যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডে আমন্ত্রণ পায়না বাংলাদেশ

যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডে আমন্ত্রণ পায়না বাংলাদেশ

সময়ের সাথে সাথে বাংলাদেশ পরিণত হচ্ছে ক্রিকেট পরাশক্তিতে। তবে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মত দেশগুলোতে এখনো সেভাবে আমন্ত্রণ পাচ্ছে না টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ঐতিহাসিক সিরিজ শেষে বাংলাদেশের সে সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে বলছেন বিশ্লেষকরা। তবে বিসিবির জোর দাবি এই সিরিজের পর নয় আগেই নিয়মিত আমন্ত্রণ প্রাপ্য ছিল টাইগারদের।

ঘরে বাইরে বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় ব্যস্ততা বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। তবে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার আমন্ত্রণ যেন বহু দূরের পথই রয়ে গেছে। সর্বশেষ ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ২০১০ সালে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডে গিয়েছিল বাংলাদেশ।

তবে সেদিক থেকে বেশ প্রশংসার দাবিদার নিউজিল্যান্ড। ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল সময়কালেই ৩ বার দেশটিতে সফর করেছে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়া শুধু নিজেদের দেশে আমন্ত্রণ জানানো নয় বাংলাদেশ সফরের আগে প্রতিবারই টালবাহানা করে আসছে। অথচ বাংলাদেশে এসে ২০১৭ সালে টেস্ট হারের পর সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারলো ৪-১ ব্যবধানে। ইংল্যান্ডও ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে টেস্ট ও ওয়ানডে হেরেছে।

তবে এত কিছুতেও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর পথে হাঁটেনি। অস্ট্রেলিয়াকে সম্প্রতি বিধ্বস্ত করার পরই এ আলোচনা আবারও ডাল পালা মেলেছে। বলা হচ্ছে এবার বুঝি বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডেও ডাক পাবে।

তবে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসের মতে এই সিরিজের পর নয়, আগে থেকেই আমন্ত্রণ প্রাপ্য ছিল বাংলাদেশের।

আজ (১৫ আগস্ট) মিরপুরে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা আগেও ডিজার্ভ করি। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডে গিয়ে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলাটা আমরা আগে থেকেই ডিজার্ভ করি। এখন খেলে যে আমাদের প্রমাণ দিতে হবে তা না। প্রমাণ কিন্তু আমরা আগেই দিয়েছি। ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কিন্তু খুবই কঠিন।’

‘আপনি এক বছর ভালো খেলবেন কিন্তু পরের বছর আপনার ভালো নাও হতে পারে। এটা কিন্তু মাপকাঠি না। মাপকাঠি হল যারা খেলছে তাদের শক্তিমত্তা কতটুকু। আমাদের প্যাশন কেমন, বাংলাদেশের ক্রিকেট কোথায় আছে এসব।’

‘এমন নয় যে প্রতি বছর পারফর্ম করার পর ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া আমাদের ডাকবে। আমরা সেদিকে তাকিয়ে নেই। যেকোনো জায়গায় গিয়ে খেলার যোগ্যতা আমাদের আগেও ছিল, এখনও আছে। আমাদের সে সামর্থ্যও আছে। হয়ত তাদের দেশে সিরিজ কঠিন হয়। নিউজিল্যান্ডে সর্বশেষ সিরিজ কঠিন ছিল। কিন্তু আরেকবার সুযোগ পেলে ভালো করব। আমাদের যাওয়া কিন্তু বন্ধ করা যাবেনা।’

ধারণা করা হয় বাংলাদেশকে ডেকে নিয়ে সিরিজ খেললে সম্প্রচার স্বত্ব সহ নান দিক থেকে আয়ের পাল্লাটা খুব বেশি ভারী হয়না বড় দলগুলোর। তবে এমন কিছুতেও ঘোর আপত্তি জালাল ইউনুসের। তার মতে আমন্ত্রণ জানাতে প্রয়োজন স্বদিচ্ছার।

তিনি বলেন, ‘এখন ব্রডকাস্ট কোনো ইস্যু না। স্বদিচ্ছা থাকলে ইনভাইট করতে পারে। আমি মনে করি যেসব জায়গায় দ্বিপাক্ষি সিরিজ খেলতে আমরা যাচ্ছিনা সেসব জায়গায় কিন্তু তারা আমাদের ডাকতে পারে। আমি আবারও বলছি এটা আমরা ডিজার্ভ করি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্তও টিকে যাচ্ছেন ডোমিঙ্গো

Read Next

স্কোয়াড ইস্যুতে আইসিসির সিদ্ধান্তে বিসিবির অসন্তোষ

Total
7
Share