আরেক দফা ডাক পেতে যাওয়া রাব্বি জানালেন কীভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দেন

আরেক দফা ডাক পেতে যাওয়া রাব্বি জানালেন কীভাবে নিজেকে স্বান্তনা দেন

কয়েক দফায় জাতীয় দলের স্কোয়াডে ডাক পেয়েও অভিষেকের প্রহর গুনেই চলেছেন ইয়াসির আলি রাব্বি। ২০১৯ সাল থেকে ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটে ডাক পেয়েছেন নিয়মিত। শেষদিকে কেবল টেস্টে ডাক পাচ্ছিলেন। তবে আসন্ন পাকিস্তান সিরিজে ডাক পেতে পারেন টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডেও। রাব্বি জানালেন ২ বছরের বেশি সময় অভিষেকের অপেক্ষা নিয়ে কীভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে আসছেন।

২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে শুরু। সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরের টেস্ট দলেও ছিলেন। তবে কেবল টেস্টের জন্য বিবেচিত হচ্ছেন বলে সাদা বলের দলে তাকে ডাকা হচ্ছিলোনা। যদিও ঘরোয়া ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটেই রান করেন সমান তালে। টি-টোয়েন্টিতেও আছে বড় শট খেলার সামর্থ্য।

এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের ভরাডুবিতে নড়েচড়ে বসেছে বিসিবি। পাকিস্তান সিরিজে বাজিয়ে দেখা হতে পারে নতুনদের। সে লক্ষ্যেই বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না থাকা ৭ ক্রিকেটারকে নিয়ে অনুশীলন ক্যাম্প করাচ্ছেন বোর্ডের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ পেতে যাওয়া খালেদ মাহমুদ সুজন।

এই ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ইয়াসির আলি রাব্বি আজ (৮ নভেম্বর) মিরপুরে মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানেই অপেক্ষার প্রহর গুনার সময়টা কীভাবে পার করেন সে প্রশ্নের উত্তর দেন।

রাব্বি বলেন, ‘আমি আসলে আমাদের একজন বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলছিলাম এ জিনিসটা নিয়ে। উনি আমাকে বলছে তুমি যে জায়গায় আছো সে জায়গায় বাংলাদেশের অনেকেই নাই। তুমি যদি এভাবে চিন্তা করো তাহলে তোমার জন্য ভালো। আর যদি চিন্তা করা আমাকে খেলাচ্ছে না কেন? আমার হচ্ছে না। এসব চিন্তা করলে তুমি নিজেই পিছিয়ে যাবে।’

‘এই কথাটা আমার অনেক ভালো লাগছে। যখনই আমি মানসিকভাবে ডাউন হই তখন ভাবি আমি যে জায়গায় আছি তা অনেকের জন্য স্বপ্ন। আমি হয়তো দরজায় আছি, আরেকটু কষ্ট করলে দলে ঢুকতে পারবো। আমি কষ্ট না করলে হয়তো ছিটকে যাবো।’

বেশ কিছুদিন শুধু টেস্টে বিবেচিত হওয়া রাব্বি এবার পেতে পারেন টি-টোয়েন্টি ডাক। সে ক্ষেত্রে নিজের লক্ষ্য কি এমন প্রশ্ন ছোঁড়া হয় তার দিকে।

জবাবে এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘আসলে এই কথাটা (লক্ষ্য) অনেক পুরোনো কথা। সবসময় বলে আসছি, যতবারই আপনাদের সাথে কথা হয়, অবশ্যই নিজের সেরাটা দিতে চেষ্টা করবো। লক্ষ্য সবসময় একই থাকে, এখনো সেটাই আছে।’

এবারের অনুশীলন ক্যাম্পে কোচ হিসেবে দেখভাল করা খালেদ মাহমুদ সুজন কি পরামর্শ দিয়েছেন তা জানাতে গিয়ে রাব্বি বলেন, ‘উনি বলেছেন আমাদের জন্য এটা অবশ্যই অনেক বড় সুযোগ। দলে থাকি না থাকি টি-টোয়েন্টিতে আমাদের ছোট খাটো কিছু জিনিস উন্নতি করা প্রয়োজন, মূলত সেসব জিনিস নিয়ে কাজ করা। যেমন রেঞ্জ হিটিং, ব্যাট সুইং এসব জিনিসগুলো।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আয়নায় নিজেকে ফিট দেখার আত্মমগ্নতা আছে মালিকের

Read Next

২৪ বছর পর পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

Total
23
Share