দুই বল উইকেটে থেকেই যেভাবে ব্যবধান গড়লেন লিভিংস্টোন

দুই বল উইকেটে থেকেই যেভাবে ব্যবধান গড়লেন লিভিংস্টোন

সিরিজসেরা লিয়াম লিভিংস্টোন অলিখিত ফাইনালে (সিরিজের শেষ ম্যাচ) উইকেটে ছিলেন মাত্র ২ বল, যার ১ বলে তিনি আউট হয়েছেন। তবে বাকি বলে হাঁকানো ছক্কায় ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দিয়েছেন, দলের জয়ের পথ করেছেন সুগম।

শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৬ রান। পেনাল্টিমেট ওভার করতে আসেন পাকিস্তানের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ। প্রথম ৩ বলে ৪ রান হজম করা হাফিজ ৪র্থ বলে বোল্ড করে ফেরান ৩১ রান করা ডেভিড মালানকে।

লিয়াম লিভিংস্টোন উইকেটে আসলেন যখন দলের দরকার ৮ বলে ১২ রান। মোকাবেলা করা প্রথম বলেই হাঁকালেন বিশাল এক ছক্কা। পরের বলে আউট হলেও ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য দরকার ৬ বলে ৬ রান।

যা শেষ ওভারে ২ বল হাতে রেখেই তুলে ফেলে মরগান-জর্ডানরা।

ম্যানচেস্টারে টসে জিতে আগে ব্যাট করে পাকিস্তান স্কোরবোর্ডে জমা করে ৬ উইকেটে ১৫৪ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৬ রান আসে মোহাম্মদ রিজওয়ানের ব্যাট থেকে। ওপেন করতে নেমে ৫৭ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে অপরাজিত ৭৬ রান করেন তিনি।

এছাড়া ২০ এর গন্ডি পার করেন কেবল ফখর জামান (২৪)। ইংল্যান্ডের পক্ষে আদিল রশিদ বাবর আজম সহ মোট ৪ পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান, ১ উইকেট পান মইন আলি।

জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ডের কাজ সহজ করে দেন জেসন রয়। খেলেন ৩৬ বলে ১২ চার ও ১ ছয়ে ৬৪ রানের ইনিংস। যা পরবর্তীতে ডেভিড মালান, এউইন মরগানদের কাজ সহজ করে দেয়।

পাকিস্তানি স্পিনাররা ও হাসান আলি ইংলিশদের পরীক্ষা নিলেও শেষমেশ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

পাকিস্তান ১৫৪/৬ (২০), রিজওয়ান ৭৬*, বাবর ১১, মাকসুদ ১৩, হাফিজ ১, ফখর ২৪, শাদাব ২, ইমাদ ৩, হাসান ১৫*; আদিল ৪-০-৩৫-৪, মইন ৪-০-১৯-১

ইংল্যান্ড ১৫৫/৭ (১৯.৪), রয় ৬৪, বাটলার ২১, মালান ৩১, বেয়ারস্টো ৫, মইন ১, মরগান ২১, লিভিংস্টোন ৬, জর্ডান ৪*, উইলি ০*; ইমাদ ৪-০-২৫-১, হাসান ৩.৪-০-২৮-১, উসমান ৪-০-৩৫-১, শাদাব ৩-০-২২-১, হাফিজ ৪-০-২৮-৩

ফলাফলঃ ম্যাচে ইংল্যান্ড ৩ উইকেটে জয়ী, ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ী

ম্যাচসেরাঃ জেসন রয় (ইংল্যান্ড)

সিরিজসেরাঃ লিয়াম লিভিংস্টোন (ইংল্যান্ড)।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

সিরিজ সেরা হয়েও যে আক্ষেপ সাকিবের

Read Next

স্টার্কের বোলিং তোপে উড়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

Total
1
Share