সাইফ ফিরলেও সেঞ্চুরির পথে সাদমান

সাইফ ফিরলেও সেঞ্চুরির পথে সাদমান

আগের দিন ২৩৭ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। আজ চতুর্থ দিন লাঞ্চের আগে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে টাইগাররা লিড বাড়িয়ে নিল ৩৬১ রানে। জিম্বাবুয়ের জন্য যা ইতোমধ্যে কঠিন লক্ষ্য হয়ে আছে। চতুর্থ দিন লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ১ উইকেটে ১৬৯ রান।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪৬৮ রানের জবাবে ২৭৬ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ১৯২ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ তৃতীয় দিন শেষ করে বিনা উইকেটে ৪৫ রান তুলে। ২২ রানে সাদমান ইসলাম ও ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন সাইফ হাসান।

আজ লাঞ্চের আগে এক সেশনেই বাংলাদেশ তুলল ১২৪ রান। হারিয়েছে কেবল সাইফ হাসানের (৪৩) উইকেট। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম ফিফটি হাঁকিয়ে ছুটছেন সেঞ্চুরির দিকে। লাঞ্চের আগে অপরাজিত ৭২ রানে। ৮৮ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়ার পথে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত অপরাজিত ৪৭ রানে।

আগের দিন ৪৫ রানে অবিচ্ছেদ্য থাকা সাদমান ইসলাম ও সাইফ হাসান জুটির ফিফটি পূর্ণ করেন দিনের তৃতীয় ওভারেই। ২৮তম ওভারে ভিক্টর নিয়াউচির হাফ ভলি বলকে দারুণভাবে কাভার দিয়ে চার হাঁকান সাদমান। এক ওভার পর পুল শটে এই বাঁহাতি হাঁকান আরো এক দারুণ চার। অন্য প্রান্তে সাইফও সুযোগ পেলে রান তুলে নিচ্ছিলেন।

পেছনে ফেলেন নিজের আগের ক্যারিয়ার সেরা ৩৪ রানকেও। কিন্তু সেটিকে টেনে নিতে পারেননি ৪৩ রানের বেশি। এনগারাভার শর্ট অব লেংথের ডেলিভারিতে ক্যাচ দেন ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে অভিষিক্ত ডিওন মায়ের্সকে। মায়ের্সের দারুণ এই ক্যাচের আগে সাইফ ইনিংসটি সাজান ৯৫ বলে ৬ চারে।

সাইফ ফিরলেও বাংলাদেশের দাপুটে ব্যাটিং থামেনি। প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হওয়া নাজমুল হোসেন শান্তও ছিলেন সাবলীল। ৩৪তম ওভারে স্পিনার রয় কায়াকে হাঁকান দুই বাউন্ডারি।

রয় কায়াকে শর্ট মিড উইকেটে ঠেলে দিয়ে ১০১ বলে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি তুলে নেন সাদমান ইসলাম। তবে ডোনাল্ড টিরিপানোর করা পরের ওভারেই পয়েন্টে তার সহজ ক্যাচ ছাড়েন ডিওন মায়ের্স। তখন ৫৫ রানে ব্যাট করছিলেন সাদমান।

বাংলাদেশ দ্রুত রান তোলার পথেই হেঁটেছিল, যার ছাপ ছিল সাদমান-শান্তের ব্যাটিংয়ে। দুজনেই খেলেছেন কিছু ঝুঁকিপূর্ণ শট। দুজনে লাঞ্চের আগে অবিচ্ছেদ্য আছে ৮১ রানের জুটিতে। দলীয় সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৬৯ রান। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের লিড ৩৬১। সাদমান ১৪৪ বলে ৭ চারে ৭২ ও শান্ত ৫৮ বলে সমান দুইটি করে চার, ছক্কায় ৪৭ রানে অপরাজিত আছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (৪র্থ দিন, লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত):

বাংলাদেশ ১ম ইনিংসে ৪৬৮/১০ (১২৬), সাইফ ০, সাদমান ২৩, শান্ত ২, মুমিনুল ৭০, মুশফিক ১১, সাকিব ৩, লিটন ৯৫, মাহমুদউল্লাহ ১৫০*, মিরাজ ০, তাসকিন ৭৫, এবাদত ০; মুজারাবানি ২৯-৪-৯৪-৪, এনগারাভা ২৩-৫-৮৩-১, টিরিপানো ২৩-৫-৫৮-২, নিয়াউচি ১৭-১-৯২-২।

জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংসে ২৭৬/১০ (১১১.৫), শুম্বা ৪১, কাইতানো ৮৭, টেইলর ৮১, মায়ের্স ২৭, মারুমা ০, কায়া ০, চাকাবভা ৩১*, টিরিপানো ২, নিয়াউচি ০, মুজারাবানি ২, এনগারাভা ০; তাসকিন ২৪-১০-৪৬-১, সাকিব ৩৪.৫-১০-৮২-৪, মিরাজ ৩১-৫-৮২-৫

বাংলাদেশ ২য় ইনিংসে ১৬৯/১ (৪৯), সাদমান ৭২*, সাইফ ৪৩, শান্ত ৪৭*; এনগারাভা ৬-০-২৪-১

বাংলাদেশ ২য় ইনিংসে ৩৬১ রানে এগিয়ে।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের

Read Next

পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খেল জিম্বাবুয়ে

Total
1
Share