যুব দলের আরও বেশি সতীর্থকে জাতীয় দলে পাওয়ার আশা শামীমের

আকবর আলি শামীম হোসেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯

যুব বিশ্বকাপ জয়ের দেড় বছরের মাথায় জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডাক পেলেন শামীম হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। অলরাউন্ডার শামীম বলছেন ভবিষ্যতে যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের আরও ক্রিকেটার জাতীয় দলে আসবে।

আকবর আলির নেতৃত্বাধীন যুব দলটির বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার নজর কেড়েছেন। নিজেদের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েই আছেন পাইপলাইনে। দলটির বেশিরভাগ সদস্য আছেন হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের নার্সিংয়ে। যাদের মধ্যে পারভেজ হোসেন ইমন, শাহাদাত হোসেন দিপু, তানজিদ হাসান তামিম অন্যতম।

তবে ইতোমধ্যে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপিয়ে ফেলেছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম ও শামীম হোসেন। যদিও প্রথমবার জাতীয় দলের কোনো স্কোয়াডে ডাক পান শরিফুল ও পারভেজ হোসেন ইমন।

গত জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৪ সদস্যের প্রাথমিক দলে ছিলেন দুজনেই। যদিও মূল দলে শেষ পর্যন্ত টিকে যান শরিফুল। ফলে শরিফুলই যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের প্রথম সদস্য হিসেবে জাতীয় দলের মূল স্কোয়াডে ডাক পান।অবশ্য অভিষেকের অপেক্ষা খানিক বাড়ে, পরের নিউজিল্যান্ড সফরে টি-টোয়েন্টি দিয়ে অভিষেক। এরপর খেলেছেন ৩ ফরম্যাটেই, হয়ে উঠেছেন দলের অন্যতম সদস্য।

এদিকে গত জিম্বাবুয়ে সফরে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে সুযোগ মেলে শামীম হোসেনের। ছিলেন অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও। এবারতো টিকিট পেয়ে গেলেন আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেরও। বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় নিজের আনন্দের কথাও জানান শামীম।

তিনি বলেন,

‘যখন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলি, তখন জাতীয় দল অত মাথায় ছিল না। খেলাতেই ফোকাস ছিল। আর চিন্তা ছিল যে যত তাড়াতাড়ি জাতীয় দলে আসা যায়। তাই এখন আল্লাহর রহমতে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছি, অনেক আনন্দিত আমি।’

যুব দলের সতীর্থ শরিফুলের সাথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা প্রসঙ্গে তরুণ এই ক্রিকেটার যোগ করেন,

‘আমরা অনুর্ধ্ব-১৯ দলের দুইজন সদস্য আছি। শরিফুল আছে এবং আমি আছি। এটা অনেক আনন্দের বিষয়। আশা করি আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে থেকে আরও ক্রিকেটার জাতীয় দলে আসবে।’

 

View this post on Instagram

 

A post shared by cricket97 (@cricket97bd)


ইতোমধ্যে ৬ টি-টোয়েন্টি খেলে ৫ ইনিংসে ৭০ রান করা শামীম অবশ্য বুঝে গেছেন বয়সভিতিক ও জাতীয় দলের পার্থক্য,

‘অনূর্ধ্ব-১৯ দল আর জাতীয় দলের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আমরা যখন অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলি তখন প্রতিপক্ষের বোলাররা ১৩৫ এর আসে পাশে বোলিং করে। ১৪০ খুব কমই বোলিং করে।’

‘জাতীয় দলে যখন খেলি তখন বেশিরভাগ সময় ১৪০ থেকে ১৪৫ গতির বল খেলতে হয়। আবার ১৫০ এ খেলতে হয়। এখানে অনেক পরিবর্তন থাকে। সবকিছুই পরিবর্তন হয়। ক্রাউড, ফ্যান সব কিছুই অনেক ভিন্ন মনে হয়।’

এদিকে আজ (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্বকাপ দল ঘোষণার পর প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু অবশ্য শামীমের প্রতি পূর্ণ আস্থাই রেখেছেন,

‘অবশ্যই আমাদের জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে সে (শামীম) আছে। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটার, এইচপির হয়ে সে যথেষ্ট নার্সিং হয়েছে এবং আমরা আত্মবিশ্বাসী যে ও স্টাইলে খেলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যথেষ্ট ভাল খেলবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শেষ ম্যাচে বিশ্রামে সাকিব-মুস্তাফিজ, ছেড়েছেন হোটেল

Read Next

বিশ্বকাপের জন্য পূর্ণশক্তির আয়ারল্যান্ড দল ঘোষণা

Total
13
Share