শামীম হোসেনের আক্ষেপ ঘোচানো জয়

featured photo updated v 8

বয়সভিত্তিক আর ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিনিশার ভূমিকায় নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েই জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন শামীম হোসেন। যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের এই সদস্য জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক সিরিজেই তাক লাগিয়ে দিলেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। অভিষেক ম্যাচেই সুযোগ ছিল নায়ক হওয়ার, নিজে ভালো খেলেও জেতাতে পারেননি। গতকাল শেষ টি-টোয়েন্টিতে দলের জয়ে ফিনিশার হিসেবে সফল হয়ে জানালেন ভালো লাগার কথা।

সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক, দলের কঠিন পরিস্থিতিতে নামতে হয়েছে। তবে ১৩ বলে ২৯ রানের ইনিংসে দেখিয়েছেন ভয়ডরহীন ক্রিকেটের ছাপ। দল জেতানোর সুযোগ থাকলেও তরুণ এই ব্যাটসম্যানকে থামতে হয় আগেই।

তবে ২৫ জুলাই বেশ বড় লক্ষ্য তাড়ায় নামা বাংলাদেশের হয়ে দারুণভাবে কাজ শেষ করেছেন। ১৯৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৫০ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় টাইগাররা। সৌম্য সরকারের গড়ে দেওয়া ভীতে শামীম যখন ক্রিজে আসেন তখনো প্রয়োজন ২৬ বলে ৪৪।

সেখান থেকে শামীম ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৩৭ রানের জুটিতে ম্যাচ চলে আসে হাতের মুঠোয়। রিয়াদ ৩৪ রান করে ফিরলে, শামীম ১৫ বলে ৬ চারে ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন দলকে ৪ বল আগেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে।

ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শামীম বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল লাগছে যে গত ম্যাচে শেষ করতে পারিনি। তাই মনে রেখেছিলাম পরের ম্যাচটাই সুযোগ পেলে আমার লক্ষ্য থাকবে শেষ করে আসা। সেই সুযোগটা পেয়ে আমি সফলও হয়েছি তাই অনেক ভাল লাগছে।’

রিয়াদের সাথে জুটিতে আলাপ সম্পর্কে এই তরুণ আরও যোগ করেন, ‘রিয়াদ ভাই আমাকে বলছিল যে ওভারে ১০ করে আসলে ম্যাচটা সহজে চলে আসবে। একটা বাউন্ডারি বা একটা ছয় আসলেই হবে। আমি সেই পরিকল্পনা ধরে খেলেছি।’

সৌম্য সরকার ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৬৩ রানের জুটিতেই রেকর্ড গড়া জয়ের ভিত্তি শক্ত হয়েছিল। ড্রেসিং রুমে বসে শামীম তখনই জয়ের দৃশ্যপট এঁকে ফেলেন।

এ প্রসঙ্গে তরুণ এই ক্রিকেটার বলেন, ‘যখন সৌম্য-রিয়াদ ভাই ব্যাটিং করছিল তখন সব পজিটিভ ছিল আমাদের দিকে। আমি যখন ড্রেসিংরুমে খেলা দেখছিলাম তখন মনে ছিল যে আজ জিতবো। যেভাবেই হোক আমরা জিতবো ইন শা আল্লাহ।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আইপিএলের বাকি অংশের সূচি প্রকাশ

Read Next

সিরিজ সেরা হওয়া সৌম্যের ভালো লাগা অনুভূতি

Total
10
Share