প্লে অফে যাওয়া দিল্লির আরও এক জয়

প্লে অফে যাওয়া দিল্লির আরও এক জয়

লো স্কোরিং রোমাঞ্চে দিল্লির ৪ উইকেটের জয়। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের করা ১২৯ রান ৫ বল বাকি থাকতে টপকিয়েছে রিশাব পান্টের দল। আগের ম্যাচে পাঞ্জাবের জয়ে প্লে অফ নিশ্চিত হওয়া দিল্লির ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। আইয়ার-অশ্বিনের ফিনিশিংয়ের আগে আক্সার দেখিয়েছেন বোলিং জাদু। ৩ উইকেট নিয়ে পেলেন ম্যাচ সেরার পুরষ্কার।

এই ম্যাচে ২ পয়েন্ট তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের সমান ১৮ পয়েন্ট হয়ে গেল দিল্লির। ১২ ম্যাচের ৯টিতে জয় নিয়েও রান রেটে পিছিয়ে থাকার কারণে রিশাব পান্টদের অবস্থান দুই’য়ে। আগের দিনই অবশ্য প্লে অফ নিশ্চিত হয়েছিল তাদের।

শারজায় টসে জিতে মুম্বাইকে আগে ব্যাটিং করতে পাঠিয়েছিলেন দিল্লির অধিনায়ক রিশাব পান্ট। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১২৯ রানে আটকে গেল রোহিত শর্মার দল। আভেশ খান ও আক্সার প্যাটেলের সামনে সুরিয়াকুমার যাদব ছাড়া কেউ দাঁড়াতে পারেননি। ২ চার ও ২ ছয়ে ২৬ বলে ৩৩ রান আসে সুরিয়াকুমারের ব্যাট থেকে।

৭ রানে আউট হয়ে যান রোহিত শর্মা। আক্সার প্যাটেলের প্রথম শিকার হয়ে ফেরা আগে কুইন্টন ডি’ককের ব্যাট থেকে আসে ১৯ রান। এরপর সুরিয়াকুমার যাদব এবং সৌরভ তিওয়ারিকেও (১৫) ফেরান আক্সার। ৯ বলে ৬ রানের ইনিংসে থামেন কাইরন পোলার্ড। শেষদিকে হার্দিক পান্ডিয়ার ১৭, ক্রুনাল পান্ডিয়ার অপরাজিত ১৩ এবং জয়ন্ত যাদবের ১১ রানে লড়াকু সংগ্রহ পায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

বল হাতে ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন আক্সার প্যাটেল ও আভেশ খান। এছাড়া অশ্বিন ও নরকিয়ার ঝুলিতে যায় ১টি করে উইকেট।

১৩০ রান তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ওপেন করতে নামেন শিখর ধাওয়ান ও পৃথ্বী শ। স্কোরবোর্ডে ১৫ রান যোগ হতেই ফিরে যান দুই ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে জয়ন্ত যাদবের শেষ বলে রান-আউট হন শিখর ধাওয়ান। শিখর ধাওয়ান ৮ ও পৃথ্বী শ আউট হন ব্যক্তিগত ৬ রানে। তিনে নামা স্টিভ স্মিথ নাথান কোলটার-নাইলের বিধ্বংসী ইয়র্কারে বোল্ড হন ৯ রান করে।

এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক রিশাব পান্ট। ৩টি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ২২ বলে ২৬ রান করেন। আক্সার প্যাটেল ফেরত যান দ্রুতই (৯)। ভয়ংকর হয়ে উঠার আগেই শিমরন হেটমেয়ারকে বিদায় করেন জাসপ্রীত বুমরাহ; ২ চারে ৮ বলে করেন ১৫ রান।

এরপর শ্রেয়াস আইয়ার ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ব্যাটে চড়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছায় দিল্লি। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালসের দরকার ছিল ৪ রান। ক্রুণাল পান্ডিয়ার প্রথম বলেই ছক্কা মারেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। পাঁচ বল বাকি থাকতেই দিল্লির নিশ্চিত হয় ৪ উইকেটের জয়। অশ্বিনের সঙ্গে জুটি বেঁধে শ্রেয়াস আইয়ার অপরাজিত থাকেন ৩৩ রানে। অপরদিকে অশ্বিন করেন ২০* রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ (৪৬তম ম্যাচ)

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সঃ ১২৯/৮ (২০ ওভার) রোহিত ৭, কক ১৯, সুরিয়াকুমার ৩৩, সৌরভ ১৫, হার্দিক ১৭, ক্রুণাল ১৩*; আভেশ ৩/১৫, আক্সার ৩/১৯, নরকিয়া ১/১৯, অশ্বিন ১/৪১

দিল্লি ক্যাপিটালসঃ ১৩২/৬ (১৯.১ ওভার) পৃথ্বী ৬, ধাওয়ান ৮, স্মিথ ৯, পান্ট ২৬, আইয়ার ৩৩*, হেটমেয়ার ১৫, আক্সার ৯, অশ্বিন ২০*; ক্রুণাল ১/১৮, বোল্ট ১/২৪, কোলটার নাইল ১/১৯, বুমরাহ ১/২৯

ফলাফলঃ দিল্লি ক্যাপিটালস ৪ উইকেটে জয়ী

ম্যাচ সেরাঃ আক্সার প্যাটেল (দিল্লি ক্যাপিটালস)।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

চট্টগ্রামে বৃথা গেল তৌহিদ হৃদয়ের অধিনায়কোচিত এক ইনিংস

Read Next

অন্যরকম যুদ্ধ জয়ের গল্প শোনালেন যুব দলের ক্রিকেটার

Total
1
Share