বোলিং নিয়ে বিশ্বকাপে আশাবাদী সাকিব

বোলিং নিয়ে বিশ্বকাপে আশাবাদী সাকিব

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের যেসব সূচি নিশ্চিত তাতে বাকি কেবল নিউজিল্যান্ড সিরিজ। নিউজিল্যান্ডের পরই ইংল্যান্ড আসার কথা থাকলেও তা স্থগিত হয়েছে ২০২৩ সাল অবধি। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে জেতা টি-টোয়েন্টি সিরিজ বিশ্বকাপে কাজে দেবে বিশ্বাস সাকিব আল হাসানের। বিশেষ করে বোলিং নিয়ে বেশ আশাবাদী টাইগার অলরাউন্ডার।

মিরপুরের মন্থর উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে স্পিনার ও পেসাররা কঠিন পরীক্ষাই নিয়েছে অজিদের। সাকিব সহ নাসুম আহমেদ, শেখ মেহেদীরা ঘূর্ণি জাদু দেখালেও পেসার মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনরাও ছিলেন কার্যকর।

বিশেষ করে মুস্তাফিজ-শরিফুল স্লোয়ার-কাটারে প্রতি ম্যাচেই বোকা বানিয়েছেন মিচেল মার্শ, ম্যাথু ওয়েড, অ্যালেক্স ক্যারিদের। মুস্তাফিজের কাটার খেলতে না পেরে প্রতি ম্যাচ শেষেই অসহায়ত্বের জানান দেন অজি ব্যাটসম্যানরা।

সিরিজে দুই দল মিলে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ বাংলাদেশের ১৩১। ১২০-৩০ রানের পুঁজিতেই ম্যাচের ফল পেয়েছে বাংলাদেশ (৪) ও অস্ট্রেলিয়া (১)। টাইগার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাকে এক পাশে রেখে সাকিব বলছেন বোলাররা এই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে অনুষ্ঠিতব্য টি-তোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ভালো করবে দল।

ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেন, ‘অবশ্যই সন্তুষ্টি আছে। হয়তো প্রতি ম্যাচেই আমরা ১০-১৫ রান করে বেশি করতে পারতাম। একটা সময় ছিল, যেখানে এটা সম্ভব ছিল। তবে সেটা বলার পরও, উইকেট এতটাই কঠিন ছিল যে নতুন ব্যাটসম্যানের জন্য খুবই কঠিন ছিল। আসলে তাই ব্যাটসম্যানদের নিয়ে বলার কিছু নাই। আর একটা সিরিজ দিয়ে কাউকে বিচার করা ঠিক হবে না, কারণ কন্ডিশন খুব কঠিন ছিল ব্যাটসম্যানদের জন্য।’

‘সব মিলিয়ে বোলিং আমরা প্রতিটি ম্যাচেই খুব ভালো করেছি। আমার কাছে মনে হয়, পাঁচটি ম্যাচে বোলিংয়ের যে ধারাবাহিকতা ছিল, এটা যদি ধরে রাখতে পারি বিশ্বকাপ পর্যন্ত, আমাদের পক্ষে ভালো কিছু করা সম্ভব। স্কোরকার্ড দেখে হয়তো অতটা আত্মবিশ্বাসী মনে নাও হতে পারে। তবে জিম্বাবুয়ে সিরিজ জয়, এখানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়, এরপর নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে আছে, এসব আমাদের অনেক আত্মবিশ্বাস জোগাবে বিশ্বকাপের দিকে এগিয়ে চলার পথে।’

‘আমার মনে হয় ভালো প্রস্তুতিই হবে। যদিও ব্যাটসম্যানদের আন্ডারে হয়তো অতবেশি রান হবে না, যেহেতু আমরা মন্থর, নীচু বাউন্স ও টার্নিং উইকেটে খেলছি। কিন্তু দলের জয়ই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই আত্মবিশ্বাসটা থাকলে দলের ভেতর মোরাল অনেক ভালো থাকে এবং জেতার যে মানসিকতা, তা তৈরি হয়।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

সাকিব ‘মানুষই’, তবে প্রভাবিত হন না সমালোচনায়

Read Next

বাংলাদেশ থেকে বেশি কিছু নিতে পারছেন না ম্যাথু ওয়েড

Total
26
Share