বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরে গর্ব করতে চান হামিশ বেনেট

বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরে গর্ব করতে চান হামিশ বেনেট

ঘরের মাঠে বাংলাদেশ বরাবরই দুর্দান্ত দল। অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারিয়ে সেটা আরেকবার প্রমাণ দিয়েছে। এবার অপেক্ষা নিউজিল্যান্ডের, কিউইরা অবশ্য এসেছে খর্ব শক্তির দল নিয়ে। যাদের একজনও নেই আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে। তবে এমন দল নিয়েই সিরিজ জিতে দেশে ফিরে গর্ব করতে চান পেসার হামিশ বেনেট।

ঘরের মাঠে বাংলাদেশ কতটা কঠিন প্রতিপক্ষ সেটা নিউজিল্যান্ড বেশ ভালো করেই জানে। পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে বাংলাদেশে এসেও সর্বশেষ দুই ওয়ানডে সিরিজে হয়েছে ধবল ধোলাই।

২০১৩ সালের পর আবার বাংলাদেশে এসেছে কিউইরা। এবার টি-টোয়েন্টি খেলতে আসলেও নিজেদের দ্বিতীয় সারির দল নিয়েই এসেছে সফরকারীরা। টম ল্যাথামের নেতৃত্বাধীন স্কোয়াডে অভিষেকের অপেক্ষায়ই আছেন তিনজন।

এমনিতে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে এসেও নাকানি চুবানি খাচ্ছে নিউজিল্যান্ড। আর এটাকেই বাড়তি অনুপ্রেরণা বলছেন পেসার হামিশ বেনেট। তার মতে এখান থেকে জয় পাওয়াটা হবে দুর্দান্ত ব্যাপার। বিশেষ করে কন্ডিশন বিবেচনায় সিরিজ জেতাটা হবে বেশ গর্বের।

২০১০ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে ৪-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারা দলে ছিলেন বেনেট। গতকাল (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশে পৌঁছে বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছে নিউজিল্যান্ড দল। সেখান থেকেই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন ডানহাতি এই পেসার।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে একসাথে একটা দল হিসেবে এসেছি এবং দেশের হয়ে কাজ করছি। আমি এর আগেও বাংলাদেশে এসেছি এবং ৪-০ ব্যবধানে হেরে গিয়েছি। এখানে আমাদের খুব বেশি সাফল্য নেই। আর এটাই আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা।’

‘আমরা নিউজিল্যান্ডে ফিরে বলতে চাই যে আমরা বাংলাদেশে সিরিজ জিতে এসেছি। বিশেষ করে আপনি যখন দেখবে অস্ট্রেলিয়ার অনেকটা মূল দল এসেও বাংলাদেশে সংগ্রাম করে গেছে। এছাড়া অন্য বড় দলগুলোও বাংলাদেশে এসে ভুগেছে।’

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে দেখে বাংলাদেশের অ্যাপ্রোচ সম্পর্কে ধারণা হয়েছে ঠিকই। তবে মাঠে এমন কন্ডিশনে খেলা যে কঠিন হবে সেটা অস্বীকার করেননি ৩৪ বছর বয়সী এই পেসার।

তার ভাষ্যমতে, ‘এটা মজা আর খেলা (অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ)। আমি মনে করি এখানেও একই অবস্থা হবে। আমরা অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজের প্রতি কৃতজ্ঞ যে বুঝতে পেরেছি কীভাবে বাংলাদেশ আমাদের জন্য পরিকল্পনা সাজাচ্ছে।’

‘কিন্তু একটা জিনিস হল আমরা জানি তারা কি করতে যাচ্ছে আরেকটা জিনিস হল এই কন্ডিশনে খেলা। আমাদের হাতে প্রস্তুতির জন্য ৪-৫ দিন থাকবে যে কীভাবে আমরা গেম প্ল্যান সাজাবো এবং এ ধরণের উইকেটে মানিয়ে নিব।’

২৭ আগস্ট থেকে অনুশীলনের সুযোগ পাবে বর্তমানে হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ১ সেপ্টেম্বর মাঠে গড়াবে ৫ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শাহীন শাহ-ফাওয়াদের ক্যারিয়ার সেরা র‍্যাংকিং অবস্থান

Read Next

অন্যের চোটের অপেক্ষায় থাকা হামিশ বেনেট বাংলাদেশে কাজ এগিয়ে রাখতে চান

Total
2
Share