লিটন দাসের হয়ে ব্যাট করলেন ওটিস গিবসন

লিটন দাসের হয়ে ব্যাট করলেন ওটিস গিবসন

গত ২৪ অক্টোবর আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে বসে বাংলাদেশ। একটা সময় জয় পাওয়া সম্ভব বলে মনে হলেও লিটন দাসের দুটি ক্যাচ মিস বাংলাদেশকে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিটন দাস রীতিমত এখন ভিলেন। তবে টাইগারদের পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন লিটনের হয়ে ব্যাট করলেন। 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আগামীকালের ম্যাচের আগে আজ বাংলাদেশের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ওটিস গিবসন। সেখানে তিনি ক্যাচ মিস নিয়ে কথা বলেন। কথা বলেন লিটন দাসকে নিয়েও।

ক্যাচিং নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করছেন না জানিয়ে গিবসন বলেন, , ‘প্রতিটি ক্রিকেট ম্যাচেই ক্যাচ হাতছাড়া হয়। ১/২ টা ক্যাচ ফসকে যায় ই। গত ম্যাচের ক্যাচ মিস অনেক হাইলাইট হয়েছে। আমরা কিন্তু অনেক ক্যাচিং প্র্যাকটিস করি, বিভিন্ন রকমের ক্যাচিং ড্রিল করি। যখন ছেলেরা প্রেশার সিচুয়েশনে নামে তখন অনেক সময় ক্যাচ মিস হয়ে যায়। এটা হয়, এখন এটা কনসার্ন কিনা? আমি মনে করি না এটা কনসার্ন। কারণ আমরা রোজ অনুশীলন করি। যখন ক্যাচ মিস হয়, লোকে বারবার তা নিয়ে কথা বলে ও হাইলাইটেড হয়। আমরা স্কিল নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করি, ক্যাচ তাদের মধ্যে অন্যতম।’

লিটন দাসের সামর্থ্য জানা আছে বলে তাকে সমর্থন করছে গোটা দল, কেউই তাকে দায় দিচ্ছে না বলে জানান ওটিস গিবসন।

‘লিটন দাস আমাদের দলের অন্যতম ‘কি’ প্লেয়ার। প্রথমত সে আমাদের অন্যতম সেরা ফিল্ডার। দুইটা ক্যাচ হাতছাড়া করাতে তার অবদান কম হয়ে যায়নি। যেকেউই ক্যাচ মিস করতে পারে। আগেই বলেছি এই ক্যাচ মিস নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে কারণ অনেকে বলতে পারে এটার জন্য দল হেরেছে। সে (লিটন) বেশ কিছুদিন ধরেই আমাদের অন্যতম ‘কি’ প্লেয়ার। বাস্তবতা হল তার অবস্থানে যেকোন ফিল্ডার ক্যাচ মিস করতে পারত। আমরা (কোচরা) যেটা করছি, তার পাশে থাকছি, তাকে সমর্থন করছি। তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছি তার কোয়ালিটি সম্পর্কে, মনে করিয়ে দিচ্ছি যে সে আমাদের একজন ‘কি’ প্লেয়ার। আমরা আমদের প্লেয়ারকে সমর্থন করি। সেটা লিটন দাস হোক বা অন্য কেউ।’

‘এমন পরিস্থিতি একেকজন একেকরকম করে সামলায়। তবে গ্রুপ হিসাবে আমরা ঐ প্লেয়ারের সাথে আছি। আমরা (কোচ) তাকে তার কোয়ালিটি, রোল, ভ্যালু সম্পর্কে মনে করিয়ে দিই। যেমনটা বলছিলাম ক্যাচ যেকেউই ছাড়তে পারে। আমরা ঐ ক্যাচ মিসকে ক্রিকেটারকে এফেক্ট করতে দিতে পারি না। আমাদের সার্কেলের বাইরে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কিছু বললে আমরা সেটা কন্ট্রোল করতে পারব না। দলের ভেতরে যা বলা হচ্ছে তা আমরা কন্ট্রোল করতে পারি। আমাদের গ্রুপের কেউই ঐ প্লেয়ারকে দায় দিচ্ছে না। আমরা তাকে বলছি আরও চারটি ম্যাচ বাকি আছে। হতে পারে পরবর্তী ম্যাচেই সে দারুণ এক ক্যাচ নিলো এবং সবাই তাকে নিয়ে আলোচনা করছে তবে ভিন্ন ভাবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

কোচ ইস্যুতে বিস্ফোরক মাশরাফি

Read Next

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন কুইন্টন ডি কক!

Total
14
Share