ফাইনালের রোমাঞ্চে রোমাঞ্চিত হতে মুখিয়ে আছে অ্যারন ফিঞ্চ

বাংলাদেশ খুব, খুব ভালো দল: অ্যারন ফিঞ্চ

গত একমাসে মরুর বুকে যে ক্রিকেটের শর্টার ফরম্যাটের বিশ্ব সেরা হওয়ার লড়াই চলছিল আজ মঞ্চায়ন হবে এ লড়াইয়ের শেষ দৃশ্যের। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট পেতে চলেছে নতুন চ্যাম্পিয়নের দেখা। ক্রিকেট সাফল্যে নিউজিল্যান্ডের থেকে অনেক এগিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপে রাজ করা অস্ট্রেলিয়া। তবে ছুয়ে দেখা হয় নি কেবল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপাটি।

এবার সে আক্ষেপ ঘুচে যেতে কেবল একটি সিড়ি অতিক্রম করা বাকি অজিদের। তবে ২০১৫ সালের পর থেকে প্রায় সব আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে খেলা নিউজিল্যান্ডও যে শিরোপার অন্যতম দাবীদার তার প্রমান তারা দিয়েছে বারংবার। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ফাইনালে এক জমজমাট লড়াইয়ের জন্য মুখিয়ে আছেন।

তাসমান পাড়ের দুই দলের ক্রিকেটের লড়াইয়ের ইতিহাস কয়েক যুগ পুরনো। এ লড়াইয়ের ইতিহাসে নতুন পালক যোগ হবে আজ (১৪ নভেম্বর) এ দুই দলের ফাইনালের মধ্যে দিয়ে। এ ম্যাচটির রোমাঞ্চে রোমাঞ্চিত হতে মুখিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ফিঞ্চ।

ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ফিঞ্চ বলেন, ‘ক্রিকেটে এ দুই দলের চমৎকার সব ঐতিহ্য আছে। শুধুমাত্র ক্রিকেটে নয়, প্রতিবেশী হিসেবে সব পর্যায়েই দারুণ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রায়ই খেলি। যে সংস্করণেই খেলা হোক, সব সময়ই দুর্দান্ত লড়াই হয়।নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা খুবই রোমাঞ্চকর। তাদের দুর্দান্ত একটি দল রয়েছে আর দারুণভাবে এর নেতৃত্ব দিচ্ছে কেন উইলিয়ামসন। আমার মনে হয়, দুই দল প্রায় একই অবস্থানে। অসাধারণ একটি ম্যাচ হবে।’

ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই গেল কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে দুর্দান্ত পারফর্ম করছে নিউজিল্যান্ড। এ বছর জুনে ভারতকে হারিয়ে প্রথম ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতে কিউইরা। ধারাবাহিক ভাবে ভালো খেলা নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে সতর্ক রয়েছে ফিঞ্চ।

ফিঞ্চ বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড গত ছয় বছরে প্রতিটি আইসিসি ইভেন্টের ফাইনাল খেলছে। তিন সংস্করণেই দারুণ একটি দল। এমন এক দল তারা, যাদের কখনও হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। ওদের দুর্দান্ত ব্যাটার আছে, অভিজ্ঞতা আছে। ওদের ড্যারিল মিচেলের মতো ব্যাটার আছে, যে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ম্যাচে অসাধারণ ইনিংস খেলেছে। বিস্ফোরক ব্যাটার মার্টিন গাপটিল আছে দলে এবং টপ অর্ডারে আছে উইলিয়ামসনের মতো একজন। ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই ওদের অনেক ম্যাচ উইনার আছে। ইশ সোধি ও মিচেল স্যান্টনার আগেও নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছে।’

ফিঞ্চের মতে, পাওয়ার প্লেতে ব্যাটিং-বোলিং দুই ইউনিটেই নিউজিল্যান্ড অনেক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিবে।তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, ব্যাটিং ও বোলিং দুই ক্ষেত্রেই পাওয়ার প্লেতে টুর্নামেন্টে ওরাই সবচেয়ে ভালো করেছে। তাই এটা খুব চ্যালেঞ্জিং হবে। ট্রেন্ট বোল্টের বাঁহাতি সুইং বোলিং সামলানো অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং হবে। টিম সাউদি আছে, সে অফ দা সিম ডেলিভারিও দেয় যেগুলো কিছুটা স্লাইড করে। তবে নেটে আমি এখন ভালো ব্যাটিং করছি, আত্মবিশ্বাস নিয়েই আগামীকালকের ম্যাচে খেলবো।’

আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টায় ফিঞ্চ নাকি উইলিয়ামসন কার হাতে উঠবে বিশ্ব জয়ের শিরোপা, তা জানতেই পুরো বিশ্বের ক্রিকেট সমার্থকদের চোখ থাকবে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

‘আন্ডারডগ’ তকমা মানতে নারাজ কেন উইলিয়ামসন

Read Next

কনওয়ের সর্বনাশে ড্যারিল মিচেলের পৌষমাস

Total
5
Share