সাহসের কারণেই বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানরা ছক্কা হাঁকাতে পারেনা

দুই রাব্বির দিনে শেষ হাসি মুশফিকদের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যর্থতায় সামনে আসছে অনেক ঘাটতি। যেখানে পাওয়ার হিটারের অভাব আছে সবার উপরে। তবে লম্বা সময় ধরে জাতীয় দলের সাথে থাকা ইয়াসির আলি রাব্বি বলছেন বড় শট খেলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের বড় বাধা সাহস।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স হতাশ করেছে দেশের ক্রিকেট ভক্ত সমর্থক থেকে বিশ্লেষকদের। শুধু বিশ্বকাপ নয় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেই বাংলাদেশ কখনো উপযুক্ত ব্যাটসম্যানের দেখা পায়নি।

এবার নতুন করে দল সাজাতে চায় বিসিবি। সে লক্ষ্যে আসন্ন পাকিস্তান সিরিজেই পরখ করতে চায় কয়েকজন নতুন মুখকে। যাদের মধ্যে অন্যতম দুই বছর ধরে জাতীয় দলের স্কোয়াডে থাকা ইয়াসির আলি রাব্বি। এখনো কোনো ফরম্যাটেই অভিষেক না হওয়া রাব্বির কপাল খুলতে পারে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

মিরপুরে চলছে রাব্বি সহ পারভেজ হোসেন ইমন, তৌহিদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, তানভীর ইসলামদের মতো ক্রিকেটারদের নিয়ে ক্যাম্প। যাদের কেউই ছিলেন না টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে। ক্যাম্প দেখভাল করছেন বিসিবির টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পদে নিয়োগ পেতে যাওয়া খালেদ মাহমুদ সুজন।

আজ (৮ নভেম্বর) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ইয়াসির আলি রাব্বি। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান নিজের লক্ষ্য জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের বড় শটে ব্যর্থতার কারণও সামনে আনেন।

রাব্বি বলেন, ‘সাহসটা তো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাহস না থাকলে আপনি কখনো ছয় মারতে পারবেন না। আমার কাছে মনে হয় এ জিনিসটা একটা ব্যাটসম্যানের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সাহস থাকতে হবে ছয় মারার জন্য।’

৫৪ টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি খেলা রাব্বি প্রায় ২৭ গড় ও ১২৩ এর বেশি স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন ১১৫৮, আছে ৭ ফিফটি। ৮১ টি চারের সাথে হাঁকিয়েছেন ৪৬ টি ছক্কাও। বড় শট খেলার সামর্থ্য রাখা চট্টগ্রামের এই ব্যাটসম্যান নিজেকে কতটা যোগ্য মনে করেন পাওয়ার হিটার হিসেবে?

এমন প্রশ্নের জবাবে তার উত্তর, ‘আমি আসলে পাওয়ার হিটিং না…সবসময় চাই তিন ফরম্যাটে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করতে। তবে আমার দলের লক্ষ্যটা যদি এমন হয় আমাকে পাওয়ার হিটিং করতে হবে তাহলে আমি নিজেকে সেভাবে প্রস্তুত করবো এইতো।’

রাব্বি জানালেন প্রতিদিনই ক্রিকেট বদলাচ্ছে, আধুনিক হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন জিনিস শিখছেন। এসবের সাথে যথাযথভাবে খাপ খাওয়াতে না পারার কারণেই বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইংল্যান্ডের মতো দেশের তুলনায়।

এ প্রসঙ্গে ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান যোগ করেন, ‘ছোট বেলা থেকে যেটা শিখে আসছি..আসলে শেখার তো কোনো শেষ নেই। প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি। প্রতিদিন ক্রিকেট বদলাচ্ছে, ক্রিকেট আধুনিক হচ্ছে। তো এই জিনিসগুলো যদি আমরা এখন না জানি…এ কারণেই আসলে ইংল্যান্ড, ভারত, অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে আমরা পিছিয়ে থাকি। তো এই জিনিসগুলো আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এসব আমাদের ১৯ থেকে ২০ এ নিয়ে যায়।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

২৪ বছর পর পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

Read Next

ক্রিকেট পাকিস্তানের খোঁচার জবাব দিলেন ওয়াসিম জাফর

Total
67
Share