তরুণদের পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বসিত অধিনায়ক মুমিনুল

তরুণদের পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বসিত অধিনায়ক মুমিনুল

হারারে টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ২২০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক পেলেন দ্বিতীয় জয়ের দেখা। তার নেতৃত্বে দেশের বাইরে এটিই প্রথম জয়, যদিও এর আগে ৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে কেবল একটি জয়ই পেয়েছেন। সেটিও ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। টাইগার কাপ্তান অবশ্য ঘরে-বাইরে তকমা দিয়ে জয়কে আলাদা চোখে দেখছেন না। প্রতিটি জয়কেই গর্বের বলছেন, তরুণদের পারফর্ম করাটাও উচ্ছ্বসিত করছে তাকে।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৩২ রানেই ৬ উইকেট নেই বাংলাদেশের। সেখান থেকে ১৭ মাস পর টেস্ট দলে জায়গা পাওয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও লিটন দাসের শতরানের জুটি। ৯৫ রানের ইনিংস খেলে লিটন বিদায় নিলেও ৯ম উইকেটে তাসকিন আহমেদকে নিয়ে রেকর্ড ১৯৬ রান যোগ করেন মাহমুদউল্লাহ।

তাসকিনের ৭৫ রানের সাথে মাহমুদউল্লাহর অপরাজিত ১৫০ রানের ইনিংসে ৪৬৮ রান টাইগারদের স্কোরবোর্ডে। জবাবে মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিব আল হাসানের স্পিন ঘূর্ণিতে ২৭৬ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ১৯২ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে সদমান ইসলাম ও নাজমুল হোসেন শান্তর অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ৪৭৭ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে।

জিম্বাবুয়েকে ২৫৬ রানে অলআউট করার পথে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া মিরাজ দ্বিতীয় ইনিংসে নিলেন ৪ উইকেট। তাসকিন দ্বিতীয় ও সাকিব আল হাসান প্রথম ইনিংসে নেন ৪ উইকেট করে।

ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অধিনায়ক মুমিনুল দলীয় পারফরম্যান্স নিয়ে বলেন, ‘জয় সবসময়ই গর্বের, সেটা ঘরের মাঠে হোক কিংবা বিদেশের মাটিতে হোক। যখন দলের জুনিয়ররা অবদান রাখে তা সবসময়ই ভালো ব্যাপার। লিটন ও মাহমুদউল্লাহর মধ্যকার জুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সাথে তাসকিনের ৭৫ রানের ইনিংসটিও। এটা ফ্ল্যাট উইকেট ছিল কিন্তু মিরাজ ৯ উইকেট নিল এখানেই। সুতরাং এটা পুরোটাই দলীয় প্রচেষ্টা, সাকিবও গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়েছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ী টেস্টে টাইগারদের বড় জয়

Read Next

মাহমুদউল্লাহর অবসরে মন খারাপ মুমিনুলের

Total
9
Share