কিউইদের বিপাকে পড়ার কারণ দেখালেন সাইফউদ্দিন

featured photo updated v 1

মিরপুরের উইকেটে স্পিনারদের সাথে ঝলক দেখাচ্ছে বাংলাদেশী পেসাররাও। কীভাবে উইকেটের সাহায্য কাজে লাগাচ্ছেন তা জানালেন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। স্পিনের বিপরীতে পেসারদের উপর চড়াও হতে গিয়েই ভুল করছে প্রতিপক্ষ, বলছেন এই অলরাউন্ডার।

অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডকেও স্পিন উইকেটে বিধ্বস্ত করছে বাংলাদেশ। তবে উইকেটের সাহায্য নিয়ে কৌশলী বোলিংয়ে টাইগার পেসাররাও আদায় করছে ফায়দা। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে স্পিনারদের সাথে মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম যা করেছেন তা দুর্দান্ত।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে সেটি দেখিয়েছেন মুস্তাফিজ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। কিউইদের ৬০ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পথে মুস্তাফিজ-সাইফউদ্দিনের শিকার ৫ উইকেটে।

শুরুটা স্পিনাররা করলেও মাঝে সাইফউদ্দিনের ২ উইকেট ও শেষে মুস্তাফিজের টানা ৩ উইকেট।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্লোয়ার, কাটারে অবিশ্বাস্য বোলিং করেছেন মুস্তাফিজ। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারা অজিরা মুস্তাফিজকে ভুলতে পারবেনা সহজে। একই পথে হেঁটে সসফল হন শরিফুলও।

গতকাল (১ সেপ্টেম্বর) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অবশ্য শরিফুল একাদশে ছিলেন না। সুযোগ পাওয়া সাইফউদ্দিন তুলে নেন ২ উইকেট, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে মাঠে নেমে শিকার ৩ উইকেট।

মন্থর আর স্পিন বান্ধব উইকেটে কীভাবে সফল হচ্ছেন তা জানাতে গিয়ে বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় সাইফউদ্দিন আজ (২ সেপ্টেম্বর) বলেন, ‘আসলে মিরপুর আমাদের চেনা কন্ডিশন। আমার ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ ম্যাচই আমি এখানে খেলেছি। তো স্পিন উইকেট হওয়াতে আমাদের পেস বোলারদের জন্য সুবিধা হচ্ছে, কারণ কাটার ধরছিল।’

‘স্পিনের বিপক্ষে রান না পাওয়ায় ওরা আমাদের (পেসার) বিপক্ষে চান্স নিতে চেয়েছিল। এ কারণে আমরা উইকেট নিতে পেরেছি। এজন্য আমাদের জন্য উইকেট বের করার ভাল একটা সুযোগ।’

‘পেস বোলার হিসেবে আমাকে সব কন্ডিশন ও উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ চিন্তা করি, তো এখন আমাদের সামনে যে উইকেট ওই কন্ডিশন অনুযায়ী বল করার চেষ্টা করি।’

তবে আগামীকাল (৩ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে পিচের ধরণে পরিবর্তন আসলে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করবেন বলছেন আই অলরাউন্ডার, ‘পরের ম্যাচে যদি পিচের চরিত্র বদল হয় তবে সে অনুযায়ী আমরা বাউন্সার, স্লোয়ার, ইয়র্কার বা ওয়াইড ইয়র্কার; এসবের দিকে যাব। যেহেতু এখানে কাটারটা বেশি কার্যকরী তাই এখন এটার চেষ্টা করতেছি।’

‘পরের ম্যাচগুলোয় যদি উইকেট চেঞ্জ হয় তখন ব্যাক অব লেন্থে জোরে বল করার চেষ্টা করবো। আমাদের বোলিং কোচ বা হেড কোচ যখন যে পরিকল্পনা দেয় আমরা সেভাবেই বল করার চেষ্টা করি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

নতুন চুক্তিতে এ প্লাস ক্যাটাগরির ক্রিকেটার পাচ্ছেন মাসিক ৮ লাখ টাকা

Read Next

পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড সিরিজে গ্যালারিতে থাকছে দর্শক

Total
1
Share