টি-টোয়েন্টির ‘কমন প্র্যাকটিস’ নিয়ে যা বললেন সাকিব

টি-টোয়েন্টির 'কমন প্র্যাকটিস' নিয়ে যা বললেন সাকিব

ওমানের বিপক্ষে স্বস্তির জয় পাওয়া ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারে এসেছে বেশ পরিবর্তন। যেখানে মুশফিকুর রহিমের মত ব্যাটসম্যানকে খেলতে হয়েছে ৮ নম্বরে। পরিবর্তিত ব্যাটিং অর্ডারে বাকিরা ব্যর্থ হলেও সফল সাকিব আল হাসান। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে দল জিতিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন ব্যাটিং অর্ডারের রদবদল নিয়ে। তার মতে এমন কিছু টি-টোয়েন্টিতে কমন প্র্যাকটিস।

ব্যাটিং অর্ডারে ওঠা নামা করিয়েও অবশ্য খুব একটা সফল হয়নি ব্যাটিং বিভাগ। দুইবার জীবন পেয়ে ওপেনার নাইম শেখের ৬৪ রান ও সাকিবের ৪২ রানের ইনিংস ছাড়া ২ অঙ্কই ছুঁতে পেরেছে কেবল একজন।

এমনিতে ৩ নম্বরে খেলেন সাকিব, গতকাল (১৯ অক্টোবর) খেলেন ৪ নম্বরে। ৪ নম্বরের মুশফিক খেলেছেন ৮ নম্বরে, ৫ নম্বরের মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭ নম্বরে, ৭ নম্বরের নুরুল হাসান সোহান ৫ নম্বরে, ৮ নম্বরের শেখ মেহেদী হাসান ৩ নম্বরে।

তবে কাজে আসেনি অমন পরিবর্তন। যদিও সাকিব বলছেন সফল না হলে কথা শুনতে হবে তারা জানেনই। আবার সফল হলে পরিবর্তনের কৃতিত্ব দিবে লোকে। আর সতীর্থ হিসেবে কোচ অধিনায়কের নেওয়া সিদ্ধান্তকে সমর্থন করতে সমস্যা নেই তাদের। সাকিব বলেন,

‘আসলে পরিস্থিতি অনুসারে কোচ, অধিনায়ক যেটা ভালো মনে করেছে তাদেরকেই পাঠানো হয়েছে। যারা সামর্থ্যবান ওরকম পরিস্থিতি সামাল দিতে… একটা সময় এমন ছিল যে আমরা ১৭০-১৮০ ও করে ফেলতে পারতাম যদি সাবার ব্যাটিংটা ক্লিক করতো। আর সে কারণেই অনেকের ব্যাটিং অর্ডার ওঠা নামা করেছে।’

‘কিন্তু টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন হয়েই থাকে। যখন একটা দল ১০-১২ ওভার ব্যাট করে ১ বা ২ উইকেট থাকে তখন স্বাভাবিকভাবে ৬-৭ নম্বর ব্যাটসম্যানরা উপরের দিকে চলে আসে। আর এটা খুবই কমন প্র্যাকটিস টি-টোয়েন্টিতে।’

‘দেখুন যখন এরকম জিনিসগুলোতে দল সফল হয় তখন সবাই এটার কৃতিত্ব দেয় আর ব্যর্থ হলে সবাই এটাকে দোষ দেয়। আমরা যেহেতু ক্রিকেট খেলি, মনে করি এরকম দলের প্রয়োজনে কোচ, অধিনায়ককে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সতীর্থ হিসেবে আমরা দলের বাকিরা সেটাকে সমর্থন দেই। আমরা সব সময় চিন্তা করি কীভাবে দলে অবদান রেখে জেতানো সম্ভব।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

হৃদয় দিয়ে খেলা ওমানের জন্য সাকিবের শুভ কামনা

Read Next

টুইটারে সাকিব-ফিজ ভাসছেন প্রশংসার জোয়ারে

Total
31
Share