আফিফকে চাপমুক্ত ইনিংস খেলতে সাহায্য করেছে যা

আফিফকে চাপমুক্ত ইনিংস খেলতে সাহায্য করেছে যা

সিরিজ শুরুর আগেই অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নিজেদের টি-টোয়েন্টি দলকে ভালো বলতে গিয়ে মিড ও লোয়ার মিড অর্ডার শক্ত হওয়াকে তুলে ধরেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিপর্যয়ে পড়া দলকে টেনে তুলে জয় এনে দিয়ে সেটির প্রমাণ দিলেন আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসান সোহান। ম্যাচ সেরার পুরষ্কার জেতা আফিফ জানালেন চাপের মুহূর্তে কিভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে খেলেছেন।

১২২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৬৭ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। জয়ের জন্য তখনো প্রয়োজন ৫২ বলে ৫৫ রান। দলের চাপ কমিয়ে যে কাজটা দারুণভাবে করেছেন আফিফ ও সোহান।

অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন আফিফ, ক্রিজে এসে হারান শেখ মেহেদীকে। সেখান থেকে সোহানের সাথে ৫৬ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি, দল জিতেছে ৫ উইকেট ও ৮ বল হাতে রেখে।

৩১ বলে ৫ চার ১ ছক্কায় ৩৭ রানে আফিফ ও ২১ বলে ৩ চারে ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন সোহান।

ম্যাচ শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আফিফ বলেন মাঠে নামার সময় রিয়াদের বার্তা মেনেই ব্যাট করেছেন। অন্য প্রান্তে সোহানের সমর্থন কাজে দিয়েছে নির্বিঘ্ন ব্যাটিংয়ে।

এই তরুণ ব্যাটসম্যান বলেন, ‘মাঠে নামার সময় রিয়াদ ভাইয়ের থেকে একটিই ম্যাসেজ ছিল যে যাওয়ার পর যেন দুই-তিন ওভার নরমাল খেলি। আমার পরিকল্পনা ছিল যেন যেন শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকতে পারি এবং ম্যাচটা শেষ করে আসতে পারি।’

‘সোহান ভাই খুবই ভালো ব্যাট করেছে। আমাদের দুজনের পরিকল্পনা ছিল যে উইকেট দেব না। বল টু বল রান দরকার ছিল তখন। তো উইকেট না দিয়ে রান কিভাবে করা যায়, সেই চেষ্টা করছিলাম। অপর পাশ থেকে ভালো সমর্থন পাওয়ায় আমরা কোনো চাপ অনুভব করিনি।’

ক্রিজে এসে উইকেট বোঝার চেষ্টা করেছেন, ধীরে ধীরে লক্ষ্য স্থির করেছেন শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার। আর সেটি হলেই যে দল জেতাতে পারবেন সেই বিশ্বাস তো ছিলই।

আফিফ বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে নামার পর চেষ্টা করেছি উইকেট অ্যাসেস করার। উইকেটের আচরণ কেমন, সেটা খেয়াল রেখে যেন উইকেট না দিয়ে থাকতে পারি (ক্রিজে).. শেষ পর্যন্ত যদি খেলতে পারি, আমার বিশ্বাস ছিল যে প্রয়োজনীয় রেটই থাকুক না কেন, আমি ভালোভাবে শেষ করতে পারব।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আফিফ-সোহানকে প্রশংসায় ভাসালেন অধিনায়ক

Read Next

টুইটারে প্রশংসা বন্যায় ভাসছেন আফিফ-সোহানরা

Total
18
Share