চট্টগ্রামের অভিজ্ঞতা ওমানে কাজে লাগালেন সাইফউদ্দিন

চট্টগ্রামের অভিজ্ঞতা ওমানে কাজে লাগালেন সাইফউদ্দিন

ওমান একাদশের বিপক্ষে গতকাল (৮ অক্টোবর) ৬০ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ। অনানুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে আত্মবিশ্বাসের রসদটা বাড়িয়ে নিয়েছে টাইগাররা। বল হাতে দারুণ সফল মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন জানালেন কীভাবে চট্টগ্রামে বিপিএল খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন ওমানের কন্ডিশনে।

বাংলাদেশের দেওয়া ২০৮ রানের জবাবে ১৪৭ রানে থামে ওমান একাদশ। যেখানে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান খরচায় ২ উইকেট তুলে নেন সাইফউদ্দিন। এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার বলছেন নিজেদের বোলিং ইনিংসে কুয়াশা কিছুটা অস্বস্তিতে ফেললেও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সফল হয়েছেন। যদিও এবারই প্রথম ওমানে খেলতে গিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।

ওমান থেকে আগামীকাল (১০ অক্টোবর) সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে টাইগাররা। সেখানে আইসিসির দুইটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ফিরবে ওমানে। ওমানেই মোকাবেলা করতে হবে বাছাই পর্বের প্রতিপক্ষদের।

আজ (৯ অক্টোবর) ছুটির দিনে সুমুদ্রে কায়াকিং করে কাটিয়েছে ক্রিকেটাররা। এরপর বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় কথা বলেন সাইফউদ্দিন।

ওমানের বিপক্ষে সফল হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেহেতু প্রথমবারের মতো ওমানে এসেছি। কন্ডিশনটা একটু অচেনা ছিল। তারপরও প্রথম তিন চারদিন অনুশীলন করে কিছুটা মানিয়ে নিতে পেরেছি। যদিও আমরা দিনে অনুশীলন করেছি, রাতে তেমন সুযোগ ছিল না।’

‘দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ ছয় ওভার যাওয়ার পর মাঠ ভেজা ছিল। কিছুটা কুয়াশা ছিল, যেটা চিটাগাংয়ে বিপিএল খেলার সময় পেতাম, আশা করিনি। তারপরও এডজাস্ট করেছি যেহেতু চিটাগাংয়ে বিপিএল খেলেছি ডিউয়ের মধ্যে। ওই অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগিয়েছি।’

‘আমি যদি প্রথম পাওয়ার প্লেতে বল করি, চেষ্টা থাকবে রান কন্টেইন করা। স্লগে যদি আসি আট নয় রানের কমে ওভার করা। এটা বাড়তি কোনো চাপ না। যখনই অধিনায়ক সুযোগ দেবে। সেটা পালন করাটাই সবার লক্ষ্য থাকবে।’

বাছাই পর্বে বাংলাদেশ মোকাবেলা করবে ওমান, স্কটল্যান্ড ও পাপুয়া নিউগিনির। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল হলেও টি-টোয়েন্টি বলে কাউকেও ছোট করে দেখতে নারাজ বাংলাদেশ।

সাইফউদ্দিন বলেন, ‘দেখুন আসলে প্রতিপক্ষ কে সেটা আমরা কখনোই খুব বেশি চিন্তা-ভাবনা করি না। কারণ প্রতিটা প্রতিপক্ষকে আমরা দুর্বল ভাবি না। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোনো ম্যাচে হারার সম্ভাবনা থাকে। আমরা প্রতিটা ম্যাচে নামি নিজের শতভাগ দিয়ে খেলার চেষ্টা করি।সবাই জানে ঘরের মাঠে সবসময় শক্তিশালী সবাই। যদিও আমরা বড় টার্গেট দিতে পেরেছি ওমানকে, যার কারণে বোলারদের জন্য কাজটা সহজ ছিল।’

‘সবমিলিয়ে উইকেট কিছুটা ব্যাটিং সহায়ক ছিল। বিশেষত সাত আট ওভার যাওয়ার পর কিছুটা ব্যাটিং সহায়ক উইকেট হয়ে যায়। কারণ বলটা ডিউয়ের কারণে ভিজে যায়। এই ম্যাচটা আমাদের জন্য খুব উপকার হয়েছে। কারণ কোয়ালিফায়ারে দুইটা ম্যাচই নাইট। আমরা এখন থেকে আরও বেশি প্রস্তুতি নিবো।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ছিটকে গেলেন মাকসুদ, পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে শোয়েব মালিক

Read Next

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ঢুকলেন রুবেল

Total
24
Share