আসন্ন এনসিএলের ইতিবৃত্ত জানালেন হাবিবুল বাশার

আসন্ন এনসিএলের ইতিবৃত্ত জানালেন হাবিবুল বাশার

করোনা বাধা পেছনে ফেলে বেশ ভালো গতিতেই চলছে দেশের সব ধরণের ক্রিকেট মাঠে গড়ানোর প্রচেষ্টা। আগামী মাসে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগও (এনসিএল)। এবারের লিগ সামনে রেখে প্রস্তুতিতেও বেশ ভালো সময় পাচ্ছে দলগুলো। জাতীয় দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জানালেন এনসিএলের আসন্ন আসরে সম্ভাব্য সব পরিকল্পনা সম্পর্কে।

অক্টোবরে ১৫-১৭ তারিখ সময়কালে মাঠে গড়াতে পারে এনসিএল। মাঝে দুই রাউন্ড খেলা হয়ে স্থগিত হওয়া এনসিএল নয় সম্পূর্ণ নতুন একটি লিগই অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে দলগুলোকে ২০-২২ জনের একটি প্রাথমিক স্কোয়াড দেওয়া হয়েছে, চলছে অনুশীলন। তবে মূল দল হবে ১৬ জনের, সাধারণত ১৪ জনের হলেও এবার কোভিড প্রভাবে সংখ্যা বাড়ছে।

আজ (২৬ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাশার বলেন, ‘প্রক্রিয়া ভালো করেই চলছে। আমরা একটু সময় নিয়েই এনসিএল শুরু করছি। দলগুলোকে যথেষ্ট সময় দেওয়া হচ্ছে। সাধারণত দলগুলো প্রস্তুতির খুব একটা সময় পায় না। এবার প্রায় এক মাস সময় থাকছে। ২০-২২ সদস্যের একেকটি প্রাথমিক দল করে দেওয়া হয়েছে। তাদের এখন ফিটনেস ট্রেনিং চলছে।’

আগামী ১ অক্টোবর ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্ট শেষে ৫ অক্টোবর থেকে স্কিল ট্রেনিং শুরু হবে উল্লেখ করে জাতীয় দলের এই নির্বাচক যোগ করেন, ‘১ তারিখ ফিটনেস টেস্ট হবে। আগেরবার অনেকে ফিটনেস টেস্টের আগে নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ পায়নি। এবার সেই সুযোগটা দেওয়া হয়েছে। ফিটনেস টেস্টের পর ১৬ জনের দল করে দিব। সাধারণত ১৪ জনের দল দেই। এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে ২ জন বেশি দিচ্ছি।’

‘স্কিল ট্রেনিং ৫ তারিখ থেকে শুরু হবে। প্রস্তুতির জন্য সবাই যথেষ্ট সময় পাচ্ছে। এই কয়েক মাসে উইকেটগুলোও পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেয়েছে। আশা করছি এবার এনসিএল খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরপরই টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশে আসবে পাকিস্তান। ফলে টেস্ট দলের ক্রিকেটারদের জন্য এনসিএল হতে পারে আদর্শ প্রস্তুতি।

এ প্রসঙ্গে বাশার বলেন, ‘বিশ্বকাপের পরপরই পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ আছে। এটা খেলোয়াড়দের জন্য ভালো সুযোগ। এর আগে এমন হয়েছে- আমরা খুব একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ না পেয়েই টেস্ট খেলতে নেমেছি। প্রস্তুতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের মাঝে অবশ্যই পার্থক্য আছে। এনসিএল আমাদের লাল বলের খেলোয়াড়দের জন্য পাকিস্তান সিরিজের আদর্শ প্রস্তুতি হবে।’

উল্লেখ্য, এবারের জাতীয় লিগের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে দুইটি ভেন্যুতে। কক্সবাজার ও সিলেটে গড়াবে লিগটি। যদিও আদর্শ প্রস্তুতির লক্ষ্যে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পন্থায় ম্যাচ খেলানোকে অগ্রাধিকার দিতে চেয়েছে বিসিবি। তবে বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে ভ্রমণ জটিলতায় ঝুঁকি এড়াতে সে পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে হচ্ছে।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

‘এ’ দলের হয়ে মুশফিকের সঙ্গী হচ্ছেন যারা

Read Next

তথ্য পেয়েছেন আফ্রিদি, বদলে যাচ্ছে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

Total
7
Share