মুস্তাফিজ-তিয়াগির দারুণ ডেথ বোলিং, অবিশ্বাস্য জয় রাজস্থানের

মুস্তাফিজ-তিয়াগির দারুণ ডেথ বোলিং, অবিশ্বাস্য জয় রাজস্থানের

শেষের নাটকীয়তায় ২ রানে জিতল রাজস্থান রয়্যালস। হারতে যাওয়া ম্যাচে জয় এনে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান ও কার্তিক তিয়াগি। ১৯তম ওভারে মুস্তাফিজ, ২০তম ওভারে তিয়াগির দাপুটে বোলিংয়ের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ পাঞ্জাব কিংসের। ম্লান হয়ে গেল আরশদীপ সিংয়ের পাঁচ উইকেট। শেষ ওভারের স্নায়ুযুদ্ধে ২ রানে দলকে জিতিয়ে রয়্যালসের নায়ক কার্তিক তিয়াগি।

শেষ ওভারের নাটক, জয়ের কাছে এসেও পারল না পাঞ্জাব, জিতল রাজস্থান। এই জয়ের সুবাদে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে এল রাজস্থান রয়্যালস। শেষ ওভারে পাঞ্জাবের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৪ রান। দুই উইকেট হারিয়ে পাঞ্জাব তুলে কেবল ১ রান। ২ রানের অবিশ্বাস্য জয় রাজস্থানের।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by cricket97 (@cricket97bd)

দুবাইয়ে টসে জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ব্যাট করতে নেমে অনবদ্য শুরু করেন রাজস্থানের দুই ওপেনার যশস্বী জায়সওয়াল ও এভিন লুইস। তবে তাঁদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৫৪ রানে। ২১ বলে ৩৬ রান করে আরশদীপ সিংয়ের বলে আউট হন লুইস। ব্যাট হাতে ব্যর্থ রাজস্থান অধিনায়ক স্যাঞ্জু স্যামসন (৪)।

অপরপ্রান্তে থেকে নিজের ইনিংস চালিয়ে যান জায়সওয়াল। লিয়াম লিভিংস্টোনকে সঙ্গে নিয়ে একশ পার করেন দলের রান। তবে দলীয় ১১৬ রানে ব্যক্তিগত ২৫ রান করে আরশদীপের শিকার হন লিভিংস্টোন। ফিফটি পূর্ণ হয়নি জায়সওয়ালের; ফিরেছেন ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে। ৪৯ রানের ইনিংস খেলে হারপ্রীত ব্রারের বলে আউট হয়ে প্যাভেলিয়নে ফেরত যান।

এরপর ঝড়ো ইনিংস খেলেন মাহিপাল লোমরর। ১৭ বলে ২টি চার ও ৪ ছয়ে ৪৩ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। এরপর আর কোন রাজস্থানের ব্যাটসম্যান ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি। রিয়ান পরাগ (৪), রাহুল তেওয়াটিয়া (২) ও ক্রিস মরিসকে (৫) শিকার করেন মোহাম্মদ শামি। এরপর চেতন সাকারিয়া ও কার্তিক তিয়াগিকে আউট করে ক্যারিয়ারের প্রথমবার ৫ উইকেট দখলে নেন আরশদীপ সিং। ১৮৫ রানে অলআউট হয়ে যায় রাজস্থান রয়্যালস।

বড় টার্গেটে খেলতে নেমেও উড়ন্ত সূচনা পায় পাঞ্জাব কিংস। তবে দলীয় ১২০ রানের মাথায় ১ উইকেট হারায় পাঞ্জাব। নিশ্চিত হাফ-সেঞ্চুরি হাতছাড়া লোকেশ রাহুলের। তাঁরও আক্ষেপ কেবল ১ রানের। ৩৩ বলের ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় খেলেন ৪৯ রানের ইনিংস।

এরপর মায়াঙ্ক আগারওয়ালকেও উইকেটে বেশিক্ষণ থাকতে দেয়নি চেতন সাকারিয়া। ব্যক্তিগত ৬৭ রানে ক্যাচ তুলে লিভিংস্টোনের হাতে ধরা পড়েন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো তাঁর এই ইনিংস।

শেষ ওভারে আউট হলেন নিকোলাস পুরান। ৩২ রান করে মাঠ ছাড়লেন তিনি। পুরান আউট হওয়ার পর দীপক হুদা একটি বল মিস করে পরের বলে আউট হন। শেষ বলে রান না দিয়ে দলকে স্মরণীয় জয় এনে দেন কার্তিক তিয়াগি।

১৯ তম ওভারে ৪ রান দেওয়া মুস্তাফিজ ৪ ওভারে ৩০ রান খরচে থাকেন উইকেট শুন্য। যদিও ২ টি উইকেটের সুযোগ তৈরি করেছিলেন তিনি, ক্যাচ ছাড়েন ফিল্ডাররা।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by cricket97 (@cricket97bd)

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

রাজস্থান রয়্যালসঃ ১৮৫/১০ (২০ ওভার) লুইস ৩৬, জায়সওয়াল ৪৯, স্যামসন ৪, লিভিংস্টোন ২৫, লোমরর ৪৩; আরশদীপ ৫/৩২, শামি ৩/২১, হারপ্রীত ১/১৭, পোরেল ১/৩৯

পাঞ্জাব কিংসঃ ১৮৩/৪ (২০ ওভার) রাহুল ৪৯, আগারওয়াল ৬৭, মার্করাম ২৬*, পুরান ৩২, দীপক ০; সাকারিয়া ১/৩১, তেওয়াটিয়া ১/২৩, কার্তিক ২/২৯

ফলাফলঃ রাজস্থান রয়্যালস ২ রানে জয়ী

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

বহুল আলোচিত বিসিবি নির্বাচন আগামী ৬ অক্টোবর

Read Next

অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিলেন মুস্তাফিজ-তিয়াগি

Total
1
Share