দ্বিতীয় সারির ইংল্যান্ডের কাছেই হোয়াইটওয়াশ হল পাকিস্তান

দ্বিতীয় সারির ইংল্যান্ডের কাছেই হোয়াইটওয়াশ হল পাকিস্তান

ক্যারিয়ার সেরা ১৫৮ রানের ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারলেন না পাকিস্তান দলপতি বাবর আজম। ৩য় ওয়ানডেতেও হেরে দ্বিতীয় সারির ইংল্যান্ড দলের কাছে হোয়াইটওয়াশ হল পাকিস্তান।

বার্মিংহামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ৩৩১ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে পাকিস্তান। বাবরের ১৫৮ রান ছাড়াও ওপেনার ইমাম উল হক ৫৬ ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান ৭৪ রান করেন।

যদিও তা যথেষ্ট হয়নি। ইংল্যান্ড এই লক্ষ্য তাড়া করে ফেলে ২ ওভার ও ৩ উইকেট হাতে রেখে। ইংল্যান্ডকে জয় এনে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন জেমস ভিন্স ও লুইস গ্রেগরি। ভিন্স ক্যারিয়ারের ১ম সেঞ্চুরির দেখা পান, গ্রেগরি খেলেন ৭৭ রানের কার্যকারী এক ইনিংস।

পাকিস্তানের ইনিংস খুব ভালোভাবে শুরু হয়নি। ম্যাচে ৩ উইকেট নেওয়া সাকিব মাহমুদ শুরুতেই ফেরান ফখর জামানকে (৬)। অপর ওপেনার ইমাম উল হক অবশ্য ফিফটির দেখা পান। ৭৩ বলে ৫৬ রান করার পথে বাবর আজমের সঙ্গে ৯২ রানের জুটি গড়েন তিনি। যা পাকিস্তানকে শক্ত এক ভিত্তি দেয়।

ইমাম এর বিদায়ের পর উইকেটে আসা মোহাম্মদ রিজওয়ান হাত খুলে খেলতে থাকেন। বাবর ও রিজওয়ান মিলে ৩য় উইকেটে ২০ ওভারে ১৭৯ রান যোগ করেন। ৪৮ বলে ৭৪ রান করে ব্রাইডন কার্সের বলে আউট হন রিজওয়ান।

শুরুর ৫০ রান করতে ৭২ বল খেলা বাবর ৫০ থেকে ১০০ রানে যেতে খেলেন মাত্র ৩২ বল। ১০০ থেকে ১৫০ তে যেতে খেলেন ৩০ বল।

১৩৯ বলে ১৪ চার ও ৪ ছয়ে ১৫৮ রান করে শেষ ওভারে কার্সের বলে আউট হন বাবর। ৬১ রান খরচে ম্যাচে ৫ উইকেট নেন কার্স। পাকিস্তান থামে ৯ উইকেটে ৩৩১ রানে।

ডেভিড মালানের শুন্য হাতে ফেরা পাকিস্তানকে আশা দেয় ভালোভাবেই। এমনকি ম্যাচের প্রায় শেষ অব্দিই আশা টিকে ছিল সফরকারীদের।

আগ্রাসী ব্যাটিং করে ৬ ওভারেই ৫০ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে ফেলে ইংল্যান্ড। হারিস রউফের বলে আউট হওয়া ফিল সল্ট ২২ বলে ৩৭ রান করেন। ১৩ তম ওভারে ৩৯ রান করা জ্যাক ক্রলিকে হারিস যখন বোল্ড করেন ইংল্যান্ডের রান তখন ৩ উইকেটে ১০৪।

পাকিস্তান নিয়মিত বিরতিতে উইকেট নিলেও ইংল্যান্ড দারুণ এক রান রেট নিয়ে এগোচ্ছিল। ২৪ তম ওভারে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৫ উইকেটে ১৬৫। ৩২ রান করা বেন স্টোকস ও ৩ রান করা জন সিম্পসনকে ফেরান শাদাব খান।

তবে সেখান থেকে জেমস ভিন্স ও লুইস গ্রেগরি ১২৯ রানের জুটি গড়েন। ৯১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ভিন্স। গ্রেগরি খেলেন ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৯ বলে ৭৭ রানের ইনিংস।

৪৩ তম ওভারে ভিন্সকে (১০২৫) ফিরিয়ে পাকিস্তান শিবিরে আশা ফেরান হারিস রউফ। পরবর্তী ওভারে গ্রেগরিকেও ফেরান তিনি। তবে ক্রেইগ ওভারটন (১৮*) ও ব্রাইডন কার্স (১২*) দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দেন।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

সাহায্যের জন্য পোলার্ড, ব্রাভোর প্রশংসায় ক্রিস গেইল

Read Next

অবশেষে রুবেল-শামীমের ভিসা জটিলতা কেটেছে

Total
4
Share