সমালোচনা করতে গিয়ে রিয়াদদের ছোট না করার অনুরোধ

স্কটল্যান্ড কোচের হুমকির জবাবে যা বললেন রিয়াদ
Vinkmag ad

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব শুরু করে বাংলাদেশ। যে ম্যাচে হারের পর কিছুটা কঠিন হয়ে যায় সুপার টুয়েলভের পথ। ক্রিকেট ভক্তদের সাথে বিসিবি সভাপতিও যে হারে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান। পরে ওমান ও পাপুয়া নিউ গিনিকে হারিয়ে বাংলাদেশ নিশ্চিত করলো সুপার টুয়েলভ। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলছেন সমালোচনা হওয়াকে তারা দেখেন স্বাভাবিক হিসেবেই। কিন্তু সমালোচনা করতে গিয়ে তাদের যেন ছোট করে দেখা না হয়।

বাংলাদেশ তুলনামূলক সহজ ‘বি’ গ্রুপে পড়ায় ভক্ত সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল দাপুটে পারফরম্যান্সে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত হবে। কিন্তু স্কটল্যান্ডের কাছে ৬ রানে হেরে সে পথটাই কিছুটা কঠিন হয়। যদিও পরে ওমানকে ২৬ ও পাপুয়া নিউ গিনিকে ৮৪ রানে হারিয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করলো টাইগাররা।

তবে প্রথম ম্যাচে হারের পর চারদিক থেকে আসা সমালোচনা স্পর্শ করে ক্রিকেটারদেরও। আজ (২১ অক্টোবর) পাপুয়া নিউ গিনিকে হারিয়ে টাইগারা কাপ্তান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ জানালেন সেটি। সমালোচনা হওয়া নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই তার, তবে সমালোচনাত ধরণ নিয়ে আছে তার আলাদা বার্তা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরাও মানুষ, ভুল করি কিন্তু ছোট করা উচিত না। সমালোচনা আমাদের স্পর্শ করে। আমরাও মানুষ। আমাদের পরিবার আছে। আমাদের বাবা-মা’রাও বসে থাকে টিভির সামনে। আমাদের বাচ্চারাও খেলা দেখে। তারাও মন খারাপ করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তো এখন মানুষের হাতের নাগালে। সবার মোবাইলে আছে। সমালোচনা তো হবেই। আমরাও আশা করি সমালোচনা হোক। আমরা খারাপ খেলেছি সমালোচনা হবেই। কিন্তু সমালোচনার মাধ্যমে কেউ কাউকে ছোট করে ফেলে সেটা কিন্তু খারাপ লাগে।’

‘অনেক প্রশ্ন এসেছে। আমাদের ব্যাটিংয়ের স্ট্রাইক রেট। আমাদের তিন সিনিয়র ক্রিকেটারের স্ট্রাইক রেট নিয়ে। আমরা তো চেষ্টা করেছি। চেষ্টার বাইরে তো আমাদের কাছে কিছু নেই। এরকম না যে আমরা চেষ্টা করিনি। আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। কিন্তু ফল আমাদের পক্ষে আনতে পারিনি।’

ক্রিকেট মাঠে কখনো সফল হন তো কখনো ব্যর্থ। কিন্তু নিবেদনটা রিয়াদদের থাকে সবসময়ই। এমনকি ব্যথা, ব্যথা নাশক ওষুধ সেবন, ইনজেকশন নিয়েও মাঠে নামতে হয় তাদের। এ গল্পগুলো লোকের সামনে খুব একটা আসেনা বলে মত টাঈগার দলপতির।

রিয়াদ যোগ করেন, ‘সমালোচনা হবেই। এটা কাম্য। কিন্তু সুস্থ সমালোচনা হলে সবার জন্য ভালো। আমরাও অনুভব করি। বাংলাদেশের জার্সিটা যখন আমরা গায়ে দেই তখন আমাদেরও সম্মান অনুভব হয়। আমরা দেশের জন্য কতটুকু করি। সবারই ত্যাগ থাকে। কারো ব্যথা থাকে। কারো অনেক ইনজুরি থাকে। ওগুলো নিয়ে আমরা খেলি। দিনের পর দিন আমরা পেইন কিলার নিয়ে খেলি। পেছনের গল্পগুলো অনেকেই জানে না। এজন্য কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন করা ঠিক না।’

এদিকে পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে জয়ের পর সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত হওয়া সড়েসিং রুমে স্বস্তি ফিরেছে উল্লেখ করে রিয়াদ বলেন, ‘আশা করি, এখন কিছুটা স্বস্তি পাবো। সবচেয়ে বড় কথা, দলের ভেতরে যে অস্থিরতা ছিল ওইটা নেই। এজন্য খেলোয়াড় এবং প্রত্যেক টিম ম্যানেজমেন্টকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। শুধু আমরাই নই। আমাদের স্টাফ, সোহেল ভাই (ম্যাসাজম্যান), রমজান (থ্রোয়ার) প্রত্যেকের ক্রেডিট দিতে হবে। আশা করছি ভালো কিছু হবে সামনে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

সাকিব নৈপুণ্যে বাংলাদেশের রেকর্ড গড়া জয়

Read Next

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও চূড়ায় উঠলেন সাকিব

Total
1
Share