মুস্তাফিজের কাছ থেকে কাটার রপ্ত করছেন শরিফুলও

মিরপুরে অজিদের বিপক্ষে টাইগারদের 'ব্যাক টু ব্যাক' জয়

মিরপুরের মন্থর উইকেটের সাহায্য নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অসাধারণ বোলিংয়ে মেতে উঠেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। কাটার-স্লোয়ারে দিশেহারা করছেন অজিদের, তবে কম যান না আরেক বাঁহাতি শরিফুল ইসলামও। মুস্তাফিজের কাছ থেকে কাটার শেখার চেষ্টা করলেও এখনো অবশ্য ম্যাচে প্রয়োগ করছেন না।

৪ ম্যাচে মুস্তাফিজ উইকেট নিয়েছেন ৭ টি, তবে প্রভাব রেখেছেন তার চাইতে বেশি। ১৬ ওভার বল করে ডটই দিয়েছেন ৫৬ টি। তৃতীয় ম্যাচে উইকেট না পেলেও গুরুত্বপূর্ণ ১৯তম ওভারে ১ রান দিয়ে চমক দেখান। ম্যাচে দেননি ৯ রানের বেশি। গতকাল দল হারলেও মুস্তাফিজ ছাড়িয়ে গেছেন নিজেকে, ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ ৯ রান খরচায় উইকেট ২ টি।

মুস্তাফিজের স্লোয়ার-কাটারে কখনো তাকে বাঁহাতি স্পিনার, কখনো লেগ স্পিনার রাশিদ খান বলতে বাধ্য হচ্ছে অজিরা। নানা পরিকল্পনা করেও মাঠে সমাধান খুঁজে পাচ্ছে না।

মুস্তাফিজের সাথে সিরিজে দারুণ ভূমিকা রাখছেন শরিফুল ইসলামও। এই বাঁহাতি অবশ্য স্লোয়ারেই মনযোগ দিয়েছেন। উইকেটের সুবিধা নিয়ে সফরকারীদের বোকা বানাচ্ছেন। ৪ ম্যাচে তারও উইকেট ৭ টি। সতীর্থ মুস্তাফিজের কাছ থেকে কাটার শিখছেন বলছেন এই বাঁহাতি।

আজ (৮ আগস্ট) বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘মুস্তাফিজ ভাইয়ের কাছে আমি শিখার চেষ্টা করছি যে উনি কিভাবে কাটার দেন। আমি এখনও চেষ্টা করছি অনুশীলনে। কিন্তু ম্যাচে এখনও এটা চেষ্টা করিনি। উনার সিস্টেমটা একদমই ভিন্ন ধরনের।’

‘আমি শিখছি। আর উনি বলেন যে মিরপুরে ডানহাতিদের জন্য কাটারটা খুবই বিপদজনক। কারণ হালকা থেমে একটু টার্ন করে স্পিনারদের মতো। তো উনি এটাও বলেছেন যে কাটারটা বেশি বেশি ব্যাবহার করত পারি।’

মুস্তাফিজকে দেখেই ক্রিকেটার হতে চাওয়া শরিফুলের। সময়ের বিবর্তনে ঘরোয়া লিগ ও জাতীয় দলেও এখন খেলছেন সতীর্থ হয়ে। জুটি বেঁধে বোলিং করাটাও উপভোগ করেন যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের এই সদস্য।

শরিফুল বলেন, ‘আমি শেষ বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ খেলেছি মুস্তাফিজ ভাইয়ের সাথে। এরপর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলেছি এবং এখন জাতীয় দলে খেলছি। উনার সাথে বোলিং করার মজাই আলাদা। উনি সবসময় ইতিবাচক কথাই বলেন। ব্যাটসম্যানকে খুব জলদি পড়তে পারেন। কোনটা করা উচিত-ভালো, কোনটা করা উচিত না, এটা বলে।’

‘আমি যখন বোলিংয়ে আসি তার আগেই আমাকে বলে দেয় কি করা উচিত। এই হিসেবে, এমন কিছু একজন অভিজ্ঞ কেউ যদি বলে দেন, আমি তো এতটা অভিজ্ঞ না আর উনি এখন বড় মাপের ক্রিকেটার, তো তার পরামর্শগুলো নিল খুব সহজ হয়। আমি নিজেও অনেক সময় তাকে ডাকি পরামর্শের জন্য।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

অজিদের মতই সুবিধা পাবেন কিউইরা

Read Next

যে দু’টি বড় স্বপ্ন রয়েছে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার

Total
5
Share