আনন্দে ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন ফাইনালের নায়ক মার্শ

মার্শ

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে নিজেদের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল। ব্যাট হাতে দারুণ ভূমিকা রেখে অজিদের শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়ক মিচেল মার্শ; জিতেছেন ফাইনাল সেরার পুরষ্কারও। পুরষ্কার বিতরণীতে এসে আনন্দে ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন ফাইনালের নায়ক মার্শ।

ডেভিড ওয়ার্নারের পর মিচেল মার্শের ব্যাটিং তান্ডবে ৭ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় অস্ট্রেলিয়া। এই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেল অজিরা। আর এই ঐতিহাসিক ফাইনালের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন মিচেল মার্শ।

পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে হাসিমুখে মিচেল মার্শ বললেন,

‘আমার কাছে আসলেই অনুভূতি প্রকাশের কোন ভাষা নেই। এই দলটির সঙ্গে কী একটি আশ্চর্যজনক ছয় সপ্তাহ গেল। আমি তাঁদের আমৃত্যু ভালবাসব। আমরা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে কোচিং স্টাফ আমাকে বলল, তুমি এই টুর্নামেন্টে তিন নম্বরে ব্যাট করবে। আর আমি এতে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। আমাকে সমর্থন করার জন্য এবং সেখানে আমাকে শীর্ষে ব্যাটিং করার সুযোগ দেওয়ার জন্য স্টাফদের ধন্যবাদ জানাই।’

‘(প্রথম বলে ছয়) এর মধ্যে অনেক কিছু ভাবা যায় না। একটি প্রতিযোগিতায় থাকতে, সেখানে (ফাইনাল) যেতে এবং আমরা সেরা খেলাটা খেলতে চেয়েছিলাম। এ জয়টা অবিশ্বাস্য।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে আসার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ সফর করে অস্ট্রেলিয়া। এই দুই সফরের স্কোয়াডে স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও গ্লেন ম্যাক্সয়েলদের মত তারকারা ছিলেন না। মূল তারকাদের অনুপস্থিতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ সফরে তিন নম্বরে ব্যাট করার গুরু দায়িত্ব পেয়ে দারুণ সফল হন মিচেল মার্শ। আর পাঁচ ম্যাচের দু’টি সিরিজেই ৪-১ ব্যবধানে হারে অজিরা। দলের ব্যাটার ও বোলাররা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। তবে ব্যাট হাতে কেবল সফল ছিলেন মিচেল মার্শ।

তিন নম্বর ধরে রেখে বিশ্বকাপের ফাইনালে এসে মার্শ করলেন বাজিমাত। দুবাইয়ের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ডেভিড ওয়ার্নারের মতোই ঝড় তোলেন মিচেল মার্শ। ৩৮ বলে ৫৩ রান করে ওয়ার্নার আউট হলে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করেন মিচেল মার্শ। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে শিরোপা জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। অনবদ্য ইনিংসে জিতেছেন ফাইনাল সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কারও।

তবে এর আগেই গড়েছেন অনন্য এক রেকর্ড। মাত্র ৩১ বলের সাহায্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে দ্রুততম অর্ধশতরান করার রেকর্ড গড়েন মার্শ।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

নিউজিল্যান্ডকে অপেক্ষায় রেখে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ জয়

Read Next

লজ্জিত উইলিয়ামসন বলছেন অস্ট্রেলিয়া কোনো সুযোগই দেয়নি

Total
26
Share