রুপি।

ভারতীয় সরকারকে ১০ শতাংশ ভর্তুকি বেশি দিতে হতো বিসিসিআইকে। তবে এ ক্ষতি থেকে রক্ষার্থে পাশে দাঁড়িয়েছে আইসিসি। ২০২৪-২০৩১ সালের চক্রে ভারতে ৩টি বড় ইভেন্টই বিসিসিআই-এর জন্য আশার প্রদীপ সঞ্চার করেছে।

২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য ১০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার (৭৫০ কোটি রুপি) ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বিসিসিআই। যদি এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত না হয়ে ভারতে হতো, তবে এ ক্ষতি ১৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলারে গিয়ে ঠেকতো।

সূত্র থেকে জানা যায়, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে এ ব্যাপারটি তুলে ধরেন বিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহ। এত বড় ক্ষতি বিসিসিআই-এর জন্য খুবই অনৈতিক, এতে তাদের কোন দোষ নেই বলে অভিমত দেন বিসিসিআই-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

‘প্রত্যেকটি সরকার তাদের ক্রিকেট বোর্ডকে ভর্তুকি দেওয়া থেকে অব্যাহতি দেয়। কিন্তু বিসিসিআই তাদের সরকারের নিকট এ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না। যদিও সকল সদস্যের মতে আইসিসি এ ক্ষতি লাঘব করতে পারে। এক্ষেত্রে ভারতের আইসিসির বড় ইভেন্টগুলো আয়োজন করে বিশাল লভ্যাংশ পেতে পারে বিসিসিআই। আইসিসির লভ্যাংশে বিসিসিআই কোন ক্ষতি করবে না,’

জানান ঐ কর্মকর্তা।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

‘বিশ্বকাপের আয়োজক নির্ধারণ করা খুবই প্রতিযোগিতামূলক’

Read Next

আগামীকাল থেকে পাওয়া যাবে পাকিস্তান সিরিজের টিকিট

Total
14
Share