সিরিজ সেরা হওয়া সৌম্যের ভালো লাগা অনুভূতি

সিরিজ সেরা হওয়া সৌম্যের ভালো লাগা অনুভূতি

ব্যাটে-বলে দারুণ এক সিরিজ কাটলো সৌম্য সরকারের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ সেরার পুরষ্কারও পেয়েছেন। দুই ম্যাচে দলের জয় দারুণ ভূমিকা রেখে তৃপ্তির কথা জানালেন সৌম্য।

জিম্বাবুয়ে সফরে শুধু টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন। ব্যাট হাতে দুই ফিফটিতে ১২৬ রান , বল হাতে ৩ উইকেট। বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করেছে। জয় পাওয়া দুই ম্যাচেই হাঁকিয়েছেন ফিফটি।

লিটন দাসের চোটে প্রথম ম্যাচ থেকেই ওপেনিংয়ে উন্নতি হয়। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৫০ রানের ইনিংস খেলার পথে নাইম শেখের সাথে শতরানের রেকর্ড জুটি। বল হাতেও তুলে নেন এক উইকেট।

দ্বিতীয় ম্যাচে দল হেরেছে, মলিন ছিল সৌম্যের পারফরম্যান্স (ব্যাট হাতে ৮ ও বল হাতে ১৬ রানে উইকেট শূন্য)। তবে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে গতকাল (২৫ জুলাই) আবারও জ্বলে উঠলেন। ৪৯ বলে ৬৮ রানের পাশাপাশি ১৯ রান খরচায় দুই উইকেট।

১৯৪ রান টপকে জয়ের পথটা মসৃণ হয়েছে সৌম্যের ম্যাচ সেরার পুরষ্কার জেতা পারফরম্যান্সে। জয় পাওয়া দুই ম্যাচেই ম্যাচ সেরা, হয়েছেন সিরিজ সেরাও। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথম ৪৮ ম্যাচে এক ফিফটি, তবে শেষ ৮ ম্যাচেই হাঁকিয়েছেন ৪ ফিফটি।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে ম্যাচ শেষে সৌম্য বলেন, ‘অনুভূতি ভালো, ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছি। ভালো খেলেছি, এটাই সবচেয়ে বড়। পজিশন নিয়ে চিন্তা করিনি, চিন্তা করেছি নিজের সেরা দিতে এবং যখন সুযোগ পাব, নিজের সেরাটা দিতে পারলে আমার জন্য খুব ভালো হবে। ওইটাই সবসময় মাথায় ছিল।’

নিজের গতকালকের ইনিংসের ব্যাখ্যায় ২৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার যোগ করেন, ‘নতুন বল একটু আস্তে-জোরে এবং নিচে-ওপরে হচ্ছিল। তখন ভেবেছিলাম এখনই জোরাজুরি না করে পরে সময় আসবে, তখনকার জন্য অপেক্ষা করি। একটা বড় ওভার আসলেই ম্যাচ আমাদের দিকে আসবে। আর প্রত্যেক ওভারে একটা করে বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করছিলাম।’

পার্ট টাইম বোলার হয়েও অবদান রাখা প্রসঙ্গে তার ভাষ্য, ‘বোলিং তো প্রায়ই করা হয়। ফিল্ডিংয়েও সবসময়ই চেষ্টা করি নিজের সেরাটা দেওয়ার। বোলিং পেয়েছি যে কয় ওভার, চেষ্টা করেছি সেখানেও সেরাটা দেওয়ার।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

শামীম হোসেনের আক্ষেপ ঘোচানো জয়

Read Next

টি-টোয়েন্টিতেও জয়ে শুরু ভারতের

Total
1
Share